খুঁজুন
                               
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৫ মাঘ, ১৪৩২

ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে, বললেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে, বললেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা পরোক্ষ সংলাপে বসেন। সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা। গত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক শক্তি জড়ো করেছে মার্কিনিরা। এরমধ্যেই আলোচনা হয়েছে। এ আলোচনার লক্ষ্য ছিল উত্তেজনা বৃদ্ধি আটকানো।
ভালো আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প তার সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের বলেন, “ইরান নিয়ে আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে ইরান চুক্তি করতে মরিয়া। আমরা আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছি।” আলোচনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ওমানে আলোচনা চলার মধ্যেই দেশটিকে নিয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমাধ্যমে তেহরানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প এই আদেশে বলেছেন, যেসব দেশ ইরান থেকে পণ্য কিনবে সেসব দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে।
এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল ইরানি ও মার্কিন প্রতিনিধি দলের মধ্যে মূলত পরমাণু ইস্যু নিয়ে কথা হয়েছে। এতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ইস্যু উত্থাপনই করা হয়নি। ইরান বৈঠকে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করবে না। এর বদলে অন্য কিছু বিবেচনা করলে সেখানে তারা ছাড় দিতে পারে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ভারতের সংসদে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা, বলা হলো যেসব কথা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতের সংসদে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা, বলা হলো যেসব কথা

ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। যেগুলোর লিখিত উত্তর পাঠ করে শোনানো হয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। তাকে প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ মুহূর্তে স্পর্শকাতর সম্পর্ক চলছে কি না এবং পাকিস্তান এটির সুযোগ নিচ্ছে কি না। যা তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
জবাবে কীর্তি বর্ধন বলেন, “প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত গভীর ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সম্পর্ক; এমনকি আমাদের সামাজিক বন্ধনও অভিন্ন। আমাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় নিয়মিত বিভিন্ন বৈঠক ও পারস্পরিক মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।” পাকিস্তান কোনো সুযোগ নিচ্ছে কি না এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অন্য দেশগুলোর থেকে স্বাধীন।” এছাড়া বাংলাদেশের যেসব জায়গায় ভারতের জাতীয় স্বার্থ রয়েছে সেগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং স্বার্থগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তাকে আরেকটি প্রশ্ন করা হয়— বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে (কথিত) প্রকাশ্যে হত্যার ব্যাপারে ভারত সরকার কোনো আলোচনা করেছে কি না।
জবাবে তিনি বলেন, “ভারত ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকসহ সকল প্রাসঙ্গিক পরিবেশে উত্থাপন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই বিষয়টি তুলেছেন এবং গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সাথে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বিষয়টি আলোচনা করেছেন।” তাকে আলাদা অপর এক প্রশ্নে জিজ্ঞেস করা হয় ‘বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান জোটের’ বিষয়টি ভারত সরকার আমলে নিয়েছে কি না। কারণ এই দেশগুলোর সঙ্গেই ভারতের সবচেয়ে বেশি সীমানা রয়েছে। যদি এটি আমলে নেওয়া হয়েও থাকে তাহলে এ থেকে উদ্ভূত সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে সরকার কী করছে?
জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকার ভারতের নিরাপত্তা ও অর্থনীতি সংক্রান্ত স্বার্থের ওপর সার্বক্ষণিক নজর এবং এগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। যার মধ্যে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর বিষয়ও আছে।” ‘সবার আগে প্রতিবেশি’ এ নীতি অনুযায়ী ভারত সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া নিজস্ব নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ভারত সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সূত্র: এনডিটিভি

