খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

নমিনেশন দিক বা না দিক রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবো : হুমাম কাদের চৌধুরী

এম. মতিন, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ১২:০১ অপরাহ্ণ
নমিনেশন দিক বা না দিক রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবো : হুমাম কাদের চৌধুরী

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, ‘অনেকেই অনেক কথা বলে, চৌধুরী পরিবারের আসল শক্তি হলো নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর।’

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লিচু বাগান চত্বরে ১১নং চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব করেন।

হুমাম কাদের চৌধুরী ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমাকে নেতাকর্মীরা তাকবির দিতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি বলছি, এটা শুধু আমার তাকবির নয়, এটা প্রতিটি মুসলমানের তাকবির। তবে এখন থেকে দুইটা স্লোগান দিতে হবে, ‘জিয়ার সৈনিক’ আর ‘নারায়ে তাকবির’।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রার্থী যেই হোন না কেন, আমাদের দায়িত্ব একটাই—বিএনপির প্রার্থীকে জয়ী করে সংসদে পাঠানো। এজন্য আমার ও আমার দলের পাশে দাঁড়িয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে আপনাদের। আমরা যদি একসাথে থাকি, একে অপরের পাশে দাঁড়াই, আমাদের হারানোর কেউ থাকবে না।’

এসময় বাবা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে হুমাম বলেন, ‘আজ আপনাদের দেখে মনে হলো আমি এতিম নই, আমি বাবা হারাইনি। আজ আমার পরিবার আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’

বাবার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ার মানুষ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ভুলে যাইনি, যেই ব্যাক্তি প্রথম বার বলেছিল ‘বাংলাদেশের জনগণ দিল্লির কাছে মাথা নত কোন সময় করবেনা। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা ঠিক করবে। আমাদের কপাল খারাপ সেই মানুষটিকে শেখ হাসিনা হত্যা করে ফেললো। আজকে আমি সেই কথাটিকে একটু সংশোধন করে দিতে চাই, ‘রাঙ্গুনিয়ার মানুষ, রাঙ্গুনিয়ার ভবিষ্যৎ তারা নিজেরা ঠিক করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যুবকেরা যারা এখানে এসেছেন, মুরব্বিদের একবার জিজ্ঞেস করেন, সকলে বলবে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ‘বাঘ ছিল বাঘ’, বাঘের গর্জন তাঁরা শুনেছে। আপনার যারা জোয়ান আছেন, আপনারা দেখেছেন, যে চৌধুরীর ছেলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করে, মাথা ঠান্ডা রেখে বক্তব্য রাখে। বহু হয়েছে ঠান্ডা, ঠান্ডা রাজনীতি, এখন গরম দেখাতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে নমিনেশন দিক বা না দিক, আমি দলে থাকি বা না থাকি, আমি বেঁচে থাকি বা না থাকি—ওয়াদা করে যাচ্ছি, আমার পরিবার সারাজীবন এই রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবে।’

সম্প্রতিক ‘রাউজান না রাঙ্গুনিয়া’ স্লোগানের রেশ টেনে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘আপনারা যারা এখানে আছেন, বিএনপির প্রোগ্রামে গেলে আপনাদের ‘টিটকারি’ মারা হয়, ‘রাউজান না রাঙ্গুনিয়া’। আমি আজকে বলে যাচ্ছি, রাঙ্গুনিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙ্গুনিয়া। বলে যাচ্ছি, এখানে বাইরের মানুষদের রাজনীতি করার আর কোন সম্ভাবনা নেই। ‘বাবাজান’ আঠারো বছর বয়স থেকে আমি রাঙ্গুনিয়ার ভোটার। মোকাবিলা যদি করতে হয়, সামনাসামনি করো, টিটকারি যদি মারতে হয়, সামনাসামনি করে দেখো।’

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যদি মনে হয় বিএনপির কোনো নেতা আপনার কাছ থেকে চাঁদা চেয়েছে, তবে এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। এর শাস্তি আমি নিজেই দেব। দল হয়তো বহিষ্কার করবে, কিন্তু আমি খালি বহিষ্কার করব না—চোখে চোখ রেখে বলতে হবে কে চাঁদা চেয়েছে, তারপর পরিস্থিতি কী হবে আপনারাই জানবেন।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে ভাইয়া চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি বলছি, আমি একশন নেব না—আপনারাই ব্যবস্থা নেবেন। এটা আপনাদের দায়িত্ব।’

আওয়ামী লীগে মাথাচাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে বহু ধরনের ষড়যন্ত্র শোনচ্ছি, শোনচ্ছি আওয়ামী লীগ নাকি আবার গর্ত থেকে মাথা বের করেছে। বহুত সুযোগ সুবিধা নিয়েছে, আওয়ামী লীগের মানুষরা হঠাৎ করে দেখি, নদীরপাড়ে মুজিবকোট খুলে পাঞ্জাবি পড়ে আমাদের মাঝে চলে আসার চেষ্টা করছে। গত ১৬ বছর এত অত্যাচার করেছে আমাদের ওপরে, সবগুলো চেহারা আমরা চিনি। আওয়ামী কোট খুলে কোন লাভ হবেনা, কবরে পাঠানোর সময়ও ঐ আওয়ামী কোট পড়ে পাঠাবো। এই আওয়ামী লীগের ব্যাক্তিরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ‘সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবর রাঙ্গুনিয়াতে হবেনা’ আপনারা কি এদেরকে মাফ করবেন? ইনশাআল্লাহ বিচার সবকিছুর হবে, বিচার হতেই হবে।’

চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আনোয়ারুল হক বাবুল মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং নাছের উদ্দিন, মো. ইরফান ও সাজ্জাদ হোসেন খোকার যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলী নূর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. কামাল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক নিজামুল হক চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক হাজী ইলিয়াস শিকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সি. সহসভাপতি ইউসুফ চৌধুরী, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ফজলুল করিম মিনা, মুহাম্মদ হোসেন চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খোরশেদ আলম, একতিয়ার হোসেন, মসিহউল্লা, ওয়াকিল আহমদ, নাসির উদ্দীন নসু, ভিপি আনিছুর উদ্দিন, ফারুকুল ইসলাম, দিদারুল আলম, আবু বক্কর ও হেলাল উদ্দিন আহমেদসহ দলের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।