খুঁজুন
                               
, ,

অধ্যক্ষ মাওলানা আবু জাফর মাঈনুদ্দিনের ইন্তেকাল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
অধ্যক্ষ মাওলানা আবু জাফর মাঈনুদ্দিনের ইন্তেকাল

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সদর উপজেলার রামপুর আদর্শ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব আবু জাফর মো. মাঈনুদ্দিন (৫৬) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (২০ জানুয়ারি ২০২৫) দুপুর দেড়টার দিকে তিনি চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি ২০২৫) সকাল ৯টায় তাঁর নিজ বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নস্থ রামপুর গ্রামের পীর বাড়ির সামনে রামপুর মাদ্রাসা মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। এর আগে সোমবার বাদ এশা চাঁদপুর শহরের বাহের খলিশাডুলী কাদেরিয়া চিশতিয়া তাহেরিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত, ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, যুবসেনা, গাউছিয়া কমিটিসহ বিভিন্ন তরিকরপন্থী সংগঠন এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার অসংখ্য ওলামায়ে কেরাম ও সিলিসিলায়ে কাদেরিয়া আলিয়া সিরিকোট দরবার শরীফের অসংখ্য মুরিদ অংশ নেন। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান জননেতা মাওলানা এমএ মতিন, মহাসচিব সউম আবদুস সামাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. আবু নাছের তালুকদার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব অ্যাড. ইসলাম উদ্দিন দুলাল, প্রচার সচিব মাস্টার আবুল হোসেন, প্রকাশনা সচিব, সৈয়দ আবু আজমসহ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় অনেক নেতা এবং জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, জেলা গাউছিয়া কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শাহজামাল তালুকদার, যুবসেনার জেলা সভাপতি অধ্যাপক বজলুর রশিদ সোহেল, সাধারণ সম্পাদক নবাব খান, ছাত্রসেনার জেলা সভাপতি কামরুল হাসান বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ শাহাদাত হোসেন জাহিদসহ অসংখ্য ওলামায়ে কেরাম জানাজায় অংশ নেন। জানা যায়, অধ্যক্ষ আবু জাফর মো. মাঈনুদ্দিন সোমবার দুপুরে নিজ মাদ্রাসায় কর্মস্থলে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। ব্যথা বাড়তে থাকায় তাঁকে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা নেয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকা নেয়ার প্রস্তুতিকালেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, গুণগ্রাহী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং আত্মীয় স্বজন রেখে যান। তাঁর মৃত্যুতে রামপুর ইউনিয়ন এবং সুন্নী অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। সুন্নী অঙ্গনে শোকের ছায়া চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট।। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের মতাদর্শী একক ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর জেলায় যাঁর হাত দিয়ে পথচলা শুরু হয়, ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু জাফর মো. মাঈনুদ্দিন। দীর্ঘ সময় তিনি চাঁদপুর জেলায় সুন্নীয়তের পতাকাবাহী এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন। কুমিল্লা জেলায়ও ছাত্রসেনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন আবু জাফর মো. মাঈনুদ্দিন। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চাঁদপুর জেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সর্বশেষ কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন তিনি। পাশাপাশি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চাঁদপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ইন্তেকালের আগ পর্যন্ত তিনি ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের জেলা সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি দেশখ্যাত তরিকত ভিত্তিক সংগঠন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আবু জাফর মো. মাঈনুদ্দিন ১৯৯২ সালে রামপুর দাখিল মাদ্রাসায় সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে যোগদান করেন। তাঁর নেতৃত্বে মাদ্রাসাটি আলিমে উন্নীত হয়। মাদ্রাসাটি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে একাধিকবার সদর উপজেলায় এবং জেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়। দীর্ঘ ৩২ বছর তিনি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেদমত করে গেছেন। সুন্নীয়তের অতন্দ্র প্রহরী এবং অকুতোভয় সৈনিক ছিলেন অধ্যক্ষ আবু জাফর মো. মাঈনুদ্দিন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী এই মানুষটির মৃত্যুর খবরে সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর ছাত্র এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত, ইসলামী ফ্রন্ট, ছাত্রসেনা, যুবসেনা, গাউছিয়া কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁর মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে ছুটে আসেন। অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। অসংখ্য ওলামায়ে কেরাম তাঁর জানাজায় অংশ নেন।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।