খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

২৭তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন আরও ৯৬ জন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
২৭তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন আরও ৯৬ জন

দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই ও অপেক্ষার পর ২৭তম বিসিএসের আরও ৯৬ নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১৩ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৮ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্ধারিত দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ওই তারিখের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে অন্য কোনো নির্দেশনা না এলে ১৮ মে থেকেই তাদের যোগদান কার্যকর হবে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে তা চাকরিতে অনাগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং নিয়োগ আদেশ বাতিল হয়ে যাবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা রক্ষার জন্য তাদের নিয়োগ কার্যকর ধরা হবে ওই ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে। অর্থাৎ, ধারণাগতভাবে তারা ব্যাচের অন্য কর্মকর্তাদের সমপর্যায়ের জ্যেষ্ঠতা পাবেন। তবে এই সুবিধার বিপরীতে কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা বা বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে না। ২৭তম বিসিএসকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই আইনি জটিলতা চলছিল। প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হলেও ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সেই ফল বাতিল করে পুনরায় মৌখিক পরীক্ষা নেয়।
পরে প্রথম ভাইভার ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হন। ২০০৮ সালে হাইকোর্ট ফল বাতিলকে বৈধ ঘোষণা করলেও পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বিষয়টি গড়ায়। অবশেষে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ ১ হাজার ১৩৭ জন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীকে চাকরিতে নিয়োগের নির্দেশ দেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ৬৭৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এবার আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়ার নতুন অগ্রগতি হলো।

হামে আক্রান্ত শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
হামে আক্রান্ত শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের টিকা নিয়ে কোথায় কী ভুল হয়েছে তা খুঁজে বের করার আগে মানুষের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, হামের টিকা নিয়ে কে দোষ করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টিকাদান ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা নিয়ে তদন্ত করার বিষয়টি পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। এই সংকট মোকাবিলার পর সরকার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও, সরকার এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই টিকাদান শেষ হয়েছে। বাকি শিশুদেরকেও টিকার আওতায় আনা হবে। এছাড়া, আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। মন্ত্রী বলেন, আমরা অ্যান্টির‌্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবে না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাব। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেব। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। অনুষ্ঠানে সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা এবং ইপিআই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সরকারকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান হিসেবে দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই যুদ্ধবিরতি বর্তমানে ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। একইসঙ্গে যুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে আবারও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সামরিক পাহারা বা এসকর্ট দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১১ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব পড়ছে উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটনের দাবির বিপরীতে গত সপ্তাহে ইরানের দেওয়া প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে যে, এই দুর্বল যুদ্ধবিরতি এখন ‘অবিশ্বাস্যভাবে নাজুক’ পরিস্থিতিতে রয়েছে। যুদ্ধবিরতির নাজুক অবস্থা উল্লেখ করে ট্রাম্প হাস্যরস করে বলেন, আমি যখন বলব যুদ্ধবিরতি লাইফ সাপোর্টে আছে, সেখানে ডাক্তার এসে বলেন, ‘স্যার, আপনার প্রিয়জনের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র এক শতাংশ!’
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজ পাহারা দেওয়ার প্রচেষ্টা পুনরায় শুরু করার কথা ভাবছেন। তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ৬ মে ‘অপারেশন ফ্রিডম’ উপসাগরে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। তবে দুই দিনেরও কম সময়ের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক মিত্রদের বাধার মুখে তা আকস্মিক বন্ধ করতে বাধ্য হন ট্রাম্প।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের শর্তে সংঘাত কমানোর প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু গত সপ্তাহে ইরান পাল্টা যে শর্তগুলো দিয়েছে, তা ট্রাম্পের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ইরানের দেওয়া প্রস্তাবকে তিনি ‘আবর্জনা’ বা গার্বেজ বলে অভিহিত করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান যদি মনে করে চাপের মুখে আমেরিকা পিছু হটবে, তবে তারা ভুল করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি পূর্ণ বিজয় অর্জন করতে যাচ্ছি। আমি ক্লান্ত বা বিরক্ত হব না, আমার ওপর কোনো চাপ নেই।
ইরানের সঙ্গে এখন আলোচনা করতে চায় কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প উল্টো ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সমালোচনা করেন। ট্রাম্প বলেন, সেখানে‘নরমপন্থী’ ও ‘পাগল’ এই দুই ধারার লোক রয়েছে। যারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায় তাদের উদ্দেশে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি—যদি সত্যি যুদ্ধ বাধে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তিতে তা হবে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের একটি লড়াই।

