খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

১০৪ ভুয়া জুলাই-যোদ্ধার তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
১০৪ ভুয়া জুলাই-যোদ্ধার তালিকা প্রকাশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়েও জুলাই-যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ১০৪ জন। তাদের ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা বলছেন আন্দোলনে সম্পৃক্তকারীরা। এসব ভুয়া ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে সরকার। তাদের নামের গেজেট বাতিল করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের আট বিভাগে ১০৪ জন ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা ছাড়াও একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, এমন ২৩ জনের একটি গেজেট রেখে অন্যটি বাতিল করা হবে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের প্রকাশিত গেজেট তালিকায় তারা আহত জুলাই-যোদ্ধা। কিন্তু তারা আসলে আন্দোলনে সম্পৃক্ত থেকে আহত হয়নি। তারা প্রতারণা করেছেন এবং কয়েকজনের নামে একাধিক গেজেট প্রকাশিত হওয়ার গেজেট বাতিলের জন্য জেলা কমিটির সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন ভুয়া ও ১ জনের নামে দুবার গেজেট হয়েছে, সিলেট বিভাগ ২৬ জন ও ১ জনের দুবার গেজেট, চট্টগ্রাম বিভাগের ৩৪ জন ও ৪ জনের নামে দুবার গেজেট, খুলনা বিভাগে ৫ জন ও ৪ জনের নামে দুবার গেজেট, রংপুর ২ জন ভুয়া জুলাইযোদ্ধা, ঢাকা বিভাগে ৭ জন ও ৭ জনের নামে দুবার গেজেট, রাজশাহী বিভাগে ৯ জন ভুয়া জুলাইযোদ্ধা ও ৪ জনের নামে দুবার গেজেট, বরিশাল বিভাগের ২ জনের নামে দুবার গেজেট হয়েছে।

সব মিলিয়ে ১২৭ জনের গেজেট বাতিল করবে সরকার। তাদের মধ্যে দুবার করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে ২৩ জনের। বাকি ১০৪ জন অহত নন ও আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়ে জুলাই-যোদ্ধা হিসেবে গেজেট-ভুক্ত হয়েছে। তাই নামের গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার।

