খুঁজুন
                               
, ,

অধ্যাদেশ সংশোধনের খসড়া

রাজস্ব আহরণে অভিজ্ঞরা নিয়োগে প্রাধান্য পাবেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
রাজস্ব আহরণে অভিজ্ঞরা নিয়োগে প্রাধান্য পাবেন

এনবিআর ভাগ করে রাজস্বনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে আলাদা যে দুটি বিভাগ হচ্ছে, সেখানে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজস্ব আহরণে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা প্রাধান্য পেতে যাচ্ছেন। দুই বিভাগেই রাজস্ব আদায় কাজে অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। রাজস্বনীতি ও ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ সংশোধনের খসড়ায় এমন প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।
গত মে মাসে জারি করা অধ্যাদেশ এনবিআর কর্মীদের আন্দোলনের মুখে স্থগিত করে সরকার। আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল– পদায়নের ক্ষেত্রে রাজস্ব কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে অধ্যাদেশ সংশোধনে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটির সংশোধন প্রস্তাব আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত হচ্ছে।
মূল অধ্যাদেশে বলা হয়েছিল, রাজস্বনীতি  বিভাগে সচিব পদে সরকার উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন যে কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারবে।
সংশোধিত অধ্যাদেশের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সামষ্টিক অর্থনীতি, বাণিজ্যনীতি, রাজস্বনীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বা  রাজস্ব ব্যবস্থাপনা কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। অন্যদিকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বা আদায় বিভাগের সচিব পদে রাজস্ব আহরণ কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সংশোধিত অধ্যাদেশে  বলা হয়েছে,

