খুঁজুন
                               
, ,

১০৪ ভুয়া জুলাই-যোদ্ধার তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
১০৪ ভুয়া জুলাই-যোদ্ধার তালিকা প্রকাশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়েও জুলাই-যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ১০৪ জন। তাদের ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা বলছেন আন্দোলনে সম্পৃক্তকারীরা। এসব ভুয়া ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে সরকার। তাদের নামের গেজেট বাতিল করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের আট বিভাগে ১০৪ জন ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা ছাড়াও একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, এমন ২৩ জনের একটি গেজেট রেখে অন্যটি বাতিল করা হবে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের প্রকাশিত গেজেট তালিকায় তারা আহত জুলাই-যোদ্ধা। কিন্তু তারা আসলে আন্দোলনে সম্পৃক্ত থেকে আহত হয়নি। তারা প্রতারণা করেছেন এবং কয়েকজনের নামে একাধিক গেজেট প্রকাশিত হওয়ার গেজেট বাতিলের জন্য জেলা কমিটির সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন ভুয়া ও ১ জনের নামে দুবার গেজেট হয়েছে, সিলেট বিভাগ ২৬ জন ও ১ জনের দুবার গেজেট, চট্টগ্রাম বিভাগের ৩৪ জন ও ৪ জনের নামে দুবার গেজেট, খুলনা বিভাগে ৫ জন ও ৪ জনের নামে দুবার গেজেট, রংপুর ২ জন ভুয়া জুলাইযোদ্ধা, ঢাকা বিভাগে ৭ জন ও ৭ জনের নামে দুবার গেজেট, রাজশাহী বিভাগে ৯ জন ভুয়া জুলাইযোদ্ধা ও ৪ জনের নামে দুবার গেজেট, বরিশাল বিভাগের ২ জনের নামে দুবার গেজেট হয়েছে।

সব মিলিয়ে ১২৭ জনের গেজেট বাতিল করবে সরকার। তাদের মধ্যে দুবার করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে ২৩ জনের। বাকি ১০৪ জন অহত নন ও আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়ে জুলাই-যোদ্ধা হিসেবে গেজেট-ভুক্ত হয়েছে। তাই নামের গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার।

