খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

পশুর হাটে হারবাল ওষুধের নামে ‘ভয়ংকর’ বাণিজ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
পশুর হাটে হারবাল ওষুধের নামে ‘ভয়ংকর’ বাণিজ্য

‘কোর্ট অনুমোদিত’, ‘এক ফোঁটা তেলেই মিলবে পুরুষ শক্তির ম্যাজিক!’, ‘মাত্র সাত দিনে গোপন দুর্বলতা দূর!’, ‘কাজ না হলে টাকা ফেরত!’ এমন সব চটকদার কথায় এখন সরগরম মেহেরপুরের বিভিন্ন গবাদি পশুর হাট। মাইকে উচ্চস্বরে প্রচার, ভিড় জমিয়ে কৌশলী বক্তব্য আর লোক দেখানো ‘সফলতার গল্প’ শুনিয়ে বিক্রি হচ্ছে কথিত জোঁকের তেল, হারবাল যৌন শক্তিবর্ধক ও অনুমোদনহীন নানা ওষুধ। হাটে হাটে ‘গোপন শক্তি’ বাড়ানোর নামে গড়ে উঠেছে এক ভয়ংকর প্রতারণার বাজার। সাধারণ মানুষের লজ্জা, শারীরিক দুর্বলতা ও অজ্ঞতাকে পুঁজি করে চলছে প্রকাশ্য বাণিজ্য। অথচ চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা এসব অজানা উপাদানের তেল ও ওষুধ দীর্ঘমেয়াদে ডেকে আনতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি, এমনকি মৃত্যু।
সরজমিনে মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন পশু হাট ঘুরে দেখা যায়, অনেকেই ভ্রাম্যমাণ ক্যানভাসে আকৃষ্ট হয়ে জোঁকের তেল ও হারবাল বিভিন্ন ঔষধ কিনছেন। অনেকে হাটে পশু বিক্রি করে তেল ও ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরছেন। বিক্রেতাদের অধিকাংশের নেই কোনো চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা বৈধ অনুমোদন। অথচ নিজেদের হাকিম বা যৌন বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করছেন তারা।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী হাটে দেখা যায়, জোঁকের তেল বিক্রেতা আব্দুস সালামের ক্যানভাস ঘিরে শত শত মানুষের জটলা। প্রতিবেদকের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক ক্রেতাই দ্রুত সরে যান। এ সময় ওই বিক্রেতা বলেন, ‘আপনি এভাবে এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে আজ আমার আর ব্যবসা হবে না।’
কয়েকজন তেল ক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, উপকার পেয়ে আবার কিনছি, কেউ বলেন লোকমুখে শুনে এখন কিনছি। অনেকে বলেন, শখের বসে কিনেছি দেখা যাক কাজ হয় কিনা।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন ইউনানী শাস্ত্রে জোঁক দিয়ে চিকিৎসা প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরনো। তবে ইউনানী শাস্ত্রে জীবন্ত জোঁক দিয়ে চিকিৎসার কথা থাকলেও, তেল দিয়ে চিকিৎসার বিষয়টি প্রশ্নসাপেক্ষ।
জোঁকের তেল বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার পরিবারে বংশপরম্পরায় এই তেল বিক্রির প্রচলন রয়েছে। আমার দাদা ও বাবাও জোঁকের তেল বিক্রি করতেন। আমি নিজেও গত ১৮ বছর ধরে কোরবানির মৌসুমে বামন্দিহাটে এসে সপ্তাহে দুদিন জোঁকের তেল বিক্রি করি।’
তিনি দাবি করেন, বিশেষ প্রক্রিয়ায় এই তেল প্রস্তুত করা হয়। প্রথমে নারিকেলের খোলের ভেতরে নারিকেলের শাঁসের সঙ্গে জোঁকের চর্বি পঁচিয়ে নেওয়া হয়। পরে সেই উপাদানের সঙ্গে এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, কর্পূর, ঘি, তিলের তেল, ভেন্নার তেল, কালিজিরার তেল, জয়তুনের তেল ও সরিষার তেল মিশিয়ে পিতলের পাতিলে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা অল্প আঁচে জ্বাল দেওয়া হয়। ঠান্ডা হওয়ার পর সংরক্ষণ করা হয়। তার ভাষ্য, এই তেল ব্যথা, চর্মরোগ, এলার্জি, অর্শ, রক্তের কণিকা বৃদ্ধি এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহৃত হয়
এ বিষয়ে ২৫০ শয্যা মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের আয়ুর্বেদিক বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিন আলী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘জোঁকের তেল ব্যথা নিরাময়ে কিছু ক্ষেত্রে উপকার দিতে পারে। তবে কোন ধরনের ব্যথায় কী পরিমাণে এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করতে হবে, তা একজন প্রশিক্ষিত ইউনানী বিশেষজ্ঞই নির্ধারণ করতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বংশপরম্পরায় অনেকেই এ ধরনের তেল বিক্রি করলেও উৎপাদন প্রক্রিয়া সঠিক না হলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি থাকে। এতে বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগসহ অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। রাস্তাঘাটে হারবাল যৌন শক্তিবর্ধক ওষুধ বিক্রির প্রবণতাও উদ্বেগজনক। এসব পণ্যে আদৌ কার্যকর ভেষজ উপাদান রয়েছে কি না, সেটিও প্রশ্নসাপেক্ষ। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ওষুধ প্রশাসনের আরও গুরুত্বসহকারে নজরদারি করা প্রয়োজন।’

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।