খুঁজুন
                               
, ,

টানা ১০ দিনের ছুটি শেষ, আজ খুলছে সরকারি অফিস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
টানা ১০ দিনের ছুটি শেষ, আজ খুলছে সরকারি অফিস

ঈদের টানা ১০ দিনের ছুটির শেষ দিন গতকাল শনিবার। আজ রবিবার থেকে খুলছে সরকারি ও বেসরকারি অফিস । ফলে ছুটির শেষ দিনে ঢাকামুখী মানুষের ঢল নেমেছে কমলাপুর রেলস্টেশনসহ বাস টার্মিনালে। এমনই প্রেক্ষাপটে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শুক্রবার রাতে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলোতে হাজারও যাত্রী ঢাকায় প্রবেশ করেছেন। ট্রেনগুলো যখন ঢাকার রেলওয়ে স্টেশনে থামে, তখন দেখে মনে হয় জনসমুদ্র বহন করে আনছে ট্রেনগুলো। প্রত্যেকেই পরিবারের মায়া, ঈদের আনন্দ আর গ্রামের স্মৃতি বুকে নিয়ে ফিরছেন ঢাকায়। হাতে লাগেজ, চোখে ক্লান্তি, তবুও সামনে এগিয়ে চলার তাড়া যেন সবাইকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। পরিবার ফেলে ফিরে আসার বেদনা সবার চোখেমুখে স্পষ্ট। তবে জীবিকার তাগিদে আবার ছুটে চলা ছাড়া উপায় নেই। এ দিকে শহর আবারও ফিরে পাচ্ছে তার চেনা গতি, কর্মচাঞ্চল্য আর ব্যস্ততা।

ট্রেন: গতকাল শনিবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসে থামে আন্তঃনগর ‘একতা এক্সপ্রেস।’ ট্রেনটি শুক্রবার ৯টা ১০ মিনিটের দিকে দেশের সর্ব উত্তরের স্থান পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মের থামার সময় দেখা যায়, ট্রেনের ইঞ্জিনের দুই পাশের রেলিং ধরেও বসে আছে মানুষ। যাত্রী আছে ট্রেনের ছাদেও।

এদিকে শুক্রবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছিল, বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেনটি যখন থামে তখন প্রচুর বিনা টিকিটের মানুষ ট্রেনে উঠেছিল। অতিরিক্ত এসব মানুষের চাপে আসনধারী যাত্রীরা ঠিকভাবে উঠতে পারেননি ট্রেনে বসতে পারেননি দীর্ঘ সময় নিজ আসনে।

স্টেশন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল থেকে যেসব ট্রেন ঢাকায় এসেছে প্রত্যেকটা ট্রেনেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী সংখ্যা ছিল। গতকাল দিনব্যাপী ঢাকায় আসা প্রত্যেকটা ট্রেনেই এমন ভিড় হতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।

বাস:  রাজধানীর গাবতলীসহ বিভিন্ন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে দেখা গেছে ফেরতযাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা যাত্রীরা বলছেন, পুরো সড়কে খুব বেশি না হলেও তাদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে যমুনা সেতুতে। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ফেরার পথে যানজট খুব বেশি না থাকলেও রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে যানবাহনের ধীরগতি রয়েছে। এসব রুটে ঢাকায় আসা যাত্রীরা বলছেন, টিকিটের জন্য তাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। গাবতলী বাস টার্মিনালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কর্মস্থলে ফিরতে আসা মানুষ বাস থেকে দল বেঁধে নামছেন। কিছু সময় পরপর বিভিন্ন জেলা থেকে বাস এসে পৌঁছাচ্ছে। অপর দিকে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদেও ছিল একই চিত্র। দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে, পশ্চিম অঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় প্রবেশ করছে গণপরিবহন। প্রতিটি বাসই যাত্রীতে পূর্ণ। ঢাকার প্রবেশমুখ যাত্রাবাড়ী বা সায়েদাবাদে বাস থেকে যাত্রীরা নেমে লোকাল পরিবহন, রিকশা, সিএনজিতে করে বাসায় ফিরছেন। সেজন্য রাজধানীর প্রবেশমুখ যাত্রাবাড়ী থেকে কাজলায় রয়েছে যানজট। তবে একটু সামনে এগিয়ে গিয়ে সায়েদাবাদ রোডে খুবই ধীর গতিতে পার হতে পারছে। তবে ঢাকায় নামার পর সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়ছেন গণপরিবহন পেতে। বাস কাউন্টারে নামার পর যাত্রীরা দেখছেন, রাজধানীতে চলাচল করা বাসের সংখ্যা খুবই কম। অনেক সময় বাস এলেও তা ছিল যাত্রীতে ঠাসা।

টানা ১০ দিনের ছুটি: গত ৭ জুন দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়। ঈদের ছুটি উপলক্ষে গত ৪ জুন ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস। দেশের সব গণমাধ্যমেও শেষ কর্মদিবস ছিল ঐ দিন। ৫ জুন থেকে শুরু হয় সংবাদকর্মীদের পাঁচ দিন আর সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ১০ দিনের ছুটি। সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের সব গণমাধ্যমের ঈদের ছুটি শেষ হয় ৯ জুন। আর সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি শেষ হচ্ছে ১৪ জুন।

৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ: হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদনে সাড়া মিলল না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ: হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদনে সাড়া মিলল না

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর পরিশোধ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ পেল না ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ কল্যাণ’। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব মামলাটি কার্যতালিকা (কজ লিস্ট) থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন। আদালত স্পষ্ট জানান, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পূর্বে হাইকোর্টের রায়ে আপাতত হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। ২০১৭ সালে এনবিআরের ১৪ নম্বর কর অঞ্চল এক পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১২ থেকে ২০১৭—এই পাঁচ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে মোট ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর দাবি করে।
কর দাবির বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণ রিট করলে আদালত প্রাথমিক রুল জারি করলেও, দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট খারিজ করে রায় দেন। ফলে কর পরিশোধের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেন গ্রামীণ কল্যাণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। শুনানিতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ আজাদ অংশ নেন। শুনানি শেষে আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত লিভ-টু-আপিল করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই তারা অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন। তবে চেম্বার আদালত লিখিত রায় না আসা পর্যন্ত কোনো আদেশ দিতে অস্বীকৃতি জানান।
চেম্বার আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধের চ্যালেঞ্জে বড় ধরনের ধাক্কা খেল গ্রামীণ কল্যাণ। এখন পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরই কেবল তারা পরবর্তী আপিল প্রক্রিয়ায় যেতে পারবে।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।