খুঁজুন
                               
, ,

উধাও সয়াবিন তেল, ক্রেতা-বিক্রেতা সংকটে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:০১ অপরাহ্ণ
উধাও সয়াবিন তেল, ক্রেতা-বিক্রেতা সংকটে

রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রী এলাকায় ১০টি দোকান ঘুরে ৭টিতেই পাওয়া যায়নি সয়াবিন তেল। তিনটিতে পাওয়া গেলেও সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে না। এমনকি বোতলজাত তেলের গায়ের মূল্য মুছে লিটারপ্রতি সয়াবিন তেল বিক্রি করা হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ ভোক্তারা। অনেকেই সয়াবিনের বিপরীতে সরিষার তেল নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একাধিক খুচরা বাজার ও পাড়া-মহল্লার মুদি দোকান ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজারে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী শরীফুল আলম জানান, শুরুতে তিনি একটি দোকানে এক লিটার সয়াবিন তেল নিতে চাইলে দোকানি বলেন— গত এক সপ্তাহ ধরে সয়াবিন তেলের কোনও সাপ্লাই নেই। তবে ৫ লিটারের কিছু বোতল আছে, যেগুলো থেকে চাইলে নিতে পারবেন। পরবর্তীতে আরও দুইটি দোকানেও তিনি সয়াবিন তেল কিনতে গিয়ে ব্যর্থ হন। অবশেষে সয়াবিনের বদলে সরিষার তেল কেনেন তিনি।

বনশ্রী এলাকায় গিয়ে শামীম আহমেদ নামে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয় প্রতিবেদকের, যিনি কয়েকটি দোকান ঘুরে অবশেষে ১৭৫ টাকার তেল ১৯০ টাকায় কিনে বাসায় ফিরছিলেন।

শরীফুল আলম এবং শামীম আহমেদের দেওয়া তথ্যে মঙ্গলবার সকালে রামপুরা এবং বনশ্রী এলাকার অন্তত ১০টি দোকান ঘুরে দেখা হয়, যেগুলোর ৭টিতেই সয়াবিন তেল পাওয়া যায়নি। এরপর বিকেলে আবারও বনশ্রী এলাকার সি ব্লকের ঐশী গ্রোসারি, সিকান্দার জেনারেল স্টোর এবং জিসান এন্টারপ্রাইজে গিয়ে একটি দোকানেও সয়াবিন তেল পাওয়া যায়নি। এরপর তিতাস রোড এলাকায় কয়েকটি দোকান ঘুরে দুইটি দোকানে বোতলজাত তেল পাওয়া যায়। তবে বোতলের গায়ের মূল্য মুছে লিটারপ্রতি ১৮০ থেকে সর্বোচ্চ ১৯০ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। এ ছাড়া খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১৯৫-২০০ টাকায়।

ক্ষোভ প্রকাশ করে শরীফুল আলম বলেন, সামনে রোজা আসছে তাই বাজারে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। ৩ থেকে ৪টা দোকান ঘুরে অবশেষে সরিষার তেল কিনেছি, সেটাও বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এখনও তো রোজার বেশ দেরি, এতো আগেই যদি বাজারের এই অবস্থা হয়, তাহলে তিন-চারদিন আগে তো বাজারে ঢুকাই যাবে না।

তিনি বলেন, দেশে নতুন সরকার এসেছে, তাদের প্রতি আমাদের অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তারা দৃশ্যমান কিছুই করতে পারেনি। এমনকি বাজার প্রসঙ্গে তাদের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় ব্যবসায়ীরা বেশি সুযোগ নিচ্ছে। এভাবে চলতে পারে না। রোজার আগেই কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করা জরুরি।

শামীম আহমেদ বলেন, বনশ্রীর অনেকগুলো দোকান ঘুরে অবশেষে একটি দোকানে পেয়েছি। সেখানেও বোতলের গায়ের মূল্য মুছে লিটারপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি করছে তারা। বাধ্য হয়ে সেখান থেকেই কিনতে হয়েছে। রোজার এখনও ১৫ থেকে ২০ দিন বাকি, এখনই যদি তেল না পাওয়া যায়, তাহলে আর কিছুদিন পর কী হয় বুঝতে পারছি না।

অপরদিকে বাজারে তেল নিয়ে এমন তেলেসমাতিতে ক্ষুব্ধ দেখা যায় বিক্রেতাদেরও। তাদের দাবি, ডিলার এবং মালিকপর্যায়ে অসাধু ব্যক্তিদের কারণে প্রতি রমজানের পূর্বেই বাজারে এমন চিত্র দেখা যায়। যে কারণে ক্রেতাদের নানা ধরনের খারাপ মন্তব্য শুনতে হয় বিক্রেতাদের।

রামপুরা এলাকার মুদি বিক্রেতা নাজমুল বলেন, রোজার আগে সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তাই বাজার থেকে ডিলাররা তেল উঠিয়ে নিয়েছে। আর এ কারণে আমরাও তেল পাচ্ছি না। কিছু পেলেও সেগুলো বেশি দামে কিনে আনতে হচ্ছে। যার ফলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, কিছু কোম্পানি নানাভাবে বিক্রেতাদের চাপে ফেলে তেল বিক্রি করছে। তেল পেতে হলে কোম্পানিগুলো তাদের ৮ থেকে ১০টি পণ্য নিতে বাধ্য করছে। সেক্ষেত্রে রূপচাঁদা তেল পেতে চাইলে ব্র্যান্ডটির ছোট-বড় সব সাইজের সরিষার তেল নিতে হচ্ছে। তীর সয়াবিনের সঙ্গে লবণ ও সব ধরনের গুঁড়া মসলা নিতে হচ্ছে। পুষ্টি কোম্পানির তেল নিতে চাইলে ওই ব্র্যান্ডের আটা-ময়দা নিতে হচ্ছে।

বনশ্রী এলাকার এক খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, চাহিদামতো সয়াবিন তেলের সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানিগুলো ঠিকমতো তেল দিচ্ছে না। ডিলারদের পাঁচ কার্টন তেল অর্ডার দিলে এক থেকে দুই কার্টন পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বাজারে এক ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।