খুঁজুন
                               
, ,

এআই নীতিমালা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে: আইসিটি সচিব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
এআই নীতিমালা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে: আইসিটি সচিব

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা প্রণয়নে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।

বুধবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে আয়োজিত ‘টেলিকম অ্যান্ড ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটা জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিটিআরসি স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহবুব আলম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদুল বারী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব (রুটিন দায়িত্ব) জহিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিটিআরসির কর্মকর্তা ও টেলিকমিউনিকেশন এবং ডিজিটাল খাতের উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন

আইসিটি সচিব বলেন, আমরা এআই পলিসি নিয়ে কাজ শুরু করেছি, ইনফেক্ট আজকে শুরু হয়েছে এটা। আমরা সাইবার সিকিউরিটি অর্ডিন্যান্স করেছি। অন্তর্বর্তী সরকার উদ্যোক্তাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। আমরা একটি ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের মধ্যে আছি। আমরা এখন ব্যক্তিগত তথ্য-উপাত্ত সুরক্ষা আইন নিয়ে কাজ করছি। ডিজিটাল খাতে সরকার বিভিন্ন প্রজেক্ট করবে, ফাইন্যান্স করবে- এটাকে কমার্শিয়ালাইজ করবে ইন্ডাস্ট্রি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব (রুটিন দায়িত্ব) জহিরুল ইসলাম বলেন, আমরা একটি ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আগামী দিনের যে সমাজ সেখানে আমাদের কাজ করতে হবে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে। তরুণরা পরিবেশের উপর টেলিকম ইন্সটলেশনগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনতে দারুণ আইডিয়া নিয়ে এসেছে। এগুলোকে আরও কীভাবে গ্রিন করা যায় তা নিয়ে ভাবছে। প্রতি বছর গ্র্যাজুয়েটদের একটি বড় অংশ আনএমপ্লয়েড থেকে যায়, এদের মধ্যে যদি উদ্যোক্তা মনোভাব তৈরি করতে পারি তাহলে একটি স্থিতিশীল সমাজ তৈরি করতে পারব।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদুল বারী বলেন, আমাদের টেলিকম সেক্টরে গত দুই দশকে যে ডেভলপমেন্ট হয়েছে সেটা হয়েছে কানেক্টিভিটির জন্য। ইন্টারনেট পেনিট্রেশন ১৩ কোটির মতো হলেও হেড কাউন্টে সেটা ৭ থেকে ৮ কোটির মতো, যা ৪৫ শতাংশ হবে। তথ্য বিপ্লবের দুটি বড় উপাদান হলো কানেক্টিভিটি এবং অপরটি ডেটা। প্রথম যখন ইন্টারনেট এলো তখন ব্যবসা বলতে কানেক্টিভিটি বুঝাত, বর্তমানে ডিজিটাল ব্যবসা হচ্ছে ডেটা, আগের মতো ভয়েস বলতে আমরা টিপিক্যাল ভয়েস বুঝি না, হোয়াটসঅ্যাপের ভয়েসও একটা ডেটা।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান যখন কোনো কিছু আবিষ্কার করে সেটাকে ছড়িয়ে দেয় বিজনেস ও কমার্স। এগুলো হয় ইনোভেশনের মাধ্যমে। আমাদের উদ্যোক্তাদের ইনোভেটিভ হতে হবে। আমাদের অনেক রকম ইনোভেশন দরকার। আমাদের কানেক্টিভিটি এবং ইউজেস গ্যাপের সঙ্গে সঙ্গে ইউজফুলনেস গ্যাপ রয়েছে। অনেক জায়গায় কানেক্টিভিটি থাকলেও ইউজফুল কানেক্টিভিটি হচ্ছে না। কনজ্যুমার সার্ভিস বাড়ানোর টার্গেট থাকলে টেলকো সেক্টর ফ্লারিশ করবে। টেলকো খাতে ইমিডিয়েট, মিড টার্ম ও লং টার্ম টার্গেট থাকা উচিত।

বিটিআরসি কমিশনার মাহবুব আলম তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৭৬টি আইডিয়া পেয়েছি, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৩২টি আইডিয়া আগামী দিনের টেলিকমিউনিকেশনে যুগান্তকারী অবদান রাখবে। এর মধ্যে ৫টি আইডিয়াকে সম্মাননা দেওয়া হবে। তারা পাবে বিটিআরসি থেকে মেন্টরশিপ ও অন্যান্য সহযোগিতা।

একজন উদ্ভাবক যেমন নিজেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তেমনি ভূমিকা রাখেন দেশের অর্থনীতিতে। বিশ্ববিদ্যালয় ও আইসিটি বিভাগকে সমন্বয় করে আমরা সামনে একটি একাডেমিয়া গঠন করতে চাই, যাতে ভবিষ্যতের গবেষণা শুধু কাগজে আটকে না থাকে।

অনুষ্ঠানে প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাৎক্ষণিক পাওয়ার রিস্টোর করার উদ্ভাবনী আইডিয়ার জন্য ৫ম স্থান অর্জন করেছে ইডটকো বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। স্বল্প সময়ে ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরির উদ্ভাবনী আইডিয়ার জন্য ৪র্থ স্থান অর্জন করেছে ইবিতানস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। দেশের বিভিন্ন স্থানে উদ্যোক্তাতাদের ডিজিটালি কানেক্ট করার উদ্ভাবনী আইডিয়ার জন্য ৩য় স্থান অর্জন করেছে গ্রামীণফোন। তাদের প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছে এক লাখ টাকা।

