খুঁজুন
                               
, ,

সবাই মিলে নিরাপদের সম্প্রীতির চাঁদপুর গড়তে চাই : জেলা প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ
সবাই মিলে নিরাপদের সম্প্রীতির চাঁদপুর গড়তে চাই : জেলা প্রশাসক

hdr

চাঁদপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের সাথে চাঁদপুর জেলার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পরিচিতি, মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর ২০২৫) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন।
সভার শুরুতে নবাগত জেলা প্রশাসক চাঁদপুর শহর এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন ও সম্ভাবনার ওপর নিজের উদ্যোগ থেকে সীমিত সময়ের মধ্যে তৈরি করা একটি ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন। এ ডকুমেন্টারিতে বাদপড়া জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সমস্যা তুলে ধরে এর সমাধানের উদ্যোগ নিতে জেলা প্রশাসককে আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি ডাকাতিয়া নদীর দূষিত পানি চাঁদপুর পৌরসভা উত্তোলন করে সরবরাহ করছে, যাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে বলে জানান ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিক আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ মাস্টার, ড্যাব চাঁদপুর জেলা সভাপতি ডা. মোবারক হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন খান বাবুল, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবুর রহমান, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি রহিম বাদশা, জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির অ্যাড. মাসুদুল ইসলাম বুলবুল, নাগরিক ঐক্য জেলা সভাপতি আবু তাহের মাস্টার, সুজন জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন, জেলা দুর্নীতি বিরোধী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. কাজী হাশেম, জামায়াত পৌর আমির অ্যাড. মো. শাহজাহান খান, ইসলামী আন্দোলন চাঁদপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি কেএম ইয়াসিন রাশেদ সানি, খেলাফতের তোফায়েল আহমেদ, গণফোরামের হাজী আশরাফ সরকার, এনসিপি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাহবুব আলম, গণঅধিকার পরিষদের জেলা আহ্বায়ক কাজী রাসেল, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. আবুল বাশার, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাড. বিনয় ভূষণ মজুমদার, পিপি অ্যাড. কুহিনূর বেগম, উইমেনস চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মনিরা আক্তার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের শরীফ চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জসিম মেহেদী, চাঁদপুর জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ফেরদৌস আলম বাবু, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনীর চৌধুরী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হারুনুর রশিদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, জেলা জাসাস সভাপতি কাজী মাইনুল হক জীবনসহ অন্যরা।
বক্তারা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল চাঁদপুর গঠনে নানা ধরনের মত প্রকাশ করেন এবং বলেন, উন্নত চাঁদপুর গঠনে যানজট নিরসন, দুর্নীতি, মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি বন্ধের বিকল্প নেই।
সভাপ্রধানের বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, সামনে নির্বাচন। আপনি, আমি ও প্রার্থীদের চেয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যারা ভোট দিবেন সেই ভোটার। ভোটাররা যেনো নির্বিঘ্নে সুন্দর পরিবেশে ভোট প্রদান করতে পারে সেই ক্ষেত্র তৈরি করা হবে।একজন ভোটার যেনো গর্ব করে বলতে পারে, আমি একজন সেবককে ভোট দিয়েছি। আমার দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচনে পবিত্রতার সাথে ঈমানী দায়িত্ব পালন করা।
তিনি বলেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না, আমরা সবাই মিলে নিরাপদের সম্প্রীতির চাঁদপুর গড়তে চাই। যেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক সম্প্রীতি অটুট থাকবে।
নবাগত জেলা প্রশাসক ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের স্মরণ করে চাঁদপুরকে আরো এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সামনের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে যেনো শেষ হয় সে লক্ষ্য নিয়ে একটি সক্রিয় ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।