খুঁজুন
                               
, ,

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুততম ফিফটির পর ম্যাকগার্কের সেঞ্চুরি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুততম ফিফটির পর ম্যাকগার্কের সেঞ্চুরি

লিস্ট ‘এ’ বা আন্তর্জাতিক ওয়ানডের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটা এখনও জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের দখলে। অস্ট্রেলিয়ান এই ব্যাটার এবার নিজ দেশে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি করলেন স্রেফ ১৪ বলে। যদিও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটি সবমিলিয়ে চতুর্থ দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড। ম্যাকগার্কের সেই ইনিংস ৬৩ বলে ১০ চার ও ৯ ছক্কায় ১২২ রানে থেমেছে।
অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগ ওয়ানডে কাপের ম্যাচে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওই ইনিংস খেলেছেন ২৪ বছর বয়সী এই বিধ্বংসী ব্যাটার। অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ম্যাকগার্ক ১২২ এবং নাথান ম্যাকসুইনি ১০৬ ও জ্যাক লেহম্যানে ৫৮ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৯৭ রান তোলে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া। তাদের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ২৭১ রানে অলআউট হওয়ায় কুইন্সল্যান্ড ১২৬ রানে হেরেছে।
আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ম্যাচের সুর বেঁধে দেন। যা তাকে দ্রুততম ‘লিস্ট এ’ সেঞ্চুরির নিজের বিশ্বরেকর্ডটি ভাঙার পথেও এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে টম স্ট্রাকারের বলে তিনি ২২ রান এবং চতুর্থ ওভারে টম হুইটনির বলে ১৬ রান নিয়েছেন। ষষ্ঠ ওভারেও তার এই তাণ্ডব অব্যাহত থাকে; তিনি হেইডেন কারের বলে একটি ছক্কা ও একটি চার হাঁকিয়ে মাত্র ১৪ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। এটি তার ২০২৩ সালে গড়া আগের ১৮ বলের রেকর্ডটির চেয়ে আরও দ্রুততম।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে অবশ্য দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড বৈভব সূর্যবংশীর দখলে আছে। ৫০ ওভারের ম্যাচে তার হাফসেঞ্চুরি হয়েছিল স্রেফ ১১ বলে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে দ্রুততম ‘লিস্ট এ’ অর্ধশতকের তালিকায় যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। আরও একবার ২৯ বলে সেঞ্চুরি করার সুযোগ তার হাতের নাগালেই ছিল। পরের আট বলে চারটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ২২ থেকে ৭৫ রানে পৌঁছে যান। কিন্তু কুইন্সল্যান্ডের অধিনায়ক ও চারটি টেস্ট খেলা স্পিনার মিচেল সোয়েপসন নবম ওভারে ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের বিপক্ষে পাঁচটি বল করে মাত্র এক রান দেন, যা তার দ্রুততম সেঞ্চুরির আশাকে নিভিয়ে দেয়।
সোয়েপসনের দ্রুতগতির লেগ-ব্রেক ডেলিভারিকে ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ঠিকঠাক সামলাতে পারছিলেন না। একটি বল ঠিকঠাক খেলতে না পেরে মিড-অনের কিছুটা সামনেই তুলে দেন, আর অন্য একটি বল লেগ সাইডের দিকে চলে যাওয়ার সময় এলবিডব্লিউ হওয়ার হাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বল লেগেছে ম্যাকগার্কের সেঞ্চুরি পেতে।

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু সামরিক সক্ষমতাই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ শৃঙ্খলা পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’ এর আগে, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। এরপরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।

দুই বছর পর স্বস্তি, টাকা পাচ্ছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
দুই বছর পর স্বস্তি, টাকা পাচ্ছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

দীর্ঘ দুই বছরের অনিশ্চয়তা আর ভোগান্তির পর স্বস্তি ফিরছে ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে। আজ থেকে আবারও স্বাভাবিকভাবে টাকা তুলতে পারছেন গ্রাহকরা। নেই আগের মতো নির্দিষ্ট অঙ্কের সীমাবদ্ধতা। দীর্ঘদিন নিজের জমানো টাকা তুলতে না পারার পর অর্থ হাতে পেয়ে খুশি গ্রাহকরা। ব্যাংক কর্মকর্তারাও বলছেন, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। এখন প্রত্যাশা, ঘুরে দাঁড়াবে ন্যাশনাল ব্যাংক।
নিজের জমানো টাকা হাতে পাওয়ার স্বস্তি যেন গ্রাহকদের চোখেমুখে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা আর নানা দুশ্চিন্তার পর আবারও প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা তুলতে পারছেন তারা। কারও টাকা লাগবে সংসারের খরচে, কারও ব্যবসায়, আবার কারও জরুরি প্রয়োজনে। এত দিন এসব চাহিদা পূরণে ছিল নানা সীমাবদ্ধতা। এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তনে স্বস্তি ফিরেছে গ্রাহকদের মধ্যে।
অনেকগুলো গ্রাহকের সাথে কথা বলেছে ঢাকা জার্নাল। তারা জানিয়েছে, ‘অনেক দিন পর নিজের টাকা তুলতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আগে টাকা তুলতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হতো। এখন টাকা তুলতে পারছি, এতে আমরা খুবই খুশি’।
গ্রাহকদের আস্থা ফেরানোই এখন ন্যাশনাল ব্যাংকের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ব্যাংকিং ব্যবস্থার মূল ভিত্তি গ্রাহকের বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ এবং সেবার মান উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের বাংলামোটর শাখার ম্যানেজার মোহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন ঢাকা জার্নালকে বলেন, ‘গ্রাহকদের টাকা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা চাই, গ্রাহকরা আবারও স্বাভাবিকভাবে ব্যাংকিং সেবা নিন এবং আমাদের ওপর আস্থা রাখুন’।
তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে শুধু টাকা উত্তোলনের সুযোগ চালু রাখাই যথেষ্ট নয়। নিয়মিত ব্যাংকিং সেবা, আমানতের নিরাপত্তা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছ যোগাযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি। গ্রাহকদের আস্থা ফিরে এলে তা ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে।
দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিজের জমানো টাকা তুলতে পারছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা। এতে স্বস্তি ফিরলেও ব্যাংকটির সামনে এখন বড় দায়িত্ব, এই স্বাভাবিক লেনদেন ধরে রাখা এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, আবারও আগের অবস্থানে ফিরে আসবে ন্যাশনাল ব্যাংক। গ্রাহকের আস্থা আর স্বাভাবিক লেনদেনের ধারাবাহিকতাই পারে ন্যাশনাল ব্যাংককে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে এগিয়ে নিতে।

হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে একাধিক তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো জাহাজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করলে কঠোর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে বাহিনীটি।
এ ছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহায়তার ওপর নির্ভর করে জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলেও বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে পানির নিচে থাকা মাইনের আঘাতে একটি বড় তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার খবর প্রকাশিত হয়। এর পরদিন সৌদি আরবের সমুদ্রসীমার কাছাকাছি এলাকায় আরও অন্তত দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
পরপর এসব হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক পথে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই প্রণালিটি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিল আইআরজিসি। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যে এ নৌপথের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এর মধ্য দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তেলের দামেও ঊর্ধ্বগতির চাপ তৈরি হতে পারে। সূত্র:আল-জাজিরা, ইরনা