খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২

চাঁদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:৩৪ অপরাহ্ণ
চাঁদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৫

হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মনির হোসেন সপরিবারে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। দুর্ঘটনায় তাঁর ছোট ছেলে মো. তাহিম হাসান ফাহিম (১২) মৃত্যুবরণ করেন। আর তিনি, তার স্ত্রী, বড়ো ছেলে ও পুত্রবধূ এবং সিএনজির চালকসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১১ জানুয়ারী ২০২৫) সন্ধ্যায় চাঁদপুর সদর উপজেলার কুমরাডুগি এলাকায় আইদি পরিবহনের একটি বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর ও টোরাগড় এলাকার মজুমদার বাড়ির বাসিন্দা কাজী মনির হোসেন নিজ বাড়িতে আসার উদ্দেশ্যে লঞ্চযোগে ঢাকা থেকে চাঁদপুরে আসেন। চাঁদপুর থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে হাজীগঞ্জে আসার পথে চাঁদপুর সদর উপজেলার কুমরাডুগি এলাকায় কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে আইদি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বেপরোয়া বাস সিএনজিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ছুটে এসে সিএনজি থেকে মো. তাহিম হাসান ফাহিমকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। আর আহত কাজী মনির হোসেন ও তার স্ত্রী এবং ছেলে হৃদয়কে হাজীগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করায়। একই সময়ে তার পূত্রবধূ (ছেলে হৃদয়ের স্ত্রী) ও সিএনজির ড্রাইভারকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে পূত্রবধূকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় রেফার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে কাজী মনির হোসেনের স্বজন ও হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজের ভোকেশনাল বিভাগের সমন্বয়ক মো. জহিরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কাজী মনির হোসেনসহ তার পরিবারের ৫ জন সদস্য নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে আইদি বাস চাপায় তাহিম ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময় কাজী মনিরের পরিবারের সবাই ও সিএনজির চালক আহত হয়েছেন। তার পূত্রবধূকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাহার মিয়া জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার এবং দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও সিএনজি থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে নিহত তাহিম হাসানের মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।