খুঁজুন
                               
, ,

স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে : প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:১১ অপরাহ্ণ
স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হয়, তবে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার চাওয়া হলে নির্বাচন জুনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। কারণ, আমরা একটি রূপান্তরকালীন সময় পার করছি। এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘ ও বিশ্বাসযোগ্য একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেখে সন্তুষ্ট।

প্রধান উপদেষ্টা সরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা করে বলেন, আমাদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম প্রায় অকার্যকর। এখানে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে নার্সের ঘাটতি রয়েছে। তবে নার্সিং শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক চাহিদা। আমরা এমনভাবে নার্সদের প্রশিক্ষণ দিতে চাই যেন তারা বিশ্বব্যাপী অবদান রাখতে পারে।

তিনি বলেন, আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত হলো ওষুধ শিল্প। আমরা চাই ভ্যাকসিনের পেটেন্ট সুরক্ষা তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করুক, যাতে সব দেশ সামাজিক ব্যবসার মডেলে স্বল্প খরচে উৎপাদন করতে পারে। দুই পক্ষ শিক্ষা, বস্ত্রশিল্প, প্রতিরক্ষা ও বিমান চলাচলসহ কৌশলগত সহযোগিতার আরও বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বস্ত্র খাত আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা ও বিমান খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই। উভয় পক্ষ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দেন। নারীর সমঅধিকার প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় নারীর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দিই। নারী ক্ষমতায়ন আমাদের উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে।

ব্যারোনেস উইন্টারটন চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের কথা জানান। বৈঠকে বিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।