খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার

টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশের বাজারে কমেছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। শনিবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৭ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৪৩ টাকা। সোনার দামের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবারও বাজুস সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৩৯২ টাকা কমিয়েছিল। তখন প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা এবং প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ছিল ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৭ বার কমানো হয়েছে।

ইরানকে ‘সর্বোচ্চ পরাজয়ের’ সতর্কবার্তা সৌদির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ইরানকে ‘সর্বোচ্চ পরাজয়ের’ সতর্কবার্তা সৌদির

যদি আরব অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া অব্যাহত রাখে ইরান, তাহলে চলমান যুদ্ধে দেশটির সর্বোচ্চ পরাজয় ঘটবে। গতকাল রোববার তেহরানের উদ্দেশে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে সৌদি আরব। গত শনিবার সৌদির অন্যতম বৃহৎ তেলক্ষেত্র শায়েবাহ অয়েল ফিল্ডে ইরানি ড্রোন আঘাত হানার পরের দিন এক বিবৃতিতে ইরানকে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের প্রতিশ্রুতি ও কাজের মধ্যে ‘মিল নেই’ বলেও অভিযোগ করেছে রিয়াদ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কোনো বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই যুক্তিহীনভাবে আরব দেশগুলোকে লক্ষ্য করে নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করে বলছে যে বাস্তবে এই প্রতিশ্রুতির কোনো প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।” “ইরান যদি এমন নির্বিচার হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে চলমান যুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ পরাজয় ঘটবে এবং রিয়াদ ও তেহরানের বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পর্কের ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব পড়বে।” উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ইরানের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিলো সৌদি। সূত্র : এএফপি

নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা ইরানের

নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করেছে ইরান। তিনি সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় সন্তান। বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার রাত সোয়া ৩টার দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায় নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দেশটির ৮৮ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নিয়ে গঠিত অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট সুপ্রিম লিডার নির্বাচন করে। তারা সর্বশেষ ভোটাভুটিতে মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেঁছে নিয়েছেন।
অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট নতুন নেতার প্রতি সবাইকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় স্ত্রী, মেয়েসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওই সময় তার সঙ্গে আরও উচ্চপদস্থ অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারাও প্রাণ হারান। আলজাজিরা জানিয়েছে, মোজতবা কখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করেননি এবং কোনো নির্বাচনেও অংশ নেননি। কিন্তু তার বাবা সুপ্রিম লিডার থাকার সময় ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তার বেশ প্রভাব ছিল। তিনি ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তার বাবা বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাকে পরবর্তী সুপ্রিম লিডার হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা নিজে অবশ্য কখনো এ নিয়ে আলোচনা করেননি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুইদিন আগে জানান মোজতবা সুপ্রিম লিডার হলে তাদের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। ট্রাম্প একাধিক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ইরানের নেতা নির্বাচনে তাকে সরাসরি যুক্ত করতে হবে। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়ে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলেকেই নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করেছে ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর দেশটির প্রথম সুপ্রিম লিডার হন আয়াতুল্লাহ খোমেনি। এরপর তার মৃত্যুর পর এ দায়িত্ব পান আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। হামলায় নিহত হওয়ার পর তার ছেলে ইরানের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হয়েছেন। সূত্র: আলজাজিরা

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস