খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

যেভাবে হত্যা করা হয় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেটকে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
যেভাবে হত্যা করা হয় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেটকে

চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে র‍্যাব। বাহিনীটি জানিয়েছে, মধ্যরাতে বাস থেকে নামার পর ওত পেতে থাকা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে নির্মম হত্যার শিকার হন তিনি। র‍্যাব জানায়, ছিনতাইকারীদের আঘাত এবং চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বুলেট বৈরাগীর। এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, ইমরান হোসেন হৃদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল এবং সুজন। কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৪ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন বুলেট বৈরাগী। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ। মরদেহে আঘাতের একাধিক চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা টিম মাঠে নামে, এরপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬ এপ্রিল কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, চাপাতি, সুইস গিয়ার, হাতুড়িসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাতে র‍্যাব জানায়, গ্রেফতাররা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা মূলত দূরপাল্লার যাত্রীদের টার্গেট করে সিএনজিতে তুলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই ও ডাকাতি করত। ঘটনার রাতে কুমিল্লায় বাস থেকে জাগরঝুলি এলাকায় নামেন বুলেট। এই সময়ে ওত পেতে থাকা অবস্থায় ভুক্তভোগীকে টার্গেট করা হয়। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে তাকে মারধর ও ছিনতাইয়ের পর চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এক প্রশ্নের জবাবে উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা: দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা: দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কতা

দেশের জাতীয় সংসদ ভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় উগ্রবাদী হামলার আশঙ্কা থেকে দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। একটি নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের নেতার সঙ্গে একটি বাহিনীর সাবেক দুই সদস্যের গোপন যোগাযোগের তথ্য পাওয়ার পর এই জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের সকল ইউনিটে এই সতর্কতামূলক চিঠি পাঠানো হয়। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ (যিনি সামী, আবু বক্কর ও আবু মোহাম্মদ নামেও পরিচিত)—এর সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের এই সমন্বয় দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।
সদর দপ্তরের চিঠিতে বেশ কিছু স্পর্শকাতর স্থাপনা ও জায়গার কথা উল্লেখ করা হয়েছে: জাতীয় সংসদ ভবন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা এবং বাহিনীর অস্ত্রাগার। ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদন কেন্দ্র এবং রাজধানীর শাহবাগ চত্বর। উগ্রবাদীরা এসব স্থানে বোমা বিস্ফোরণ, আগ্নেয়াস্ত্র অথবা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে নাশকতার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ের ইউনিটগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক গুণ জোরদার করা। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যামেরার সামনে কথা বলেননি, তবে সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। রাজধানীসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ইতিমধ্যে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন ও তল্লাশি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা এ বছর ডিসেম্বরেই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা এ বছর ডিসেম্বরেই

সেশনজট কমিয়ে শিক্ষাপঞ্জি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা এগিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন। নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে এই পরীক্ষা চলতি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী জানান, করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরীক্ষার সময়সূচি এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। সেই বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনতেই এই আগাম পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা চলতি বছরের (২০২৬) ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে চাই।”
এসএসসির পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বিষয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, একই উদ্দেশ্য নিয়ে ২০২৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষাও নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এগিয়ে আনা হবে। মূলত শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাপঞ্জির সঙ্গে সমন্বয় করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন সচিবালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘বদলি নীতিমালা’ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সেশনজট কমানোর পাশাপাশি শিক্ষক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই অভাবনীয় সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৭ সালের পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি চলতি বছরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। এতে সেশনজট কমবে বলে আশা করা হলেও, দ্রুত সিলেবাস শেষ করার ক্ষেত্রে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করাই ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’: আইআরজিসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করাই ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’: আইআরজিসি

বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’। টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আইআরজিসি টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা এবং এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও হোয়াইট হাউসের সমর্থকদের ওপর এর প্রতিরোধমূলক প্রভাবের ছায়া বজায় রাখাই ইরানের চূড়ান্ত কৌশল।’