খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

মাও. রইছ উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে চাঁদপুরে ছাত্রসেনার বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ
মাও. রইছ উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে চাঁদপুরে ছাত্রসেনার বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

 ঢাকা গাজীপুর কাপাসিয়া এলাকার মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগরের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা রইছ উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে চাঁদপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার আয়োজনে  মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল ২০২৫) বিকেলে শহরের বায়তুল আমিন মসজিদ চত্বরে (শপথ চত্বর) এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী যুবসেনা ও ইসলামী ছাত্রসেনার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চাঁদপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হজরতুল আল্লামা বজলুল হক নকশবন্দী মোজাদ্দেদী আল-আজহারী, জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা মাওলানা খাজা মোহাম্মদ জোবায়ের,  বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আল-আমিন আজহারী, মাওলানা মাহফুজ উল্লাহ ইউসুফী, ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সভাপতি অ্যাড. শেখ ফরিদ মজুমদার, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চাঁদপুর জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা মাওলানা বাদরুদ্দোজা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলার সভাপতি মোহাম্মদ কামরুল হাসান বাবু প্রমুখ। পরিচালনা করেন ছাত্রসেনার জেলা সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন জাহিদ।
বক্তারা বলেন, দেশটা যেনো একটা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। মগের মুল্লুকে বাস করছি আমরা। যে যখন যাকে ইচ্ছা তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলছে। মাওলানা রইছ উদ্দিন একজন মসজিদের ইমাম এবং খতিব। তিনি ২৬ এপ্রিল ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের পক্ষে সংহতি সমাবেশে অংশগ্রহণ শেষে নিজ মসজিদ এলাকায় আসলে কিছু দুর্বৃত্ত তাঁকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বেধড়ক পিটায়। তাঁকে রক্ষাক্ত জখম করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আর পুলিশ রক্তাক্ত মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে না নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসে। থানা পুলিশের হেফাজতে থাকাবস্থায় বিনা চিকিৎসায় মাওলানা রইছ উদ্দিন মারা যান। তাই সংশ্লিষ্ট পুবাইল থানার ওসি কোনোভাবেই এই হত্যার দায় এড়াতে পারে না। মাওলানা রইছ উদ্দিন যদি দোষীও হয়ে থাকে তাহলেও পুলিশের দায়িত্ব ছিলো তাকে আগে চিকিৎসা করানো। কিন্তু পুলিশ সেটা করেনি। সে জন্যে আমরা মনে করি এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পুবাইল থানার ওসিসহ পুলিশের হাত রয়েছে। তাই আমাদের সুস্পষ্ট দাবি হচ্ছে,  অনতিবিলম্বে গাজীপুরের পুবাইল থানার ওসিকে বরখাস্ত করে তাকে গ্রেফতার করা হোক। একই সাথে যেসব দুর্বৃত্ত মাওলানা রইছ উদ্দিনকে পিটিয়ে মেরেছে তাদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হোক। বক্তারা একজন আলেমে দ্বীনকে মব সৃষ্টির মাধ্যমে হত্যা করা হলেও সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি না আসায় হতাশা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমন আচরণে সরকারকে ধিক্কার জানানো হয় বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে।
সমাবেশ শেষে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহর ঘুরে অঙ্গীকারের সামনে গিয়ে মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।