বিএনপি নিজেই জিতবে বিশ্বাস তার

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি নিজেই পর্যাপ্ত আসনে জিতবে বলে মন্তব্য করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচনের পর ঐক্য সরকার গঠনের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, “আমার রাজনৈতিক বিরোধী দলের সঙ্গে কীভাবে আমি ঐক্য সরকার গঠন করব। তাহলে বিরোধী দল কে হবে?” “আমি জানি না তারা কত আসনে জিতবে। যদি তারা বিরোধী দলের অবস্থানে থাকে। আমি তাদের ভালো বিরোধী দল হিসেবে আশা করব।” তারেক রহমানের সহযোগীরা জানিয়েছেন, তাদের বিশ্বাস এবারের নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হবে। সংসদে ৩০০ আসন থাকলেও বিএনপি তার নিজস্ব প্রার্থী দিয়েছে ২৯২টি আসনে। বাকিগুলো দেওয়া হয়েছে জোটের অন্যান্য দলগুলোকে।
তবে তারেক রহমান নিজে কোনো সংখ্যার কথা উল্লেখ করেননি। তিনি রয়টার্সকে শুধু বলেছেন “আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে আমরা সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসনে জয়ী হব।” দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে নির্বাচন শেষে জামায়াত মূলত ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। ২০২৪ সালে সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনের সময় দেশের তৈরি পোশাক খাত মূলত ব্যহত হয়েছে। সেটি থেকে উত্তরণের জন্য সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসন পেলে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠনের আগ্রহ দেখিয়েছে দলটি। জয়ী হলে ভারত থেকে চীনের দিকে ঝুঁকবেন? তারেক রহমানকে রয়টার্স প্রশ্ন করেছিল যদি তার দল জয়ী হয় তাহলে তারা ভারত থেকে চীনের দিকে ঝুঁকবেন কি না।
জবাবে তিনি বলেন, “যদি আমরা সরকারে থাকি, আমাদের তরুণদের চাকরি দিতে হবে। দেশে আমাদের ব্যবসা আনতে হবে যেন তাদের চাকরির সুযোগ তৈরি হয় এবং মানুষ ভালো জীবনযাপন করতে পারেন।” “তাই, বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে, যেসব প্রস্তাব আমাদের জনগণ ও দেশের জন্য উপযুক্ত হবে, আমরা তাদের সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব করব। আলাদা কোনো দেশের সঙ্গে নয়।” স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সন্তানদের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেবেন কি না এমন প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান বলেন, “যদি জনগণ কাউকে মেনে নেয়, যদি মানুষ তাদের স্বাগত জানায়। তাহলে যে কারও রাজনীতি করার সুযোগ আছে।” এছাড়া মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা যতক্ষণ নিশ্চিত না হবে ততক্ষণ তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তারেক। সূত্র: রয়টার্স

র‌্যাবের নতুন নাম স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
র‌্যাবের নতুন নাম স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স 

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

উপদেষ্টা আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনে কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ নাম পরিবর্তনের কথা জানান। উপদেষ্টা বলেন, র‌্যাবের পুনর্গঠনের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল হাফিজ (অব.) এর সভাপতিত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিলো। কমিটি র‌্যাবের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম “Special Intervention Force (SIF)” সুপারিশ করেছে যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন করেছেন। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রজ্ঞাপন জারি হলে এ ফোর্সটি নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে কাজ শুরু করবে। একইসঙ্গে বাহিনীটির পোশাকও পরিবর্তন করা হবে। তবে শুধু নাম ও পোশাক নয়, ফোর্সটির কার্যক্রমেও সংস্কার আনা হবে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে আজ বিকালে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের তেঁতুলঝোড়া কলেজ ভোটকেন্দ্রে “Electoral Management Exercise”-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপদেষ্টা বলেন, এ মহড়ার মাধ্যমে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ও সক্ষমতা সম্পর্কে জনগণ জানতে পারবে।

ব্রিফিংয়ে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালক (অপারেশন এন্ড প্ল্যান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আলী হায়দার সিদ্দিকী বলেন, ইলেকশন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে সশস্ত্র বাহিনী ১৯৯টি অস্ত্র ও ১,৯৭২টি গোলাবারুদ উদ্ধার এবং ১,৮০৭ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি জানান, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনীর ১ লক্ষ ৬ হাজার ২২৩ জন সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এ পর্যন্ত পুলিশ ও র‌্যাবের খোয়া যাওয়া অস্ত্র থেকে ৪,৪৩২টি অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে; আর কারা কর্তৃপক্ষের হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র থেকে ৬৫টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে; লাইসেন্সকৃত অস্ত্র উদ্ধার করেছে ৩২৮টি এবং বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ২,৯০৬টি মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনী সর্বমোট ৭,৭৩১টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালক (অপারেশন এন্ড প্ল্যান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আলী হায়দার সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।