খুঁজুন
                               
, ,

সাংবাদিক কন্যার নামে ফ্যাক আইডি খুলে ফেসবুকে অপপ্রচার!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক কন্যার নামে ফ্যাক আইডি খুলে ফেসবুকে অপপ্রচার!

চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়া নির্বাসী চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক চাঁদপুর দপনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আরটিভির স্টাফ রিপোটার সিনিয়র সাংবাদিক শরীফ চৌধুরী (৫৬) মেয়ে সাবরিনা নিহার নামে ফ্যাক আইডি খুলে ফেসবুকে অপ-প্রচার করায় চাঁদপুর সদর মডেল থানায় জিডি করা হয়েছে। যার জিডি নং-১৩৬০, তারিখ: ২২/০১/২০২৫ খ্রি। গতকাল চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়া নির্বাসী সাংবাদিক এ, টি, এম শরীফ হোসেন চৌধুরী পিতা: মোঃ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী বাদী হয়ে জনৈক বখাটে মো: জহিরুল ইসলাম জহির, পিতা-মৃত সেকান্দর আলী মেম্বার, সাং- গাব্দেরগাঁও, থানা: ফরিদগঞ্জ বর্তমান ঠিকানা (রেলক্রসিং) সংলগ্ন, থানা ও জেলা: চাঁদপুরকে বিবাদী করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা এ জিডি করেন। এ ঘটনাটি গতকাল বুধবার চাঁদপুরের পুলিশ সুপার ও মডেল থানার ওসি মহোদয়কে জানানো হয়েছে । এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিবি পুলিশ ও মডেল থানা পুলিশ ব্যাপক অভিযান চালায় । এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানার ওসি বাহার মিয়া জানান, জনৈক বিবাদী বখাটে মো: জহিরুল ইসলাম জহির থানাতে ডাকা হয়েছে । সে বতমানে চাঁদপুর মডেল থানার হেফাজতে রয়েছে ।তাকে জিজ্বাসাবাদ করছি । জিডির বিষয়টি অনুসন্ধ্যান চলছে ।

এ ব্যাপারে সিনিয়র সাংবাদিক শরীফ চৌধুরী জানান, আমার মেয়ে সাবরিনা নিহার নামে ফ্যাক আইডি খুলে ফেসবুকে অপ-প্রচার করায় চাঁদপুর সদর মডেল থানায় জিডি করেছি। যার জিডি নং-১৩৬০, তারিখ: ২২/০১/২০২৫খ্রি। আমি ন্যায় বিচার চাই । উক্ত ফেক আইডি খুলে ফেসবুকে আমার মেয়ে ও আমার নামে নানা অপপ্রচার করা হচ্ছে । এতে আমি বিব্রত । আমি চাঁদপুরের পুলিশ সুপার ও মডেল থানার ওসি মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি । সহযোগিতার জন্য । জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৮/০১/২০২৫ইং তারিখে আমার মেয়ে সাবরিনা চৌধুরী নিহা নামে মো: জহিরুল ইসলাম জহির, পিতা-মৃত সেকান্দর আলী মেম্বার, সাং- গাব্দেরগাঁও, থানা: ফরিদগঞ্জ। বর্তমান ঠিকানা (রেলক্রসিং) সংলগ্ন, থানা ও জেলা: চাঁদপুর। একটি ফেক আইডি খুলে আমার মেয়ে এবং আমার ফেমিলি নামে বিভিন্ন প্রকার খারাপ কথাবার্তা এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিচ্ছে। আইডিটির লিংক- HTTPS://WWW.FACEBOOK.COM/SHARE/1ECMBWZQZF/। বর্তমানে যা আমার এবং আমার ফেমিলির জন্য হুমকিস্বরুপ। ছেলেটি এবং তার বোন পূর্বে আমার বাসার ভাড়াটিয়া ছিলেন। ওই সময় থেকেই ছেলেটি আমার মেয়েকে বিভিন্ন ভাবে উত্ত্যাক্ত এবং বিরক্ত করতো। আমার মেয়ে পথরোধ করে আমার মেয়ের চলার পথে বাধাঁ সৃষ্টি করতো।

বর্তমানে লোকটি আমার মেয়ে নামে আইডি ব্যাবহার করে আমার আত্মীয়-স্বজন সবাইকে মেসেজ দিচ্ছে এবং আমার মেয়ে আমার ফেমিলি নামে বিভিন্ন প্রকার কুরুচিপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে বর্তমানে আমার মেয়ে মানসিক ভাবে সমস্যায় আছে। এবং আমার এবং আমার ফেমিলির ভবিষ্যত হুমকিমুখে আছে।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।