খুঁজুন
                               
, ,

সমাজসেবা ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়ায় রোটারীর ভূমিকা অপরিসীম : ইশতিয়াক এ জামান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
সমাজসেবা ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়ায় রোটারীর ভূমিকা অপরিসীম : ইশতিয়াক এ জামান

বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাবের ৩৫তম অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে । শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় (১৮ জানুয়ারি ২০২৫) চাঁদপুর ক্লাবের মুক্তমঞ্চে ২০২৪-২০২৫ সালের ক্লাব কমিটির এই অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন রোটারী বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পিডিজি ইশতিয়াক এ জামান, পিএইচডি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রোটারী বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পিডিজি ইশতিয়াক এ জামান, পিএইচডি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজ চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাব অনেকগুলো ভালো কাজ করেছে। রোটারিয়ানরা সবসময় সমাজের জন্যে ভালো কাজ করে। বিশ্বে পোলিও নির্মূল করাসহ অনেক কাজ রোটারীর মাধ্যমে হয়েছে। আমার দেখা মতে চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাবের এই অভিষেক অনুষ্ঠানটি হলো সেরা একটি অনুষ্ঠান। যা উদাহরণ দেয়ার মতো। চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাব সুক্ষ্মভাবে সমাজ থেকে মেধাবী লোক খুঁজে খুঁজে তাদের স্ব স্ব পেশায় সমাজে অবদান রাখার জন্য যে সম্মাননা দিয়েছে সত্যি রীতিমত অভিভূত হয়েছি। আমার বাবা একজন রোটারিয়ান ছিলেন। আমি রোটারীতে দ্বিতীয় প্রজন্ম। চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের যেমন ৩৫তম বছর, আমারও রোটারীর ৩৫ বছর। আমি ঢাকা রোটারী ক্লাবের সদস্য।

তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টের বিপ্লবের পর রোটারিতে ব্যাপক পরিবর্তন ও সংস্কার হচ্ছে। আমরা রোটারীর মাধ্যমে রোটারী ইন্টারন্যাশনালে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবো। কারন আমাদের দেশে যারা রোটারী করে তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯.৯৯% হলো ভালো মানুষ। আমার টার্গেট হলো পরবর্তী রোটারী ইন্টারন্যাশনাল মিটিংয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে যাতে ভালো ধারনােউপস্থাপন করা। ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে উঠা রোটারী হলো বিশ্বব্যাপী সেবামূলক সংগঠন। উচ্চস্তরের মানদণ্ড, সমাজসেবা ও আন্তর্জাতিক বোঝা পড়ায় এ সংগঠনের ভূমিকা অপরিসীম। শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস ১৯০৫ সালে এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন যা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানরূপে স্বীকৃত। প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি, ব্যবসায় ও পেশাদারী পর্যায়ে উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং বিশ্বব্যাপী ফেলোশীপ প্রদানের মহান ব্রত নিয়ে আদর্শ সেবা প্রদানকল্পে এ সংগঠনটি গঠিত হয়। রোটারী গঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য আমি সবাইকে নিয়ে এক সাথে কাজ করতে চাই। যখন যে খানে মিটিং এর আয়োজন করা হয় অবশ্যই আপনারা আসবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম। আরো উপস্থিত ছিলেন রোটাঃ অ্যাড. ইকবাল বিন বাশার, চাঁদপুর চেম্বার অব কর্মাস এর সিনিয়র সহ-সভাপতি রোটা. পিপি সুভাস চন্দ্র রায়, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোটা. পিপি তমাল কুমার ঘোষ, জোনাল কো-অর্ডিনেটর রোটা. অধ্যাপক জাকির হোসেন, রোটা. নূরুল আমিন খান আকাশ, রোটা. শাহেদুল হক মোর্শেদ, চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সাবেক সভাপতি রোটা. মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটা. নাসির উদ্দিন খান, সভাপতি রোটা. নজরুল ইসলাম, প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটা. মো. মোস্তফা, সহ-সভাপতি রোটা. উজ্জ্বল হোসাইন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ২০২৩-২৪ রোটা বর্ষের প্রেসিডেন্ট রোটাঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন দৈনিক প্রভাতী কাগজের প্রকাশক ও সম্পাদক রোটা. আবদুল আউয়াল রুবেল পিএইচএফ, গীতা পাঠ করেন রোটা. জয়ন্তী ভৌমিক। এরপর জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অভিষেক অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ছিলেন রোটা. পিপি শেখ মনির হোসেন বাবুল আরএফএসএম। রোটারী প্রত্যয় পাঠ করেন রোটাঃ ডাঃ পীযুষ সাহা।

রোটারী ২০২৩-২৪ রোটা বর্ষের কার্যবিবরনী তুলে ধরেন ক্লাব সেক্রেটারী রোটা. রেশেদা আক্তার। ২০২৩-২৪ রোটা বর্ষের প্রেসিডেন্ট রোটা. ইমরান হোসেন, ২০২৪-২৫ রোটা বর্ষের প্রেসিডেন্ট রোটা. ডা. ইফতেখারুল আলম ও সেক্রেটারী রোটা. আবু ইউসুফ তালুকদার মানিকেরর কলার হস্তান্তর করেন। নবাগত প্রেসিডেন্ট রোটাঃ ডাঃ ইফতেখারুল আলম ক্লাব সদস্যদের পরিচয় তুলে ধরেন।

চলতি রোটা বর্ষে ক্লাব সদস্যরা তাদের স্ব স্ব পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য ৮ জন সদস্যকে প্রধান অতিথির হাত থেকে সম্মাননা ক্রেষ্ট দেয়া হয়। এছাড়াও সমাজের বিভিন্ন পেশায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ৮ জন পেশাজীবীকেও সম্মাননা দেওয়া হয়। ৫ জন নতুন সদস্যকে চাঁদপুর সেন্ট্রাল বোটারী ক্লাবের মেম্বার করে প্রধান অতিথি পিন পরিয়ে দেন। এরা হলেন : চাঁদপুর জেলা জজ কোর্টের পিপি কোহিনুর বেগম, ফকরুল ইসলাম, ব্যবসায়ীএমএ লতিফ, অ্যাড. মিল্টন, ব্যবসায়ী এম সফিউল্লা।  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ১০ জন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদেরও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। সকল আমন্ত্রিত অতিথি ও ক্লাব সদস্যরা নৈশভোজ করে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।