খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৭ মাঘ, ১৪৩২

সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে : মহাপরিচালক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে : মহাপরিচালক

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেছেন, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনী উপকরণ সুরক্ষা এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম এলাকায় একমাত্র স্ট্যাটিক ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কোস্ট গার্ড দায়িত্ব পালন করছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১২ টায় মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের আলী আহম্মদ মিয়া বহুমুখী মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের দায়িত্বপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল, অভ্যন্তরীণ নৌপথ এবং নদী পরিবেষ্টিত দুর্গম এলাকাসমূহে মোতায়েন রয়েছে।
রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দীর্ঘদিন ধরে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, অভ্যন্তরীণ নৌপথ ও নদী পরিবেষ্টিত দুর্গম এলাকাসমূহে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিশেষ করে নদীমাতৃক জেলা চাঁদপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্ট গার্ড একটি নির্ভরযোগ্য বাহিনী হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ আয়োজন করেছে। নির্বাচন উপলক্ষে গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রায় ৩ হাজার ৫৮৫ সদস্যের ১০০টি প্লাটুন উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম এলাকাসমূহে মোতায়েন রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব প্লাটুন স্থলভাগ ও জলভাগে বিভক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ নদীবেষ্টিত ভোলা জেলার দুর্গম প্রত্যন্ত অঞ্চলসমূহের ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছে।
কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন, ঢাকা জোনের আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ, মতলব (উত্তর), চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকার মোট ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে কোস্ট গার্ড সদস্যরা নিয়মিত নৌপথে টহল, বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন পর্যবেক্ষণ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
একই সঙ্গে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান ও দুষ্কৃতকারী আটকের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর ও নিরাপদ ভোটবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। সবশেষে রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উপকূলবাসীর নিরাপত্তা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে।
এর আগে সকাল ১০টায় মতলব উত্তরের মোহনপুর ইউনিয়নের ৫৮ নং বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক। মতবিনিময়কালে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের দায়িত্ব ও প্রস্তুতির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর নৌ পুলিশের এসপি সৈয়দ মুশফিকুর রহমান, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিএনপিকে সুযোগ দিন : তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
বিএনপিকে সুযোগ দিন : তারেক রহমান

ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ (সোমবার) নিজ নির্বাচনী এলাকার (ঢাকা-১৭) বনানী কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ খেলার মাঠে এক নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। তারেক রমহান বলেন, খালেদা জিয়া বলেছেন, বাংলাদেশই আমার প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। তিনি প্রশ্ন রাখেন— শুধু খালেদা জিয়া না, আমাদের সকলের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা কোনটি? তখন উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘বাংলাদেশ’ বলে জবাব দেন।
তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল, যাদের দেশ গড়ার একটি পরিকল্পনা আছে। বিএনপি একমাত্র দল যাদের কর্মসূচি আছে দেশকে পুনর্গঠন করার। বিএনপি একমাত্র দল যাদের সঠিকভাবে দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কাজেই বিএনপি সব সময় বিশ্বাস করে, জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপি সৃষ্টি থেকে সব সময় জনগণের সমর্থন ছিল। জনগণের সমর্থন ছিল বলে, বিএনপি জনগণকে রেখে চলে যায়নি। জনগণের সুখ-দুঃখ যেকোনো পরিস্থিতিতে সব সময় বিএনপি জনগণের পাশে ছিল বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণ যত বার বিএনপিকে সুযোগ দিয়েছে, ততবারই বিএনপি চেষ্টা করেছে তার সর্বশক্তি দিয়ে দেশকে গড়ে তুলবার।
তারেক রহমান বলেন, আজ ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে সকলের কাছে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাচ্ছি। আপনাদের রায় চাচ্ছি। আপনারা সমগ্র দেশে ধানের শীষকে বিজয়ী করেন, সারা দেশে আপনাদের বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজন আছে, সবাইকে যদি অনুরোধ করেন, আমিও আপনাদের মাধ্যমে সবার কাছে অনুরোধ পৌঁছে দিতে চাই। আসনু আমাদের দেশ গঠন করতে হবে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে। দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বিএনপি একমাত্র দল যার সেই পরিকল্পনা, কর্মসূচি এবং অভিজ্ঞতা আছে। কাজেই বিএনপিকে আপনারা সুযোগ দিন। বিএনপি আপনাদের সঙ্গে নিয়ে আগামী দিনে দেশ গঠন করবে। বিএনপির সামনের দিনে রাজনীতি ও মূল লক্ষ্য দেশকে পুনর্গঠন করা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশকে স্বৈরাচার শেষ করে দিয়ে গেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সেই দেশকে আবারও গড়ে তুলবো। দেশ যেহেতু আমাদের, সুতরাং বাইরে থেকে এসে কেউ গড়ে দিয়ে যাবে না।

চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

 ভোটের আর মাত্র চারদিন বাকি।  মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত ত্রিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার জনপদ চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর)  আসনটি বিএনপির ধানের শীষের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মাঠে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটিতে এই প্রথম নৌকাবিহীন ধানের শীষের সঙ্গে ভোটের লড়াই হতে যাচ্ছে দাঁড়িপাল্লার। সেই লড়াইয়ের দৌড়ে  আরো আছেন চরমোনাই পীরের হাতপাখা, ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি ও কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ কে  সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, মিছিল, পথসভা, উঠান বৈঠক ও দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা।
প্রতিদিনই বাড়ছে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, মিছিল এবং বাড়ি বাড়ি ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়ার ব্যস্ততা। আগামী বৃহস্পতিবার  (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের দিন, তাই নির্বাচনকেন্দ্রিক শেষ প্রস্তুতি  জোড়তোড়ভাবে চলছে। তবে সাধারণ ভোটারদের অধিকাংশই মুখ খুলছে না। হ্যাঁ বা না, ধানের শীষ না দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা বা অন্য মার্কা–এ ব্যাপারে এমন ভোটাররা স্পষ্ট কিছু বলছে না। কাকে ভোট দেবেন সেটা অনেকে চাপা রাখছেন। অনেকে আবার ভোট দিতে যাবেন কি যাবেন না সেটা নিয়ে আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।
সবদিক থেকে নির্বাচনী মাঠের আলোচনায় বরাবর এগিয়ে  বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তাঁর পক্ষে  ধানের শীষের জোয়ার বইছে।
এরপর  আছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী  অ্যাড. শাহজাহান মিয়ার দাঁড়িপাল্লার প্রচারণা ও গণসংযোগ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাত পাখার প্রার্থী শেখ মো. জয়নাল আবেদীন, এএইচএম আহসান উল্লাহ (ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি) ও
কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন (কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে)–নির্বাচনী লড়াইয়ে তারাও মাঠে আছেন সক্রিয়ভাবে। উল্লেখিত প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং মাইকিং প্রচারণা নির্বাচনী এলাকায়  শোভা পেলেও মাঠে নেই অ্যাড. সেলিম আকবর (গণফোরামের উদীয়মান সূর্য) এবং সাংবাদিক জাকির হোসেন (গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক)। এ দুজন প্রার্থী ধানের শীষের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে ব্যালটে তাদের নাম ও মার্কা থাকছে।
আগের নির্বাচনগুলোতে ধানের শীষের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো নৌকা। এবার নৌকাবিহীন নির্বাচনী মাঠে  উত্তেজনা কম। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবার এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড়িয়েছে বিএনপির ধানের শীষ ও জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রচারণার দৃশ্যমান গতি ধানের শীষের দিকে থাকলেও ভোটের প্রকৃত সমীকরণে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাড. শাহজাহানের অবস্থান কী হতে পারে নীরব থাকা ভোটের হিসেবে সেটা ধারণা  করতে হচ্ছে।
জাতীয় পার্টি, গণ ফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, হেফাজতের অংশ জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং সনাতনী সম্প্রদায় বিএনপি ও ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।তারপর আছে বিএনপির বিশাল নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। এতো কিছুতে এই আসনে ধানের শীষের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকাবিহীন অন্য কোনো মার্কাকে দেখছে না স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল। তবে আওয়ামী লীগ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট কোন দিকে যায়, সেই সমীকরণ মিলাচ্ছেন তারা।  নির্বাচনী মাঠে জামায়াত তথা ১১ দলীয় জোটের অবস্থানকে সহজে দুর্বল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভোটারদের ভাষ্য, নির্বাচনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৬২ চাঁদপুর-৩  (চাঁদপুর সদর-  হাইমচর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩শ’ ৩৪ জন। এর মধে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬শ’ ২৮ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮২ হাজার ৭শ’ ৪ জন।হিজড়া ২ জন। কেন্দ্র ১শ’ ৬৫টি এবং কক্ষ ৯শ’ ৯৪ টি।

আধুনিক নকশায় পুনর্গঠিত ইলিশ চত্ত্বর উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
আধুনিক নকশায় পুনর্গঠিত ইলিশ চত্ত্বর উদ্বোধন

চাঁদপুর শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ ব্র্যান্ডিংকে আরও দৃশ্যমান করতে সংস্কার কাজ শেষে ইলিশ চত্বরের ফলক উন্মোচন করা হয়েছে। আধুনিক নকশা ও পরিকল্পিত বিন্যাসে নতুন রূপ পাওয়া এই ইলিশ চত্বর শহরের সৌন্দর্যে যুক্ত করেছে ভিন্ন মাত্রা।
শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় শহরের বাসস্ট্যান্ড মোড়ে অবস্থিত ইলিশ চত্বরে ফলক উন্মোচন করেন জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার।
এর আগে বিকেলে চাঁদপুর পৌরসভা প্রাঙ্গণে মনোরম পরিবেশে পৌরসেবার মান উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একাধিক উদ্যোগের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি পৌরসভা চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং ফিতা কেটে চালু করেন পৌরসভার প্রথম অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র, নারীদের জন্য নামাজের পৃথক স্থান এবং ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার।
পরে পৌরসভার বিভিন্ন সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে জেলা প্রশাসক পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
ইলিশ চত্বরের ফলক উন্মোচন শেষে গণমাধ্যমকে জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, চাঁদপুর শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ হিসেবে জেলার পরিচিতিকে আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ পরিকল্পনার মাধ্যমে ইলিশ চত্বরের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। নির্বাচনপূর্ব এই সময়ে এটি জেলার জন্যে একটি ইতিবাচক ও দৃষ্টিনন্দন সংযোজন। ভোট দিতে আসা মানুষসহ দর্শনার্থীরা এই স্থাপনার সামনে দাঁড়িয়ে আনন্দ অনুভব করবেন এবং স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ছবি তুলে নিয়ে যাবেন–এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, পৌরসভায় নারীদের জন্যে নামাজের স্থান, ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি মানবিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রী খীসা, নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত বড়ুয়া, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা নূর আজম বিন শরীফ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) দিলীপ কুমার দে, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. হিরণ মিয়া, প্রশাসনিক কর্মকর্তা নূরে আলম, শহর পরিকল্পনাবিদ সোহরাব হোসেনসহ পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।