খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নির্বাচন নিয়ে সরকারকে সহনীয় চাপে রাখবে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
নির্বাচন নিয়ে সরকারকে সহনীয় চাপে রাখবে বিএনপি

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কোনো প্রকার দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে দ্রুততম সময়ে নির্বাচনে জন্য সহনীয় চাপ প্রয়োগ করাই হচ্ছে নতুন বছর অর্থাৎ ২০২৫ সাল বিএনপির প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি দল ও অঙ্গ-সংগঠনকে সুসংগঠিত করা এবং রাষ্ট্র সংস্কারে ঘোষিত ৩১ দফা ব্র্যান্ডিংয়ে মনোযোগ দেবে দলটি।

বিএনপির নেতারা বলছেন, ২০২৫ সাল বিএনপির বেশি কিছু করা নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম ও তাদের নীতি কি হয় সেটা পর্যবেক্ষণ রাখা। এক্ষেত্রে সরকার যদি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করে, সেটার সঙ্গে যুক্ত হবে বিএনপির। আর সরকার যদি নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা না করে, তাহলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখে দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে সহনীয় চাপ প্রয়োগ করা হবে। তবে, সেক্ষেত্রে সরকার সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে জড়াবে না দলটি। অর্থাৎ বক্তব্য, বিবৃতি এবং মাঠ পর্যায়ে সভা-সমাবেশ করে বারবার ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচনে দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমাদের চাওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে চায়। তারা ভোট দিয়ে তাদের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায়, যে সরকার তাদের (জনগণের) কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, তাদের কাছে জবাবদিহি করবে।

এরআগে নির্বাচনের দাবিতে সরকারের ওপর চাপ তৈরিতে বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেছিলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদার গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যেতে চাই। অনেক সংঘর্ষ হয়েছে, দেশের মানুষ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সাংঘর্ষিক রাজনীতি বাংলাদেশে আর যেন ফিরে না আসে, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেটা সফল হবে, একমাত্র দ্রুত একটা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।

দলটির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জনগণের প্রত্যাশা হচ্ছে, সরকার নির্বাচন কেন্দ্রীয় প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে দ্রুততম সময়ে নির্বাচন দেবে। জনগণের রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির একই প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, আমাদের সব সময় ৩০০ আসনে ভোটের প্রস্তুতি থাকে। বিগত নির্বাচনগুলোতে আমরা আমাদের জোট সঙ্গীদের কিছু আসনে সমঝোতা হয়েছিল, সেইসব আসনে আমরা প্রার্থী দেয়নি। এবার এখন পর্যন্ত আমরা ৩০০ আসনের ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচনের সময় যারা আমাদের সঙ্গে থাকবে তাদের বিষয়ে তখন সিদ্ধান্ত হবে।

রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপি ৩১ দফা দিয়েছে বলে উল্লেখ করে স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, সেটা তো আমাদের কর্মপরিকল্পনার থাকবেই। এছাড়া বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলমান আছে। দলের যেসব জায়গার কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেইগুলো গঠন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আমাদের যেসব অঙ্গসংগঠনের কমিটির শেষ হয়ে গেছে সেইগুলো করা হচ্ছে। সেটা নতুন বছরেও চলমান থাকবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‍‘২০২৫ সালে মধ্যে যদি সরকার নির্বাচনের তারিখ অর্থাৎ রোডম্যাপ ঘোষণা করে, তাহলে নির্বাচন প্রক্রিয়া যুক্ত হয়ে যাবে বিএনপি। পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। আর সরকার যদি নির্বাচন বিলম্বিত করতে চায়, সেই ক্ষেত্র আমরা নির্বাচনের জন্য বক্তব্য, বিবৃতি, সারাদেশে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের ওপর সহনীয় চাপ তৈরি করবো। এছাড়া সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা এবং বৈঠক হলে সেখানে বারবার নির্বাচনের তাগাদা দেওয়া হবে।’

তবে সরকারের সঙ্গে বিএনপি কোনো প্রকার দ্বন্দ্বে জড়াবে না বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, আমরাই বলে আসছি আমাদের আন্দোলনের ফসল বর্তমান সরকার। ফলে, আমরা যদি এখনি নির্বাচনের দাবিতে মাঠে নামি সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। তাছাড়া একটা মহল এখনি বিএনপির বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ প্রতিষ্ঠাতা করতে চাচ্ছে, আমরা সংস্কার চাই না, নির্বাচন চাই।

বিএনপির আরেকটি সূত্র বলেছেন, একটা বিষয় এখন পরিষ্কার নয় যে সরকার আগে জাতীয় নির্বাচন নাকি স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেবে। দেশের একটা পক্ষ চাচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন তাদের ভাবনায় নেই। তাই নির্বাচন কেন্দ্রিক সরকারের নীতির অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে বিএনপিকে। সেটার ওপর নির্ভর কবরে বিএনপির আগামী দিনের পরিকল্পনা কী হবে।

২০২৫ সালে বিএনপির প্রত্যাশা হচ্ছে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা বলে উল্লেখ করে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জনগণের দল হিসেবে বিএনপির করণীয় হচ্ছে মানুষের তার ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। জনগণ যাতে তাদের ভোট দিয়ে তাদের সরকার নির্বাচিত করতে পারে।’

বিএনপি-জামায়াত দ্বন্দ্ব, উভয় চাপে রাখার কৌশল কী?

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই নানা ইস্যুতে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে দীর্ঘদিনের দুই মিত্র দল বিএনপি ও জামায়াত। বক্তব্য-বিবৃতিতে একে-অপরের আক্রমণে লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়েছে। মাঝখানে কিছুদিন বিএনপি ও জামায়াতের কথার বাহাস বন্ধ থাকলে, এখন আবার শরু হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা কি ছিল, সেটাও স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারা কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছিল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী জামায়াত কীভাবে দেশপ্রেমিক হলো সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিএনপির নেতারা।

বিএনপির নেতারা বলছেন, ৫ আগস্টের পরে জামায়াত প্রথমে বিএনপিকে আক্রমণ করে বক্তব্য দেওয়া শুরু করেছিল। তাদের আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি শুধু সেই সব কথার জবাব দিয়ে আসছে।

বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, এখানে পরিকল্পনা করে কিছু হচ্ছে না। কথার প্রসঙ্গে কথা আসছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে যেসব বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে তার পরিপ্রেক্ষিতে শুধু জবাব দেওয়া হচ্ছে। এখানে কথার প্রসঙ্গে কথা আসছে।

তিনি আরও বলেন, এখন আগামী নির্বাচনের বিষয়টি পরিষ্কার নয়, যখন নির্বাচনের বিষয়টি পরিষ্কার হবে, তখন বোঝা যাবে কারা আগামী দিনে বিএনপির নির্বাচনী জোটসঙ্গী হবে। জামায়াত ও সমমনা দলগুলো দীর্ঘদিন আমাদের সঙ্গে আছে, একসঙ্গে অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। সুতরাং এখনি বিষয়টি বলা সম্ভব নয়, আগামী নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত থাকবে কিনা।

তবে, বিএনপির এক নেতা বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের দ্বন্দ্বের বিষয়টি এখনি সিরিয়াসলি দেখার মতো সময় হয়নি। আপাতত আমার কাছে মনে হচ্ছে, উভয় পক্ষই একে-অপরকে চাপে রেখে কে কতটা সুবিধা আদায় করে নিতে পারে সেই চেষ্টা করছে। সূত্র : ঢাকা পোস্ট।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।