খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নমিনেশন দিক বা না দিক রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবো : হুমাম কাদের চৌধুরী

এম. মতিন, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ১২:০১ অপরাহ্ণ
নমিনেশন দিক বা না দিক রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবো : হুমাম কাদের চৌধুরী

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, ‘অনেকেই অনেক কথা বলে, চৌধুরী পরিবারের আসল শক্তি হলো নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর।’

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লিচু বাগান চত্বরে ১১নং চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব করেন।

হুমাম কাদের চৌধুরী ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমাকে নেতাকর্মীরা তাকবির দিতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি বলছি, এটা শুধু আমার তাকবির নয়, এটা প্রতিটি মুসলমানের তাকবির। তবে এখন থেকে দুইটা স্লোগান দিতে হবে, ‘জিয়ার সৈনিক’ আর ‘নারায়ে তাকবির’।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রার্থী যেই হোন না কেন, আমাদের দায়িত্ব একটাই—বিএনপির প্রার্থীকে জয়ী করে সংসদে পাঠানো। এজন্য আমার ও আমার দলের পাশে দাঁড়িয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে আপনাদের। আমরা যদি একসাথে থাকি, একে অপরের পাশে দাঁড়াই, আমাদের হারানোর কেউ থাকবে না।’

এসময় বাবা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে হুমাম বলেন, ‘আজ আপনাদের দেখে মনে হলো আমি এতিম নই, আমি বাবা হারাইনি। আজ আমার পরিবার আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’

বাবার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ার মানুষ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ভুলে যাইনি, যেই ব্যাক্তি প্রথম বার বলেছিল ‘বাংলাদেশের জনগণ দিল্লির কাছে মাথা নত কোন সময় করবেনা। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা ঠিক করবে। আমাদের কপাল খারাপ সেই মানুষটিকে শেখ হাসিনা হত্যা করে ফেললো। আজকে আমি সেই কথাটিকে একটু সংশোধন করে দিতে চাই, ‘রাঙ্গুনিয়ার মানুষ, রাঙ্গুনিয়ার ভবিষ্যৎ তারা নিজেরা ঠিক করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যুবকেরা যারা এখানে এসেছেন, মুরব্বিদের একবার জিজ্ঞেস করেন, সকলে বলবে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ‘বাঘ ছিল বাঘ’, বাঘের গর্জন তাঁরা শুনেছে। আপনার যারা জোয়ান আছেন, আপনারা দেখেছেন, যে চৌধুরীর ছেলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করে, মাথা ঠান্ডা রেখে বক্তব্য রাখে। বহু হয়েছে ঠান্ডা, ঠান্ডা রাজনীতি, এখন গরম দেখাতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে নমিনেশন দিক বা না দিক, আমি দলে থাকি বা না থাকি, আমি বেঁচে থাকি বা না থাকি—ওয়াদা করে যাচ্ছি, আমার পরিবার সারাজীবন এই রাঙ্গুনিয়ার গোলামী করে যাবে।’

সম্প্রতিক ‘রাউজান না রাঙ্গুনিয়া’ স্লোগানের রেশ টেনে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘আপনারা যারা এখানে আছেন, বিএনপির প্রোগ্রামে গেলে আপনাদের ‘টিটকারি’ মারা হয়, ‘রাউজান না রাঙ্গুনিয়া’। আমি আজকে বলে যাচ্ছি, রাঙ্গুনিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙ্গুনিয়া। বলে যাচ্ছি, এখানে বাইরের মানুষদের রাজনীতি করার আর কোন সম্ভাবনা নেই। ‘বাবাজান’ আঠারো বছর বয়স থেকে আমি রাঙ্গুনিয়ার ভোটার। মোকাবিলা যদি করতে হয়, সামনাসামনি করো, টিটকারি যদি মারতে হয়, সামনাসামনি করে দেখো।’

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যদি মনে হয় বিএনপির কোনো নেতা আপনার কাছ থেকে চাঁদা চেয়েছে, তবে এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। এর শাস্তি আমি নিজেই দেব। দল হয়তো বহিষ্কার করবে, কিন্তু আমি খালি বহিষ্কার করব না—চোখে চোখ রেখে বলতে হবে কে চাঁদা চেয়েছে, তারপর পরিস্থিতি কী হবে আপনারাই জানবেন।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে ভাইয়া চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি বলছি, আমি একশন নেব না—আপনারাই ব্যবস্থা নেবেন। এটা আপনাদের দায়িত্ব।’

আওয়ামী লীগে মাথাচাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে বহু ধরনের ষড়যন্ত্র শোনচ্ছি, শোনচ্ছি আওয়ামী লীগ নাকি আবার গর্ত থেকে মাথা বের করেছে। বহুত সুযোগ সুবিধা নিয়েছে, আওয়ামী লীগের মানুষরা হঠাৎ করে দেখি, নদীরপাড়ে মুজিবকোট খুলে পাঞ্জাবি পড়ে আমাদের মাঝে চলে আসার চেষ্টা করছে। গত ১৬ বছর এত অত্যাচার করেছে আমাদের ওপরে, সবগুলো চেহারা আমরা চিনি। আওয়ামী কোট খুলে কোন লাভ হবেনা, কবরে পাঠানোর সময়ও ঐ আওয়ামী কোট পড়ে পাঠাবো। এই আওয়ামী লীগের ব্যাক্তিরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ‘সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবর রাঙ্গুনিয়াতে হবেনা’ আপনারা কি এদেরকে মাফ করবেন? ইনশাআল্লাহ বিচার সবকিছুর হবে, বিচার হতেই হবে।’

চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আনোয়ারুল হক বাবুল মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং নাছের উদ্দিন, মো. ইরফান ও সাজ্জাদ হোসেন খোকার যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলী নূর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. কামাল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক নিজামুল হক চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক হাজী ইলিয়াস শিকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সি. সহসভাপতি ইউসুফ চৌধুরী, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ফজলুল করিম মিনা, মুহাম্মদ হোসেন চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খোরশেদ আলম, একতিয়ার হোসেন, মসিহউল্লা, ওয়াকিল আহমদ, নাসির উদ্দীন নসু, ভিপি আনিছুর উদ্দিন, ফারুকুল ইসলাম, দিদারুল আলম, আবু বক্কর ও হেলাল উদ্দিন আহমেদসহ দলের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।