নিরপেক্ষ সংবাদের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা এশিয়া পোস্টের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
নিরপেক্ষ সংবাদের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা এশিয়া পোস্টের

নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে আরও বেগবান করার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা করেছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম এশিয়া পোস্ট। এ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তোপখানা রোডে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এশিয়া পোস্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
এর আগে এশিয়া পোস্টে এসে পৌঁছলে মন্ত্রীকে স্বাগত জানান সম্পাদক পলাশ মাহমুদ। এ সময় তাকে অফিসের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরিয়ে দেখালে সামগ্রিক কর্মপরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি কার্যকর স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের অঙ্গীকার করেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের আগেই আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার সব অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে যাচ্ছে। এটি উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত হবে না, বরং সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই কমিশন গঠিত হবে যা মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়টি একটি রূপান্তরের কাল। নতুন প্রজন্মের সদস্যরা এই গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারলেও পুরোনো প্রজন্মের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই যুগে একদিকে যেমন আশীর্বাদ রয়েছে, অন্যদিকে অপতথ্য ও ভুয়া তথ্য প্রচারের ঝুঁকিও অনেক বেড়েছে। এই অপতথ্যের হাত থেকে ডিজিটালের দর্শকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মাধ্যমে তৈরি হওয়া নতুন সংকট মোকাবিলায় এশিয়া পোস্টসহ সব সংবাদমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
এশিয়া পোস্টের সম্পাদক পলাশ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া নিবন্ধনের প্রক্রিয়া থাকলেও এই খাতের কর্মীদের জন্য সরকারের কোনো নীতিমালা এখনো নেই। সরকার যেন অনলাইন মিডিয়ার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে, যা কর্মীদের জন্য সহায়ক হবে। এ ক্ষেত্রে ‘অনলাইন এডিটর্স অ্যালায়েন্স’-এর পক্ষ থেকে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। কেননা, এটি অনলাইন সংবাদকর্মীদের একটি প্রাণের দাবি।
এর আগে এশিয়া পোস্টের কার্যালয় পরিদর্শন করে শুভেচ্ছা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, সংবাদমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র অচল। এশিয়া পোস্টকে ধন্যবাদ জানাই। সম্পাদক, প্রকাশক এবং এর সঙ্গে যারা নানা পর্যায়ে যুক্ত আছেন তারা একটি ভালো কাজের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এশিয়া পোস্টের নবযাত্রায় শুভেচ্ছা জানান।
এনসিপির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মাহবুব আলম, উত্তরাঞ্চলে মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
এবি পার্টির পক্ষে দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু শুভকামনা জানান।
দেশ ও জনগণের পক্ষে এশিয়া পোস্টকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, সরকারি বা বিরোধী দলের যে কোনো সমালোচনা যেন সংশোধনের উদ্দেশ্যে করা হয়। এটি করতে হবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে।
এশিয়া পোস্টকে শুভেচ্ছা জানান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূইয়া, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন, ব্যারিষ্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান, মিডিয়া সেল সমন্বয়ক আবু হানিফ, ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের ও ফাতিমা তাসনিম জুমা, ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
এছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ইসলামী আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলে করীম মারুফ, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুর রব ইউসুফী, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমাদ আব্দুল কাদের প্রমুখ এশিয়া পোস্টকে স্বাগত জানান।
কার্যালয় পরিদর্শন করেন ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতারা।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন এশিয়া পোস্টের হেড অব নিউজ শাকিল ফারুক, হেড অব এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন ইসহাক আহমেদ চৌধুরী, হেড অব মার্কেটিং মনেশ অধিকারী, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাজ্জাদ শোভন, রিপোর্টিং কোঅর্ডিনেটর জাকারিয়া নূরী, মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ সুরুজ আহমেদ, হেড অব সোশ্যাল মিডিয়া মো. জোবায়ের, হেড অব এসইও মো. শাহীনুজ্জামান, হেড অব প্রোগ্রাম মো. শামসুজ্জামান, হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট আবু হুরায়রা মুরাদ এবং হেড অব স্পোর্টস সাজ্জাদ হোসেন খান।