খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

ঘরে বসে নাগরিক সনদপত্রের জন্য আবেদন করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
ঘরে বসে নাগরিক সনদপত্রের জন্য আবেদন করবেন যেভাবে

আগে নাগরিক সেবাসমূহের সনদ নিতে হলে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা অফিসে গিয়ে লাইন ধরে দাঁড়াতে হতো। এখন আর সেটা করতে হয় না। আপনি চাইলে মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে ঘরে বসেই অনলাইনে নাগরিক সেবাসমূহের সনদপত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
চলুন, ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা হতে সব থেকে বেশি প্রচলিত সেবা নাগরিক সনদপত্র খুব সহজভাবে পাওয়ার ধাপগুলি যেনে নিই।
নাগরিক সনদপত্র কী?
নাগরিক সনদপত্র হলো এমন একটা কাগজ, যেটা দিয়ে প্রমাণ হয় আপনি বাংলাদেশের কোন এলাকার নাগরিক। এটা অনেক কাজে লাগে, যেমন:
ঘরে বসে নাগরিক সনদপত্রের জন্য আবেদন করবেন যেভাবে
এক সপ্তাহ রাতে ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখলে কী হয় জেনে নিন
– পাসপোর্ট করতে – স্কুলে ভর্তি নিতে – জমি কেনাবেচায় – চাকরির জন্য – সরকারি ভাতা নিতে – ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে
কীভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন?
ধাপ ১: ওয়েবসাইটে যান
আপনার ইউনিয়ন বা পৌরসভার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। সাধারণত এই লিংকে পাওয়া যায়: অনলাইনে সনদপত্র প্রদান প্রসঙ্গে
ধাপ ২: নাগরিক সনদ সিলেক্ট করুন
ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা ওয়েবসাইটে গিয়ে সেবাসমুহের তালিকা থেকে ‘নাগরিক সনদ’ নির্বাচন করুন।
ধাপ ৩: ফর্ম পূরণ করুন
একটা ফর্ম আসবে, যেখানে কিছু তথ্য দিতে হবে:
– আপনার নাম
– বাবার/মায়ের নাম
– জন্মতারিখ
– এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন নম্বর
– ঠিকানা
– মোবাইল নম্বর
– ছবি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (স্ক্যান/ফটো)
ধাপ ৪: ফি পরিশোধ করুন
ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে নিধারিত ফি প্রদান করতে হয়। আপনি বিকাশ/নগদ/রকেট দিয়ে সহজেই পেমেন্ট করতে পারবেন।
ধাপ ৫: আবেদন সাবমিট করুন
সব তথ্য ঠিকঠাক দিয়ে সাবমিট করুন। এরপর আপনি একটা রিসিপ্ট বা ট্র্যাকিং নম্বর পাবেন—সেটা সংরক্ষণ করে রাখুন।
সনদপত্র কীভাবে পাবেন?
– স্বল্প সময়ে আপনার আবেদন যাচাই হবে।
– এরপর আপনি SMS পাবেন।
– আপনি চাইলে অনলাইন থেকে সনদের কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।
– অথবা অফিসে গিয়ে মূল কপি (হার্ড কপি) নিতে পারবেন।
কিছু টিপস :
– সব তথ্য ঠিকমতো দিন—ভুল থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
– ছবি বা ডকুমেন্ট যেন স্পষ্ট হয়।
– আবেদন করার পর মাঝে মধ্যে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিন—আপনার সনদ রেডি হয়েছে কি না।
বাংলাদেশে এখন নাগরিক সেবা সমুহের সনদ পেতে আর অফিসে দৌড়াদৌড়ির দরকার নেই। মোবাইল বা কম্পিউটার থাকলেই ঘরে বসেই সবকিছু করা যায়। তাই সময় ও ঝামেলা বাঁচাতে এখনই অনলাইনে আবেদন করে ফেলুন।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।