খুঁজুন
                               
, ,

কোন পথে বিএনপি?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ২:০০ অপরাহ্ণ
কোন পথে বিএনপি?

বাংলাদেশের রাজনীতির বর্তমান পর্বটি নিঃসন্দেহে একটি সন্ধিক্ষণ। রাষ্ট্রক্ষমতার চিরচেনা খেলায় এবার যুক্ত হয়েছে সংস্কারের প্রস্তাব,জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ,আর তার মধ্য দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা। এই ন্যারেটিভের কেন্দ্রে বিরোধী দল বিএনপি। দলটির জন্য এটি যেন দুই ধারালো ধারের তরবারি। কোনো সিদ্ধান্তই পুরোপুরি নিরাপদ নয়; বরং উভয় পথেই রয়েছে সংকট ও সম্ভাবনার দ্বৈত দরজা।
ঐকমত্য কমিশনের কিছু সুপারিশ বিএনপির কাছে অস্বস্তিকর বলে মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কেননা এগুলো তাদের ঘোষিত আন্দোলন-রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি করে। একটি দল যখন দীর্ঘদিন ধরে দাবি তোলে -‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হলে নির্বাচন হবে না’,তখন হঠাৎ করে সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ভেতরেই সংস্কার আলোচনায় টেনে আনা রাজনৈতিকভাবে কঠিনই বটে। এখানে বিএনপির এখনকার অবস্থান অনেকটা এমন: সুপারিশগুলোর প্রতি দরজা খুলে দিলে নিজস্ব রাজনৈতিক বিবৃতির ধার কমে যেতে পারে, আর পুরোপুরি ঠেলে দিলে ‘সংস্কারবিরোধী’,’অসহযোগী’ তকমা লেগে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ইমেজ’একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপিকে ‘নেতিবাচক রাজনীতি’ বা বি- রাজনীতির কাঠামোতে ফেলতে চেয়েছে। কমিশনের প্রস্তাব যদি বিএনপি সোজাসুজি প্রত্যাখ্যান করে,তাহলে সেই ইমেজ ফেরে আসার সুযোগ আরও দৃঢ় হতে পারে। অন্যদিকে গ্রহণ করলেও প্রশ্ন -তাহলে গত দেড় দশকের আন্দোলন এবং তার রাজনৈতিক দাবি-দাওয়া কোথায় দাঁড়াবে?
এখানেই বিএনপির বাস্তবতা ও কৌশলের জটিল যোগসূত্র।
অনেকে বলছেন -সময়ের চাকা বদলেছে। গণআন্দোলনের জোয়ারের অপেক্ষা,কিংবা নির্বাচনী বয়কট-কেন্দ্রিক কৌশল-এগুলো অতীতে যতটা কার্যকর ছিল,বর্তমান বাস্তবতায় তা ততটা নিশ্চিত নয়। সমাজ-অর্থনীতি-প্রশাসনিক কাঠামো – সবকিছুতেই ক্ষমতার স্থায়িত্বের কৌশল আরও পরিপূর্ণ হয়েছে। ফলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সামনে থাকা পথ সংকীর্ণ। এই সংকীর্ণ পথেই বিএনপিকে এখন হাঁটতে হচ্ছে।
এখানে আরেকটি বিষয় খেয়ালযোগ্য -সংস্কার প্রসঙ্গ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কারের আলোচনা নতুন নয়,কিন্তু তা কখনো বাস্তব রূপ পায়নি। ক্ষমতার পালাবদলে প্রতিপক্ষের জন্য কাঠামো বদলানোর চেষ্টা,আর নিজের ক্ষমতার সময় সেই কাঠামো রক্ষার প্রবণতা -এটাই গত তিন দশকের ধারা। কমিশনের প্রস্তাব তাই শুধু নীতিগত আলোচনা নয়; এটি ক্ষমতার ভবিষ্যৎ বণ্টনের নতুন আখ্যান। এই আখ্যানের বাইরে থাকলে কেউ একদিন অপরিহার্যতার বাইরে চলে যেতে পারে -এই ভয় বিএনপি অনুভব করছে বলেই মনে হয়।
