খুঁজুন
                               
, ,

কোন অবস্থাতেই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেয়া হবে না : জেলা প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
কোন অবস্থাতেই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেয়া হবে না : জেলা প্রশাসক

প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়নে লক্ষ্যে মতলব উত্তরে চরাঞ্চলবাসীর সাথে মতবিনিময় করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন ৷ সোমবার (২০ জানুয়ারি ২০২৫) সকালে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা (ইকোনমিক জোন) পরিদর্শন শেষে চরওয়েস্টার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে চরাঞ্চলবাসীর সাথে মতবিনিময়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেন, ইকোনমিক জোন দেশের পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার এ ধরনের অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার আশা করছে, অর্থনৈতিক অঞ্চলটি স্থাপন হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। এতে এই এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে। ফলে মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বাড়বে এবং আপনাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে ৷
তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিক জোন বাস্তবায়ন হলে বালু সন্ত্রাসীসহ কোন সন্ত্রাসী থাকবে না আপনারা থাকবেন নিরাপদে এবং এখানে স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদসহ আরো অনেক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে যার সুফল আপনারা ভোগ করবেন ৷ অবৈধভাবে বালু উত্তলোনের ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন আরো বলেন, অবৈধভাবে নদীতে কাউকে বালু উত্তোলন করতে দেয়া হবে না। সে যেই হোক আগে দিনে ও রাতে বালু উত্তোলনন করা হতো দিনে বালু উত্তোলন বন্ধ করা হয়েছে। এখন রাতেও বালু উত্তোলন বন্ধ করা হবে। কোন অবস্থাতেই নদীতে অবৈধভাবে কাউকে বালু উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না আপনারা নিশ্চিত থাকেন ৷
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি মতলব উত্তর উপজেলা ভূমি অফিসের মাধ্যমে ১ লাখ ১ হাজার ১শ’ ১ টাকায় ভূমির প্রতীকী মূল্য নির্ধারণ করে তিন হাজার ৩৭ একর জমি রেজিস্ট্রি করা হয়। রেজিস্ট্রিকৃত ওইসব জমির দলিল বেজাকে হস্তান্তর করা হয় ৷

মতলব উত্তর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জেলা বিএনপির সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক রোটা. অ্যাড. শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সেলিমুস সালাম, মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান, এখলাছপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী, কৃষক ও চরাঞ্চলবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন রূপ নারায়ণ সরকার, বজলুর রশিদ দেওয়ান, সাবেক ইউপি সদস্য মিন্নত আলী বেপারী, কৃষক নজরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান, শিপন বেপারী, শাহজাহান কবির বাদল, নিজাম উদ্দিনসহ আরো অনেকে ৷
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা, মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল হক,  মোহনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপসহকারী দীপক বাবু, আমিরাবাদ ভূমি অফিসের ভূমি উপসহকারী তানজিম হোসেন, বিএনপি নেতা মিলন মুন্সিসহ চরাঞ্চলের কয়েকশ কৃষক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ৷

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।