যেসব জুলাই-যোদ্ধার গেজেট বাতিল করতে সুপারিশ করেছে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটি, এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের ২০ জন হলেন নেত্রকোনার সৈয়দ তরিকুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৮০; মোহাম্মদ নুরুল আমিন, গেজেট নম্বর ৮৮; তানভীর আহমেদ, গেজেট নম্বর ১২১; আছিয়া খাতুন গেজেট, নম্বর ১২৩; রুহুল আমিন, গেজেট নম্বর ১২৭; মো. আমি হাসান রুপম, গেজেট নম্বর ১২৯, মোহাম্মদ আকিব তালুকদার, গেজেট নম্বর ১৪৬; মো. সুজন মিয়া, গেজেট নম্বর ১৫৫; মো. ইমন শাহারিয়া, গেজেট নম্বর ১৬৫; আশরাফুল ইসলাম জাসাম, গেজেট নম্বর ১৭২; মুশফিকুর রহমান, গেজেট নম্বর ১৯৭; মো সজিব, গেজেট নম্বর ১৯৮; সোহাগ মিয়া, গেজেট নম্বর ১৯৯; রুবেল মিয়া, গেজেট নম্বর ৩৬২; মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, গেজেট নম্বর ৩৬৩; রাব্বি হাসান শ্রীনি, গ্যাজেট নম্বর ৫৬৫; মোহাম্মদ আজহারুল ইসলামিক, গেজেট নম্বর ৫৬৬; মো. আবু ফরিদ আহামেদ, গেজেট নম্বর ৫৬৭; আফরিনা জান্নাত, গেজেট নম্বর ৫৭০; মাজহারুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৬৪৮।
ঢাকা বিভাগে ৭ জন ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা ও ৭ জনের নাম দুবার গেজেট-ভুক্ত হয়েছে, রাসেলে, গেজেট নম্বর ৬৭০; খন্দকার রাজ, গেজেট নম্বর ১০৬৩; রাফিউল নাঈম, গেজেট নম্বর ১১৬১; রাশেদুল ইসলাম অনিক, গেজেট নাম্বার ১১৬৩, আব্দুল্লাহ আল রাহাত, গেজেট নম্বর ১১৬৬; মো. মঞ্জমুল আলম, জিসান গেজেট নম্বর ১৯৩২; মো. সাইফুল ইসলাম শুভ, গেজেট নম্বর ২৬৮২; রিয়াজুল হাসান, গেজেট নম্বর ২৮৩৮; বেলায়াত হোসেন শাহীন, গেজেট নম্বর ২৮৩৯; মুজবর মৃধা, গেজেট নম্বর ৩৯৬৪; জিহাদ, গেজেট নম্বর ৩৪১৩; মো. রফিকুল সরদার, গেজেট নম্বর ৭৩৩; মো. মাসুদুর রহমান, গেজেট নম্বর ৬৪৫; মোছা রুমি, গেজেট নম্বর ৩৪৩১; মো. রিয়াজ শরীফ, গেজেট নম্বর ১৩৮২।
চট্টগ্রাম বিভাগ ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা ৩৫জন তারা হলেন, চট্টগ্রাম জেলার মো. শাগর, গেজেট নম্বর ৩২৮; আবদুল্লাহ আল নোমান গেজেট নম্বর ৪৬৯; নাইম উদ্দীন শাঈদ, গেজেট নম্বর ৪৯২; মোহা. শরিফুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৫১৫; শাহাদাত ইকবাজ তাহনি, গেজেট নম্বর ৫২১; তাহমিনা ইকরার তারকি, গেজেট নম্বর ৫২২; মাহাবী তাজওয়ার, গেজেট নম্বর ৫৩৪; জসিম উদ্দিন, গেজেট নম্বর ৫৪২; মো. আতিকুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৫৫২; মো. ইয়াছিন, গেজেট নম্বর ৫৬০; আরফাতুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৫৯৫; ফরহাদ আলম, গেজেট নম্বর ৬০১; মোদাসাদ সাহাদ কবির এমরান, গেজেট নম্বর ৬০৩; মুনজামিরুল হক চৌধুরী মামুর, গেজেট নম্বর ৬১৬; পঠন চন্দ্র নাথ, গেজেট নম্বর ৬২২; মিশকাত-আলম রিয়াদ, গেজেট নম্বর ৬৭৫; মো. এমরান, গেজেট নম্বর ৭৯৭; মাহাম্মদ সাগর, গেজেট নম্বর ৭৬৮; নুরুল্লাহ, গেজেট নম্বর ৭৮৯; সোহাম্মদ রাফি, গেজেট নম্বর ৭৯৯; ফয়সাল মোহাম্মদ শিয়াস, গেজেট নম্বর ৮০২; মোছা. ইছনিয়া আকতার, গেজেট নম্বর ৮২৪; মো. মাঈনুদ্দীন, গেজেট নম্বর ৮২৫; সাইমন, গেজেট নম্বর ৯৭৩; মো. আরিফ, গেজেট নম্বর ১৯৭৬; রাসেল, গেজেট নম্বর ১৯৮৬; রমজান আলী, গেজেট নম্বর ৯৮৭; মাহিম চৌধুরী, গেজেট নম্বর ৯৯৯; রিফাত বিন আল, গেজেট নম্বর ১৯৯৯।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়ে অনেকেই জুলাই যোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছে, এমন অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। এরপর ভুয়া প্রমাণিত হলে জুলাই-যোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ নেওয়া কথা বলেছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক)।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তথ্যমতে, ক শ্রেণিতে অতি গুরুতর আহত ৬০২ জন, খ শ্রেণিতে গুরুতর আহত ১১১৮ জন, গ শ্রেণিতে আহত ১২০৮০ জন। নিহত ৮৪৪ জন। যার মধ্যে ৮ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। মোট ১৪ হাজার ৬৩৬ জনের নামে গেজেট করা প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (জুলাই গণ অভ্যুত্থান অধিদপ্তর) মোহাম্মদ ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, যাদের নামে অভিযোগ ছিল সেসব বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের গেজেট বাতিল করা হবে এবং গেজেট বাতিল করার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গেজেট বাতিলের কাজ চলমান আছে।
জুলাই-যোদ্ধা না হয়েও যারা এককালীন অর্থসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগে গেজেট বাতিল করি, তারপর সবই পাওয়া যাবে।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।