খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুর-৩ সদর আসনে নৌকাবিহীন ধানের শীষের জোয়ার

 ভোটের আর মাত্র চারদিন বাকি।  মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত ত্রিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার জনপদ চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর)  আসনটি বিএনপির ধানের শীষের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মাঠে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটিতে এই প্রথম নৌকাবিহীন ধানের শীষের সঙ্গে ভোটের লড়াই হতে যাচ্ছে দাঁড়িপাল্লার। সেই লড়াইয়ের দৌড়ে  আরো আছেন চরমোনাই পীরের হাতপাখা, ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি ও কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ কে  সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, মিছিল, পথসভা, উঠান বৈঠক ও দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা।
প্রতিদিনই বাড়ছে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, মিছিল এবং বাড়ি বাড়ি ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়ার ব্যস্ততা। আগামী বৃহস্পতিবার  (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের দিন, তাই নির্বাচনকেন্দ্রিক শেষ প্রস্তুতি  জোড়তোড়ভাবে চলছে। তবে সাধারণ ভোটারদের অধিকাংশই মুখ খুলছে না। হ্যাঁ বা না, ধানের শীষ না দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা বা অন্য মার্কা–এ ব্যাপারে এমন ভোটাররা স্পষ্ট কিছু বলছে না। কাকে ভোট দেবেন সেটা অনেকে চাপা রাখছেন। অনেকে আবার ভোট দিতে যাবেন কি যাবেন না সেটা নিয়ে আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।
সবদিক থেকে নির্বাচনী মাঠের আলোচনায় বরাবর এগিয়ে  বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তাঁর পক্ষে  ধানের শীষের জোয়ার বইছে।
এরপর  আছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী  অ্যাড. শাহজাহান মিয়ার দাঁড়িপাল্লার প্রচারণা ও গণসংযোগ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাত পাখার প্রার্থী শেখ মো. জয়নাল আবেদীন, এএইচএম আহসান উল্লাহ (ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি) ও
কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন (কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে)–নির্বাচনী লড়াইয়ে তারাও মাঠে আছেন সক্রিয়ভাবে। উল্লেখিত প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং মাইকিং প্রচারণা নির্বাচনী এলাকায়  শোভা পেলেও মাঠে নেই অ্যাড. সেলিম আকবর (গণফোরামের উদীয়মান সূর্য) এবং সাংবাদিক জাকির হোসেন (গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক)। এ দুজন প্রার্থী ধানের শীষের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে ব্যালটে তাদের নাম ও মার্কা থাকছে।
আগের নির্বাচনগুলোতে ধানের শীষের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো নৌকা। এবার নৌকাবিহীন নির্বাচনী মাঠে  উত্তেজনা কম। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবার এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দাঁড়িয়েছে বিএনপির ধানের শীষ ও জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রচারণার দৃশ্যমান গতি ধানের শীষের দিকে থাকলেও ভোটের প্রকৃত সমীকরণে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাড. শাহজাহানের অবস্থান কী হতে পারে নীরব থাকা ভোটের হিসেবে সেটা ধারণা  করতে হচ্ছে।
জাতীয় পার্টি, গণ ফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, হেফাজতের অংশ জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং সনাতনী সম্প্রদায় বিএনপি ও ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।তারপর আছে বিএনপির বিশাল নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। এতো কিছুতে এই আসনে ধানের শীষের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকাবিহীন অন্য কোনো মার্কাকে দেখছে না স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল। তবে আওয়ামী লীগ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট কোন দিকে যায়, সেই সমীকরণ মিলাচ্ছেন তারা।  নির্বাচনী মাঠে জামায়াত তথা ১১ দলীয় জোটের অবস্থানকে সহজে দুর্বল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভোটারদের ভাষ্য, নির্বাচনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৬২ চাঁদপুর-৩  (চাঁদপুর সদর-  হাইমচর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩শ’ ৩৪ জন। এর মধে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬শ’ ২৮ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮২ হাজার ৭শ’ ৪ জন।হিজড়া ২ জন। কেন্দ্র ১শ’ ৬৫টি এবং কক্ষ ৯শ’ ৯৪ টি।