শুধু রাজস্ব সংগ্রহে অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তি এ পদে নিয়োগ পাবেন। 
১১টি ধারায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন-বিয়োজন করে সংশোধিত অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী সচিব পদ বাদে দুই বিভাগের অন্যান্য পদে রাজস্ব আহরণের অভিজ্ঞদের নিয়োগের পরিধি মূল অধ্যাদেশের তুলনায় বেড়েছে। রাজস্বনীতি বিভাগে নীতিসংক্রান্ত কাজে রাজস্ব আহরণে অভিজ্ঞরা নিয়োগ পাবেন। মূল অধ্যাদেশে এখানে সরকারের অন্য বিভাগ থেকে পদায়নের সুযোগ ছিল। তবে রাজস্বনীতি বিভাগের অন্যান্য অনুবিভাগে জনপ্রশাসন, হিসাব-নিরীক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন কাজে অভিজ্ঞরা নিয়োগ পাবেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামের দুটি বিভাগ করে গত ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। অধ্যাদেশ অনুযায়ী রাজস্বনীতি প্রণয়ন করবে একটি বিভাগ এবং আদায় করবে আরেক বিভাগ। অধ্যাদেশ জারির পর এনবিআর কর্মকর্তাদের মধ্যে  আশঙ্কা তৈরি হয়, তাদের বদলে প্রশাসন ক্যাডার থেকে আসা কর্মকর্তারা নিয়োগে প্রাধান্য পাবেন। এ আশঙ্কা থেকেই ‘কমপ্লিট শাটডাউন’সহ নানা কর্মসূচি পালন করেন তারা। দীর্ঘ সময়ের এই আন্দোলনে প্রায় অচল হয়ে পড়ে রাজস্ব খাত। সাধারণ মানুষ ও করদাতারা এ সংস্থার সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। সরকারের শীর্ষ মহল থেকে অধ্যাদেশ সংশোধন এবং তাদের আন্দোলন বন্ধের অনুরোধ করলেও তারা শোনেননি। অবশেষে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় এনবিআরের আন্দোলন শেষ হয়। এক পর্যায়ে সবাই কাজে ফিরে যেতে বাধ্য হন। তবে আন্দোলনের জেরে এনবিআরের বেশ কিছু কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অনেক কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।
অধ্যাদেশ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলে তা সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকে আহ্বায়ক করে গত ৩০ জুন পাঁচ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী  অধ্যাদেশ সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান গতকাল  সমকালকে বলেন, ক্যাডারে ক্যাডারে যাতে বিরোধ না থাকে, সংশোধিত অধ্যাদেশের প্রস্তাবে তা বিবেচনা করা হয়েছে। রাজস্বনীতি বিভাগে সচিব পদ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এখানে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার এবং একই সঙ্গে কর, শুল্ক ও আবগারি ক্যাডারের কর্মকর্তারা সচিব হতে পারবেন। রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব পদে রাজস্ব আহরণসংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দেওয়া হবে।
খসড়ায় যেসব গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের প্রস্তাব
সরকার উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে রাজস্বনীতি বিভাগের সচিব পদে নিয়োগ করবেন বলে বিদ্যমান অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়। বিদ্যমান অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজস্বনীতি বিভাগের বিভিন্ন পদে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, কাস্টমস, অর্থনীতি, ব্যবসা প্রশাসন, গবেষণা ও পরিসংখ্যান, প্রশাসন, নিরীক্ষা ও হিসাব এবং আইনসংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে পূরণযোগ্য হবে। তবে এ-সংক্রান্ত উপধারা সংশোধন করে রাজস্বনীতি বিভাগের আয়কর নীতি, দ্বৈতকর পরিহার চুক্তি, আন্তর্জাতিক চুক্তি ও মতামত শুল্কনীতি, মূল্য সংযোজন করনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কাস্টমস-সংক্রান্ত চুক্তি অনুবিভাগের বিভিন্ন পদে রাজস্ব আহরণ-সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
একই সঙ্গে রাজস্বনীতি বিভাগের অন্যান্য অনুবিভাগের পদে জনপ্রশাসন, অর্থনীতি, বাণিজ্যনীতি গবেষণা ও পরিসংখ্যান, হিসাব ও নিরীক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ এবং আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তা বা ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।
রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়কর, মূল্য সংযোজন কর এবং কাস্টমস আইন বাস্তবায়ন এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা-সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের বিভিন্ন পদে শুল্ক ও আবগারি এবং কর ক্যাডারে কর্মরত জনবলের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়। সংশোধিত অধ্যাদেশের খসড়ায় এ-সংক্রান্ত উপধারা সংশোধন করে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, কাস্টমস আইন বাস্তবায়ন এবং মাঠ পর্যায়ের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা-সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের বিভিন্ন পদে রাজস্ব আহরণ-সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রশাসনিক অনুবিভাগের বিভিন্ন পদ প্রশাসন, কর এবং শুল্ক ও আবগারি ক্যাডার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মচারীদের মধ্য থেকে পূরণ করার বিধান রয়েছে। এ-সংক্রান্ত উপধারা সংশোধন করে এসব পদে রাজস্ব আহরণ ও জনপ্রশাসন-সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্নদের মধ্যে থেকে পূরণ করার প্রস্তাব করা হয়।
অধ্যাদেশের নবম ধারায় বলা হয়েছে, রাজস্ব বিভাগ ও  রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিদ্যমান জনবল রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে ন্যস্ত হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় জনবল রাজস্বনীতি বিভাগে পদায়ন করা যাবে। সংশোধন প্রস্তাবে এনবিআরের জনবল রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে ন্যস্ত হওয়ার বিষয়টি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আর এখান থেকে প্রয়োজনীয় জনবল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে রাজস্বনীতি বিভাগে পদায়ন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
পর্যালোচনা হবে সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ 
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আজ সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা হবে। কোন কমিশনের কতটি সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়েছে, সেই চিত্র তুলে ধরা হবে। আশু বাস্তবায়নযোগ্য ৩৬৭টি সুপারিশের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩৭টি সুপারিশ এরই মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোখলেস উর রহমান সমকালকে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। এজন্য এখন থেকে উপদেষ্টা পরিষদের প্রতিটি বৈঠকে কমিশনগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি বিষয়ে ১ নম্বর এজেন্ডা থাকছে।
রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার মোট ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। সংবিধান সংস্কার কমিশন ছাড়া বাকি ১০টি কমিশনের মোট ৩৬৭টি সুপারিশ আশু বাস্তবায়নযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।