এবারে ফেয়ারে ইকো ফ্রেন্ডলি টাওয়ার স্থাপনের উদ্ভাবনী আইডিয়ার জন্য ২য় স্থান অর্জন করেছে ইডটকো বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপনের উদ্ভাবনী আইডিয়ার জন্য ১ম স্থান অর্জন করেছে রোবোলাইফ টেকনোলজিস। তাদের প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছে তিনি লাখ টাকা।

গাড়ির চাকায় তিশার হাতের ছাপ

রাজধানীর বনশ্রীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন চাঁদপুরের তিশা আহমেদ

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীর বনশ্রীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন চাঁদপুরের তিশা আহমেদ

রাজধানীর বনশ্রীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চাঁদপুরের পরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন রোটারিয়ান এবং চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের সাবেক সভাপতি সফিউদ্দিন আহমেদের মেয়ে তিশা আহমেদ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে বনশ্রী জি-ব্লক মেইন রোডে ফরাজী হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলের একটি দৃশ্য উপস্থিত মানুষকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। যে গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে তিশার মৃত্যু হয়েছে, সেই চাকায় লেগে থাকা তাঁর হাতের ছাপ যেন রেখে গেছে এক হৃদয়বিদারক স্মৃতি। কয়েক মুহূর্ত আগেও যে হাতটি ছিল জীবনের স্পন্দনে ভরা, দুর্ঘটনার পর সেই হাতের ছাপই হয়ে ওঠে অকালে ঝরে যাওয়া একটি জীবনের নীরব সাক্ষী।
খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনয় চন্দ্র পাল জানান, রমজান পরিবহনসহ দুটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই তাসপিয়া আহমেদ নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত ৯টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রমজান পরিবহনের একটি বাসসহ দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে। বাস দুটির চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে। নিহতের ভাই এনাম আহমেদ জানান, তাঁর বোন কাজে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। সন্ধ্যায় তিনি খবর পান, ফরাজী হাসপাতালের সামনে মোটরসাইকেলের পেছন থেকে পড়ে যাওয়ার পর দুই বাসের চাপায় তাঁর বোন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। খবর পেয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা বনশ্রীর একটি টেইলার্সের মালিক মো. মূসা বলেন, তাসপিয়া তাঁর দোকান থেকে নিয়মিত কাপড় তৈরি করাতেন। তাঁর ভাষায়, তাসপিয়া ছিলেন অত্যন্ত ভালো মানুষ। আগামীকাল তাঁর কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়ার কথা ছিল। অথচ একদিন আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে হয়েছে। পরে তিনিই তাসপিয়ার পরিবারের সদস্যদের দুর্ঘটনার খবর দেন।
তিশা আহমেদের আকস্মিক মৃত্যুতে চাঁদপুরের রোটারি অঙ্গন, সামাজিক ও পরিচিত মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একজন বাবার কাছে সন্তানের মৃত্যু যে কতটা অসহনীয়, তিশার অকালমৃত্যু যেন তারই নির্মম বাস্তবতা। যে সন্তানকে ঘিরে পরিবারের ছিল ভালোবাসা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের নানা পরিকল্পনা, একটি দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সবকিছু থমকে দিয়েছে।
তিশার এই মর্মান্তিক মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল—সড়কে সামান্য অসতর্কতাও মুহূর্তের মধ্যে কেড়ে নিতে পারে একটি প্রাণ এবং একটি পরিবারের সব স্বপ্ন।
উল্লেখ্য, নিহত শিক্ষক তাসপিয়া আহমেদ তিসা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আফতাবনগর শাখার শিক্ষক ছিলেন।

৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ: হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদনে সাড়া মিলল না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ: হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদনে সাড়া মিলল না

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর পরিশোধ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ পেল না ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ কল্যাণ’। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব মামলাটি কার্যতালিকা (কজ লিস্ট) থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন। আদালত স্পষ্ট জানান, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পূর্বে হাইকোর্টের রায়ে আপাতত হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। ২০১৭ সালে এনবিআরের ১৪ নম্বর কর অঞ্চল এক পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১২ থেকে ২০১৭—এই পাঁচ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে মোট ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর দাবি করে।
কর দাবির বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণ রিট করলে আদালত প্রাথমিক রুল জারি করলেও, দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট খারিজ করে রায় দেন। ফলে কর পরিশোধের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেন গ্রামীণ কল্যাণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। শুনানিতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ আজাদ অংশ নেন। শুনানি শেষে আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত লিভ-টু-আপিল করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই তারা অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন। তবে চেম্বার আদালত লিখিত রায় না আসা পর্যন্ত কোনো আদেশ দিতে অস্বীকৃতি জানান।
চেম্বার আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধের চ্যালেঞ্জে বড় ধরনের ধাক্কা খেল গ্রামীণ কল্যাণ। এখন পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরই কেবল তারা পরবর্তী আপিল প্রক্রিয়ায় যেতে পারবে।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।