খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা: দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা: দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কতা

দেশের জাতীয় সংসদ ভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় উগ্রবাদী হামলার আশঙ্কা থেকে দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। একটি নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের নেতার সঙ্গে একটি বাহিনীর সাবেক দুই সদস্যের গোপন যোগাযোগের তথ্য পাওয়ার পর এই জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের সকল ইউনিটে এই সতর্কতামূলক চিঠি পাঠানো হয়। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ (যিনি সামী, আবু বক্কর ও আবু মোহাম্মদ নামেও পরিচিত)—এর সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের এই সমন্বয় দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।
সদর দপ্তরের চিঠিতে বেশ কিছু স্পর্শকাতর স্থাপনা ও জায়গার কথা উল্লেখ করা হয়েছে: জাতীয় সংসদ ভবন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা এবং বাহিনীর অস্ত্রাগার। ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদন কেন্দ্র এবং রাজধানীর শাহবাগ চত্বর। উগ্রবাদীরা এসব স্থানে বোমা বিস্ফোরণ, আগ্নেয়াস্ত্র অথবা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে নাশকতার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ের ইউনিটগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক গুণ জোরদার করা। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যামেরার সামনে কথা বলেননি, তবে সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। রাজধানীসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ইতিমধ্যে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন ও তল্লাশি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা এ বছর ডিসেম্বরেই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা এ বছর ডিসেম্বরেই

সেশনজট কমিয়ে শিক্ষাপঞ্জি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা এগিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন। নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে এই পরীক্ষা চলতি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী জানান, করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরীক্ষার সময়সূচি এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। সেই বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনতেই এই আগাম পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা চলতি বছরের (২০২৬) ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে চাই।”
এসএসসির পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বিষয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, একই উদ্দেশ্য নিয়ে ২০২৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষাও নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এগিয়ে আনা হবে। মূলত শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাপঞ্জির সঙ্গে সমন্বয় করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন সচিবালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘বদলি নীতিমালা’ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সেশনজট কমানোর পাশাপাশি শিক্ষক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই অভাবনীয় সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৭ সালের পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি চলতি বছরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। এতে সেশনজট কমবে বলে আশা করা হলেও, দ্রুত সিলেবাস শেষ করার ক্ষেত্রে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করাই ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’: আইআরজিসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করাই ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’: আইআরজিসি

বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’। টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আইআরজিসি টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা এবং এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও হোয়াইট হাউসের সমর্থকদের ওপর এর প্রতিরোধমূলক প্রভাবের ছায়া বজায় রাখাই ইরানের চূড়ান্ত কৌশল।’

সরকার সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ডেটাবেজ করছে : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
সরকার সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ডেটাবেজ করছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা নিশ্চিতকরণ ও ভুয়া সাংবাদিকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৬তম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রবাহ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধ এবং আধুনিক সম্প্রচার ব্যবস্থায় উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সুষ্ঠু বিকাশ, তথ্যের স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচার প্রতিরোধে তথ্য ও সম্প্রচারের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?
জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচার প্রতিরোধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) কর্তৃক এআই প্রশিক্ষণ, ন্যারেটিভ তৈরি, তথ্যের বিষয়ে নীতিসহায়তা ও মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতি মাসে ঢাকার বাইরে ৪টি এবং ঢাকায় ২টি কর্মশালা বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রতি মাসে ন্যূনতম একটি করে সাংবাদিক নেতাদের নিয়ে ঢাকায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ফ্যাক্ট চেকিং ও ভুয়া খবর নিয়ে বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা, মূলধারার সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনাসভা ও সেমিনার আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচাররোধে বর্তমান সরকারের সময়ে তথ্য অধিদপ্তর হতে ২২টি ফটোকার্ড ও গুজব প্রতিরোধবিষয়ক ১০টি তথ্যবিবরণী বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও নিউজ পোর্টালে প্রকাশের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর ১২ ধারা অনুযায়ী, কোনো সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থার সাংবাদিক, সম্পাদক কর্তৃক সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা ও জনরুচি পরিপন্থি সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। সে অনুযায়ী, প্রেস কাউন্সিলে দায়েরকৃত ৮টি অভিযোগ বিচারাধীন রয়েছে। সাংবাদিকদের অপসাংবাদিকতা পরিহার করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সম্প্রতি ঢাকাসহ দেশের ৩২টি জেলায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে গণমাধ্যমের অপসংবাদিকতা প্রতিরোধ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে। এছাড়া অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা নিশ্চিতকরণ ও ভুয়া সাংবাদিকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।