খুঁজুন
                               
, ,

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৪০০ জনের বেশি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৪০০ জনের বেশি

রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে সর্বমোট ৪১৬ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর মধ্যে শেষদিনের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ২০ জন প্রার্থী। এদিন শুনানিতে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর ও কুমিল্লা-১০ আসনে দলটির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন শুনানিতে কোনো পক্ষপাত হয়নি বলে দাবি করেছেন।
রবিবার নির্বাচন ভবনে টানা ৯ দিনের শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানিতে কোনো পক্ষপাত করিনি। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের আমরা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের বিষয়টিও ছেড়ে দিয়েছি। আমরা চাই যে সবাই অংশগ্রহণে একটা সুন্দর নির্বাচন হোক।’ সিইসি বলেন, ‘আপনারা হয়তো আমাদের সমালোচনা করতে পারেন। আপনারা সহযোগিতা না করলে কিন্তু হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমার টিমের তরফ থেকে কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কোনো জাজমেন্ট আমরা দেইনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা কোয়ারি করেছেন, কোয়ারির জবাব দিয়েছেন, আই এম এমাজ টু সিই এট দিস। আপনাদেরকে আমি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই ইসির পক্ষ থেকে। আমি আশা করব, ভবিষ্যতেও আপনাদের কাছ থেকে এ ধরনের সহযোগিতা পাব।’ এ সময় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা ঋণ খেলাপি যাদেরকে ছাড় দিয়েছি, মনে কষ্ট নিয়ে দিয়েছি। শুধু আইন তাদেরকে পারমিট করেছে বিধায়।’
এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, জাতীয় পার্টি-জাপা, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ২ হাজার ৯১টি মনোনয়নপত্র জমা দেয়। এছাড়া স্বতন্ত্র থেকে জমা পড়ে ৪৭৮টি মনোনয়নপত্র। এরপর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা মনোনয়নপত্র বাছাই করে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। বৈধ হয় ১৮৪২ জন। বাতিল ৭২৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৩৫০ জনের মতো। বাকিগুলো ৫১টি নিবন্ধিত দলের। আবার দলগুলোর মধ্যে বিএনপির ২৭, জামায়াতে ইসলামীর ৯, জাতীয় পার্টির ৫৭ ও ইসলামী আন্দোলনের ৪১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। বিএনপির বাতিল হওয়া ২৭ জনের মধ্যে বেশির ভাগই দলীয় পরিচয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলীয় প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয়ন ছিল না। বিএনপির পরিচয়ে ৩৩১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। দলটি থেকে ২৭৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৬৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪১ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়। বৈধতা পান ২২৭ জন। দলগতভাবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থিতা বাতিল হয় জাতীয় পার্টির। দলটির ২২৪ জনের মধ্যে ৫৭ জন বাদ পড়েন। বৈধতা পান ১৬৭ জন।
তপশিল অনুযায়ী, গতকাল রবিবার ইসির আপিল শুনানি শেষ হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর আগামী জাতীয় নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা জানা যাবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
আপিলে বিএনপির দুই জনের প্রার্থিতা বাতিল :চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর ও কুমিল্লা-১০ আসনে দলটির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রবিবার আলাদা আপিল শুনানি শেষে ইসি এ রায় দেয়। এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে এই দুই জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছিল। ইসি সূত্রে জানা গেছে, ঋণখেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেছে ইসি। এতে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল রাখা হয়েছে। কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া দ্বৈত নাগরিক বলে আপিলে অভিযোগ করা হয়। এই প্রার্থী আপিল শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন। ইসি তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বহাল :ফেনী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রবিবার শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন। এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগ মিন্টুর প্রার্থিতা বাতিলে আপিল আবেদন জমা পড়ে ইসিতে। তবে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করায় ও টাকা জমা দেওয়ায় আপিলটি নামঞ্জুর করে ইসি। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে বিএনপির এ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো বাধা থাকল না।

দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। সে হিসেবে ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৪ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য কমানো হচ্ছে। নতুন এই মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
এর আগে গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিলো বাজুস। ওই সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৯১ টাকায়।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মো. মোসলেহ উদ্দিনের (মোসলেম আহম্মদ) জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিন টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ‘ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন। এদিকে, যৌন নিপীড়নের বিষয়টি জানতে পেরে ওই শিশুর অভিভাবক শাহজালাল রুমি অভিযুক্ত শিক্ষককে চড় মারেন। চড় দেওয়ার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে যৌন হয়রানি করেন উপাধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন। এ সময় বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে নানা ধরনের ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে পুরো বিষয়টি খুলে বলে। পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে ঘটনার জবাবদিহি চান।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে মারধর করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তাকে গাজীপুর আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে শিশু নির্যাতনের সত্যতা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, শিক্ষকের ওপর হামলা, মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও পাল্টা আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু সামরিক সক্ষমতাই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ শৃঙ্খলা পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’ এর আগে, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। এরপরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।