তবে প্রশ্ন হলো -জনগণের অবস্থান কোথায়? রাজনীতি যদি জনতাভিত্তিক শক্তির খেলা হয়,তাহলে বিএনপিকে ভাবতে হবে ভোটার-সমর্থক-সমাজের মধ্যবিত্ত অংশগুলো কী ভাবছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা,অর্থনৈতিক চাপ,কর্মসংকট -এই সময়ে সাধারণ মানুষ স্থিতি চায়। তারা পরিবর্তন চায়,কিন্তু পরিবর্তন যেন অস্থিরতার সমার্থক না হয়। বিএনপি যদি পরিবর্তনের বয়ানকে স্থিতির বয়ানের পাশে দাঁড় করাতে না পারে,তবে তাদের বার্তা জনমনে স্পষ্টভাবে পৌঁছবে না।
একই সাথে দলটির ভেতর যে কৌশলগত ভিন্নমত রয়েছে,তা গঠনতান্ত্রিক দুর্বলতার ইঙ্গিতও দেয়। সুপারিশ গ্রহণ-বর্জনের প্রশ্ন শুধু আদর্শ নয় -দলটির নেতৃত্ব,ভবিষ্যৎ প্রজন্ম,এবং কেন্দ্র-বাহিরের সংগঠনের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করছে। দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের এখানেই ভূমিকা -আবেগ নয়,বাস্তবতার সঙ্গে নীতি-আদর্শের সঠিক সমন্বয়।
তাহলে কী হওয়া উচিত বিএনপির পথ? প্রথমত,যেকোনো রাজনৈতিক দলকে প্রমাণ করতে হয় -তারা শুধু ক্ষমতার জন্য নয়,রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য বিকল্প ভিশন রাখে। বিএনপি যদি সংস্কার ইস্যুকে সরাসরি অস্বীকার না করে বরং নিজের সংস্কার-রূপকল্প তুলে ধরে,তা হলে তা পরিণত রাজনীতির পরিচয় হবে। দ্বিতীয়ত,জনগণের দিকে তাকানো জরুরি। তাঁদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি,সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রশ্নে বিকল্প ব্যাখ্যা দেওয়া – এগুলো আরও জোরদার করা উচিত। তৃতীয়ত,দলীয় অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া আরও স্পষ্ট করা দরকার। বিভাজন ও সন্দেহ রাজনীতিকে দুর্বল করে।
বাংলাদেশ এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে,যখন রাজনৈতিক বলবৎ সত্যগুলো দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের শক্ত অবস্থান,প্রশাসনিক সক্ষমতা,এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির বাস্তবতা -সব মিলিয়ে এই মুহূর্ত কঠিন। কিন্তু সংকটে সুযোগ থাকে। বিএনপি যদি কৌশলগত ধৈর্য ও সৃজনশীল রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে পারে,তবে তার সামনে পথ আছে। আর যদি আবার পুরোনো দ্বিধা ও প্রত্যাশাহীন পথে হাঁটে -তাহলে ইতিহাসের মোড় হয়তো অন্যদিকে ঘুরে যাবে,বিএনপিকে প্রান্তসীমায় রেখে।
রাজনীতি আসলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলাতে পারার শিল্প। আজ সেই শিল্পের পরীক্ষায় বিএনপি দাঁড়িয়ে। উত্তীর্ণ হতে হলে শুধু স্লোগান ন-দূরদৃষ্টি,আত্মসমালোচনা,এবং জনগণের সঙ্গে গভীর সংযোগ-এই তিনটির সমন্বয়ই তাদের প্রকৃত অস্ত্র। এখন দেখার পালা -তারা সেই অস্ত্র ঘষে-মেজে নেবে,নাকি তাকেই ভুলে যাবে ইতিহাসের করিডোরে।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।