খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

সমাজসেবা ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়ায় রোটারীর ভূমিকা অপরিসীম : ইশতিয়াক এ জামান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
সমাজসেবা ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়ায় রোটারীর ভূমিকা অপরিসীম : ইশতিয়াক এ জামান

বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাবের ৩৫তম অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে । শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় (১৮ জানুয়ারি ২০২৫) চাঁদপুর ক্লাবের মুক্তমঞ্চে ২০২৪-২০২৫ সালের ক্লাব কমিটির এই অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন রোটারী বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পিডিজি ইশতিয়াক এ জামান, পিএইচডি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রোটারী বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পিডিজি ইশতিয়াক এ জামান, পিএইচডি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজ চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাব অনেকগুলো ভালো কাজ করেছে। রোটারিয়ানরা সবসময় সমাজের জন্যে ভালো কাজ করে। বিশ্বে পোলিও নির্মূল করাসহ অনেক কাজ রোটারীর মাধ্যমে হয়েছে। আমার দেখা মতে চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাবের এই অভিষেক অনুষ্ঠানটি হলো সেরা একটি অনুষ্ঠান। যা উদাহরণ দেয়ার মতো। চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাব সুক্ষ্মভাবে সমাজ থেকে মেধাবী লোক খুঁজে খুঁজে তাদের স্ব স্ব পেশায় সমাজে অবদান রাখার জন্য যে সম্মাননা দিয়েছে সত্যি রীতিমত অভিভূত হয়েছি। আমার বাবা একজন রোটারিয়ান ছিলেন। আমি রোটারীতে দ্বিতীয় প্রজন্ম। চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের যেমন ৩৫তম বছর, আমারও রোটারীর ৩৫ বছর। আমি ঢাকা রোটারী ক্লাবের সদস্য।

তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টের বিপ্লবের পর রোটারিতে ব্যাপক পরিবর্তন ও সংস্কার হচ্ছে। আমরা রোটারীর মাধ্যমে রোটারী ইন্টারন্যাশনালে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবো। কারন আমাদের দেশে যারা রোটারী করে তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯.৯৯% হলো ভালো মানুষ। আমার টার্গেট হলো পরবর্তী রোটারী ইন্টারন্যাশনাল মিটিংয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে যাতে ভালো ধারনােউপস্থাপন করা। ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে উঠা রোটারী হলো বিশ্বব্যাপী সেবামূলক সংগঠন। উচ্চস্তরের মানদণ্ড, সমাজসেবা ও আন্তর্জাতিক বোঝা পড়ায় এ সংগঠনের ভূমিকা অপরিসীম। শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস ১৯০৫ সালে এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন যা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানরূপে স্বীকৃত। প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি, ব্যবসায় ও পেশাদারী পর্যায়ে উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং বিশ্বব্যাপী ফেলোশীপ প্রদানের মহান ব্রত নিয়ে আদর্শ সেবা প্রদানকল্পে এ সংগঠনটি গঠিত হয়। রোটারী গঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য আমি সবাইকে নিয়ে এক সাথে কাজ করতে চাই। যখন যে খানে মিটিং এর আয়োজন করা হয় অবশ্যই আপনারা আসবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম। আরো উপস্থিত ছিলেন রোটাঃ অ্যাড. ইকবাল বিন বাশার, চাঁদপুর চেম্বার অব কর্মাস এর সিনিয়র সহ-সভাপতি রোটা. পিপি সুভাস চন্দ্র রায়, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোটা. পিপি তমাল কুমার ঘোষ, জোনাল কো-অর্ডিনেটর রোটা. অধ্যাপক জাকির হোসেন, রোটা. নূরুল আমিন খান আকাশ, রোটা. শাহেদুল হক মোর্শেদ, চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সাবেক সভাপতি রোটা. মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটা. নাসির উদ্দিন খান, সভাপতি রোটা. নজরুল ইসলাম, প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটা. মো. মোস্তফা, সহ-সভাপতি রোটা. উজ্জ্বল হোসাইন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ২০২৩-২৪ রোটা বর্ষের প্রেসিডেন্ট রোটাঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন দৈনিক প্রভাতী কাগজের প্রকাশক ও সম্পাদক রোটা. আবদুল আউয়াল রুবেল পিএইচএফ, গীতা পাঠ করেন রোটা. জয়ন্তী ভৌমিক। এরপর জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অভিষেক অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ছিলেন রোটা. পিপি শেখ মনির হোসেন বাবুল আরএফএসএম। রোটারী প্রত্যয় পাঠ করেন রোটাঃ ডাঃ পীযুষ সাহা।

রোটারী ২০২৩-২৪ রোটা বর্ষের কার্যবিবরনী তুলে ধরেন ক্লাব সেক্রেটারী রোটা. রেশেদা আক্তার। ২০২৩-২৪ রোটা বর্ষের প্রেসিডেন্ট রোটা. ইমরান হোসেন, ২০২৪-২৫ রোটা বর্ষের প্রেসিডেন্ট রোটা. ডা. ইফতেখারুল আলম ও সেক্রেটারী রোটা. আবু ইউসুফ তালুকদার মানিকেরর কলার হস্তান্তর করেন। নবাগত প্রেসিডেন্ট রোটাঃ ডাঃ ইফতেখারুল আলম ক্লাব সদস্যদের পরিচয় তুলে ধরেন।

চলতি রোটা বর্ষে ক্লাব সদস্যরা তাদের স্ব স্ব পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য ৮ জন সদস্যকে প্রধান অতিথির হাত থেকে সম্মাননা ক্রেষ্ট দেয়া হয়। এছাড়াও সমাজের বিভিন্ন পেশায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ৮ জন পেশাজীবীকেও সম্মাননা দেওয়া হয়। ৫ জন নতুন সদস্যকে চাঁদপুর সেন্ট্রাল বোটারী ক্লাবের মেম্বার করে প্রধান অতিথি পিন পরিয়ে দেন। এরা হলেন : চাঁদপুর জেলা জজ কোর্টের পিপি কোহিনুর বেগম, ফকরুল ইসলাম, ব্যবসায়ীএমএ লতিফ, অ্যাড. মিল্টন, ব্যবসায়ী এম সফিউল্লা।  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ১০ জন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদেরও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। সকল আমন্ত্রিত অতিথি ও ক্লাব সদস্যরা নৈশভোজ করে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।