খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নিরাপত্তা খাত সংস্কারে র‍্যাব বিলুপ্তি বিবেচনা করতে হবে: ডব্লিউজিইআইডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫, ১:৩১ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তা খাত সংস্কারে র‍্যাব বিলুপ্তি বিবেচনা করতে হবে: ডব্লিউজিইআইডি

নিরাপত্তা খাতের সংস্কারের অংশ হিসেবে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করার বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত—এমন সুপারিশ করেছে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের আওতাধীন জোরপূর্বক গুমসংক্রান্ত ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড অর ইনভলান্টারি ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সেস (ডব্লিউজিইআইডি)। একই সঙ্গে তারা বলেছে, যারা গুমের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত নন, র‍্যাবের সেই সদস্যদের নিজ নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠাতে হবে।
ডব্লিউজিইআইডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইকে কেবলমাত্র সামরিক গোয়েন্দা কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। সংস্থাটির দায়িত্ব, কর্তৃত্ব এবং বাজেট কাঠামো স্পষ্ট ও সীমিত করার প্রস্তাবও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
প্রসঙ্গত, গত জুনে বাংলাদেশ সফর করে ডব্লিউজিইআইডির কারিগরি প্রতিনিধি দল। সফরকালে তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী প্রধান, পুলিশ, গুম কমিশন এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সফর শেষে ২৫ জুন তারা প্রতিবেদনটি সরকারকে পাঠায়।
এর আগে র‍্যাবের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বাহিনীটি বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল গঠিত গুম কমিশন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের তথ্যানুসন্ধানী দল এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
ডব্লিউজিইআইডি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে সংঘটিত অধিকাংশ গুমের ঘটনায় র‍্যাব প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল। ডিজিএফআইও কিছু ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। তারা বলেছে, এসব বাহিনীর সদস্যদের একটি বড় অংশ এখনও নিজ নিজ পদে বহাল রয়েছেন, যা বিচারপ্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর মধ্যে জবাবদিহির অভাব এবং দায়মুক্তির সংস্কৃতি গুমের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রধান প্রতিবন্ধক। ডব্লিউজিইআইডি মনে করে, সংস্থাগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপন করতে হলে, প্রকৃত অর্থে নিরপেক্ষ তদন্তে সহযোগিতা এবং অপরাধীদের অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের অভ্যন্তরে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘র‍্যাব একটি সরকারি আদেশে গঠিত বাহিনী, কাজেই সরকার চাইলে সদস্যরা নিজ নিজ বাহিনীতে ফিরে যাবে।’ তবে বাহিনীর অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের মাধ্যমে র‍্যাবকে কার্যকর রাখা সম্ভব।
জুলাই-পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ‘আফটার দ্য মনসুন রেভল্যুশন: এ রোডম্যাপ টু লাস্টিং সিকিউরিটি সেক্টর রিফর্ম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এ প্রতিবেদনটি ইউরোপ ও আমেরিকার কূটনীতিকদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্রের কূটনীতিক র‍্যাব বিলুপ্তি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পশ্চিমা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘র‍্যাব গঠনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু একইসঙ্গে তারা জঙ্গিবাদ ও গুরুতর অপরাধ দমনেও কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এখন বাহিনীটি বিলুপ্ত হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘র‍্যাব গঠনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ভূমিকা ছিল। সে সময় বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় এ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা ছিল। তবে র‍্যাব পরবর্তীতে ভাড়াটে বাহিনীর মতোও ব্যবহৃত হয়েছে, যা দুঃখজনক।’
একই আলোচনায় অংশ নেওয়া আরেক কূটনীতিক মনে করেন, বাহিনীটি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের কারণে জবাবদিহিহীন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার চেষ্টা করলেও র‍্যাবকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে পুনর্গঠনের কাজ কঠিন হবে। বাহিনীটি অতীতে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত নির্যাতনকেন্দ্র পরিচালনা করত, যার বেশ কিছু আলামত এখন ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।’
এই কূটনীতিকের মতে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সরকার ফিরে এলে বাহিনীর পুরনো রূপে ফেরার সম্ভাবনা থেকেই যায়। কারণ অতীতে ক্ষমতাসীন যে দলই হোক, র‍্যাবকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। কাজেই র‍্যাব বিলুপ্ত না করে সংবিধান ও মানবাধিকার অনুযায়ী সংস্কার করাই হতে পারে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।