হামে আক্রান্ত শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
হামে আক্রান্ত শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের টিকা নিয়ে কোথায় কী ভুল হয়েছে তা খুঁজে বের করার আগে মানুষের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, হামের টিকা নিয়ে কে দোষ করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টিকাদান ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা নিয়ে তদন্ত করার বিষয়টি পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। এই সংকট মোকাবিলার পর সরকার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও, সরকার এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই টিকাদান শেষ হয়েছে। বাকি শিশুদেরকেও টিকার আওতায় আনা হবে। এছাড়া, আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। মন্ত্রী বলেন, আমরা অ্যান্টির‌্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবে না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাব। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেব। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। অনুষ্ঠানে সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা এবং ইপিআই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সরকারকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান হিসেবে দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন।

২৭তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন আরও ৯৬ জন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
২৭তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন আরও ৯৬ জন

দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই ও অপেক্ষার পর ২৭তম বিসিএসের আরও ৯৬ নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১৩ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৮ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্ধারিত দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ওই তারিখের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে অন্য কোনো নির্দেশনা না এলে ১৮ মে থেকেই তাদের যোগদান কার্যকর হবে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে তা চাকরিতে অনাগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং নিয়োগ আদেশ বাতিল হয়ে যাবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা রক্ষার জন্য তাদের নিয়োগ কার্যকর ধরা হবে ওই ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে। অর্থাৎ, ধারণাগতভাবে তারা ব্যাচের অন্য কর্মকর্তাদের সমপর্যায়ের জ্যেষ্ঠতা পাবেন। তবে এই সুবিধার বিপরীতে কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা বা বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে না। ২৭তম বিসিএসকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই আইনি জটিলতা চলছিল। প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হলেও ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সেই ফল বাতিল করে পুনরায় মৌখিক পরীক্ষা নেয়।
পরে প্রথম ভাইভার ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হন। ২০০৮ সালে হাইকোর্ট ফল বাতিলকে বৈধ ঘোষণা করলেও পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বিষয়টি গড়ায়। অবশেষে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ ১ হাজার ১৩৭ জন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীকে চাকরিতে নিয়োগের নির্দেশ দেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ৬৭৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এবার আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়ার নতুন অগ্রগতি হলো।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই যুদ্ধবিরতি বর্তমানে ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। একইসঙ্গে যুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে আবারও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সামরিক পাহারা বা এসকর্ট দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১১ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব পড়ছে উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটনের দাবির বিপরীতে গত সপ্তাহে ইরানের দেওয়া প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে যে, এই দুর্বল যুদ্ধবিরতি এখন ‘অবিশ্বাস্যভাবে নাজুক’ পরিস্থিতিতে রয়েছে। যুদ্ধবিরতির নাজুক অবস্থা উল্লেখ করে ট্রাম্প হাস্যরস করে বলেন, আমি যখন বলব যুদ্ধবিরতি লাইফ সাপোর্টে আছে, সেখানে ডাক্তার এসে বলেন, ‘স্যার, আপনার প্রিয়জনের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র এক শতাংশ!’
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজ পাহারা দেওয়ার প্রচেষ্টা পুনরায় শুরু করার কথা ভাবছেন। তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ৬ মে ‘অপারেশন ফ্রিডম’ উপসাগরে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। তবে দুই দিনেরও কম সময়ের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক মিত্রদের বাধার মুখে তা আকস্মিক বন্ধ করতে বাধ্য হন ট্রাম্প।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের শর্তে সংঘাত কমানোর প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু গত সপ্তাহে ইরান পাল্টা যে শর্তগুলো দিয়েছে, তা ট্রাম্পের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ইরানের দেওয়া প্রস্তাবকে তিনি ‘আবর্জনা’ বা গার্বেজ বলে অভিহিত করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান যদি মনে করে চাপের মুখে আমেরিকা পিছু হটবে, তবে তারা ভুল করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি পূর্ণ বিজয় অর্জন করতে যাচ্ছি। আমি ক্লান্ত বা বিরক্ত হব না, আমার ওপর কোনো চাপ নেই।
ইরানের সঙ্গে এখন আলোচনা করতে চায় কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প উল্টো ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সমালোচনা করেন। ট্রাম্প বলেন, সেখানে‘নরমপন্থী’ ও ‘পাগল’ এই দুই ধারার লোক রয়েছে। যারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায় তাদের উদ্দেশে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি—যদি সত্যি যুদ্ধ বাধে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তিতে তা হবে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের একটি লড়াই।