যেসব জুলাই-যোদ্ধার গেজেট বাতিল করতে সুপারিশ করেছে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটি, এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের ২০ জন হলেন নেত্রকোনার সৈয়দ তরিকুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৮০; মোহাম্মদ নুরুল আমিন, গেজেট নম্বর ৮৮; তানভীর আহমেদ, গেজেট নম্বর ১২১; আছিয়া খাতুন গেজেট, নম্বর ১২৩; রুহুল আমিন, গেজেট নম্বর ১২৭; মো. আমি হাসান রুপম, গেজেট নম্বর ১২৯, মোহাম্মদ আকিব তালুকদার, গেজেট নম্বর ১৪৬; মো. সুজন মিয়া, গেজেট নম্বর ১৫৫; মো. ইমন শাহারিয়া, গেজেট নম্বর ১৬৫; আশরাফুল ইসলাম জাসাম, গেজেট নম্বর ১৭২; মুশফিকুর রহমান, গেজেট নম্বর ১৯৭; মো সজিব, গেজেট নম্বর ১৯৮; সোহাগ মিয়া, গেজেট নম্বর ১৯৯; রুবেল মিয়া, গেজেট নম্বর ৩৬২; মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, গেজেট নম্বর ৩৬৩; রাব্বি হাসান শ্রীনি, গ্যাজেট নম্বর ৫৬৫; মোহাম্মদ আজহারুল ইসলামিক, গেজেট নম্বর ৫৬৬; মো. আবু ফরিদ আহামেদ, গেজেট নম্বর ৫৬৭; আফরিনা জান্নাত, গেজেট নম্বর ৫৭০; মাজহারুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৬৪৮।
ঢাকা বিভাগে ৭ জন ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা ও ৭ জনের নাম দুবার গেজেট-ভুক্ত হয়েছে, রাসেলে, গেজেট নম্বর ৬৭০; খন্দকার রাজ, গেজেট নম্বর ১০৬৩; রাফিউল নাঈম, গেজেট নম্বর ১১৬১; রাশেদুল ইসলাম অনিক, গেজেট নাম্বার ১১৬৩, আব্দুল্লাহ আল রাহাত, গেজেট নম্বর ১১৬৬; মো. মঞ্জমুল আলম, জিসান গেজেট নম্বর ১৯৩২; মো. সাইফুল ইসলাম শুভ, গেজেট নম্বর ২৬৮২; রিয়াজুল হাসান, গেজেট নম্বর ২৮৩৮; বেলায়াত হোসেন শাহীন, গেজেট নম্বর ২৮৩৯; মুজবর মৃধা, গেজেট নম্বর ৩৯৬৪; জিহাদ, গেজেট নম্বর ৩৪১৩; মো. রফিকুল সরদার, গেজেট নম্বর ৭৩৩; মো. মাসুদুর রহমান, গেজেট নম্বর ৬৪৫; মোছা রুমি, গেজেট নম্বর ৩৪৩১; মো. রিয়াজ শরীফ, গেজেট নম্বর ১৩৮২।
চট্টগ্রাম বিভাগ ভুয়া জুলাই-যোদ্ধা ৩৫জন তারা হলেন, চট্টগ্রাম জেলার মো. শাগর, গেজেট নম্বর ৩২৮; আবদুল্লাহ আল নোমান গেজেট নম্বর ৪৬৯; নাইম উদ্দীন শাঈদ, গেজেট নম্বর ৪৯২; মোহা. শরিফুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৫১৫; শাহাদাত ইকবাজ তাহনি, গেজেট নম্বর ৫২১; তাহমিনা ইকরার তারকি, গেজেট নম্বর ৫২২; মাহাবী তাজওয়ার, গেজেট নম্বর ৫৩৪; জসিম উদ্দিন, গেজেট নম্বর ৫৪২; মো. আতিকুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৫৫২; মো. ইয়াছিন, গেজেট নম্বর ৫৬০; আরফাতুল ইসলাম, গেজেট নম্বর ৫৯৫; ফরহাদ আলম, গেজেট নম্বর ৬০১; মোদাসাদ সাহাদ কবির এমরান, গেজেট নম্বর ৬০৩; মুনজামিরুল হক চৌধুরী মামুর, গেজেট নম্বর ৬১৬; পঠন চন্দ্র নাথ, গেজেট নম্বর ৬২২; মিশকাত-আলম রিয়াদ, গেজেট নম্বর ৬৭৫; মো. এমরান, গেজেট নম্বর ৭৯৭; মাহাম্মদ সাগর, গেজেট নম্বর ৭৬৮; নুরুল্লাহ, গেজেট নম্বর ৭৮৯; সোহাম্মদ রাফি, গেজেট নম্বর ৭৯৯; ফয়সাল মোহাম্মদ শিয়াস, গেজেট নম্বর ৮০২; মোছা. ইছনিয়া আকতার, গেজেট নম্বর ৮২৪; মো. মাঈনুদ্দীন, গেজেট নম্বর ৮২৫; সাইমন, গেজেট নম্বর ৯৭৩; মো. আরিফ, গেজেট নম্বর ১৯৭৬; রাসেল, গেজেট নম্বর ১৯৮৬; রমজান আলী, গেজেট নম্বর ৯৮৭; মাহিম চৌধুরী, গেজেট নম্বর ৯৯৯; রিফাত বিন আল, গেজেট নম্বর ১৯৯৯।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়ে অনেকেই জুলাই যোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছে, এমন অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। এরপর ভুয়া প্রমাণিত হলে জুলাই-যোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ নেওয়া কথা বলেছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক)।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তথ্যমতে, ক শ্রেণিতে অতি গুরুতর আহত ৬০২ জন, খ শ্রেণিতে গুরুতর আহত ১১১৮ জন, গ শ্রেণিতে আহত ১২০৮০ জন। নিহত ৮৪৪ জন। যার মধ্যে ৮ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। মোট ১৪ হাজার ৬৩৬ জনের নামে গেজেট করা প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (জুলাই গণ অভ্যুত্থান অধিদপ্তর) মোহাম্মদ ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, যাদের নামে অভিযোগ ছিল সেসব বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের গেজেট বাতিল করা হবে এবং গেজেট বাতিল করার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গেজেট বাতিলের কাজ চলমান আছে।
জুলাই-যোদ্ধা না হয়েও যারা এককালীন অর্থসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগে গেজেট বাতিল করি, তারপর সবই পাওয়া যাবে।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।