খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে যুবক-যুবতী আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
শাহরাস্তিতে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে যুবক-যুবতী আটক

প্রেম-ঘৃণা, বৈধ-অবৈধ—এসব বিতর্ক ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ল হাতেনাতে। শাহরাস্তি উপজেলার সূচীপাড়ার বাইল্লাতলী গ্রামের একটি বাড়িতে রাত দশটার দিকে স্থানীয়রা ‘অসামাজিক’ অবস্থায় আটক করেন এক যুবক ও এক যুবতীকে। তারপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ একটি ফোন। আর তাতেই যেন বাজ পড়ে যায় এলাকায়। শাহরাস্তি মডেল থানার পুলিশ ছুটে এসে তাদের জালে তোলে।
গত রোববার (১৯ এপ্রিল) রাত সোয়া দশটায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই আল আমীন ভূঁইয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন, উত্তেজিত স্থানীয়রা ঘেরাও করে রেখেছেন আব্দুল্লাহ আল ফারাবি (২২) ও বিবি মরিয়ম মীম (২২) নামের দুই যুবক-যুবতীকে। তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের নাম-ঠিকানা বললেও বৈধ বিবাহের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আব্দুল্লাহ শাহরাস্তির নিজমেহার গ্রামের বাসিন্দা, আর মরিয়ম কচুয়ার বিষ্ণপুরের। বর্তমানে তিনি বাইল্লাতলীর সৈয়দ আহম্মদের বাড়িতে পালক মা নাসিমা বেগমের সঙ্গে থাকতেন। অভিযোগ, সেখানে তাঁরাই ছিলেন এই ঘটনার মূল কেন্দ্র। এসআই আল আমীন ভূঁইয়া জানান, ‘তাদের কথাবার্তা ও আচরণে অসামাজিক কার্যকলাপের স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল। আইনি কাগজ না থাকায় ওসি স্যারের নির্দেশে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এই ‘অভিযান’ সফল হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে বলে দাবি স্থানীয়দের। কেউ কেউ বলছেন, ‘এমন ঘটনা এলাকার সামাজিক বন্ধন নষ্ট করে। তাই দ্রুত আইনের হাতে তুলে দেওয়া ভালো।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান জানান, ‘৯৯৯–এর মতো জরুরি সেবাকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষ সাহস করে অসামাজিক কার্যকলামূলক ঘটনার খবর দিতে পারেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। বৈধতার কোনো প্রমাণ না পেয়ে আমরা তাঁদের আদালতে সোপর্দ করেছি।’
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃতদের চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। শাহরাস্তির এই ঘটনা আবারও আলোড়ন ফেললেও প্রশ্ন থেকেই যায়—কোনটা প্রেম আর কোনটা অপরাধ? উত্তরের ভার রইল আদালতের কাঁধে।

টার্নওভার ট্যাক্স বৃদ্ধি : রাজস্বের চাপ নাকি বিনিয়োগের ঝুঁকি?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
টার্নওভার ট্যাক্স বৃদ্ধি : রাজস্বের চাপ নাকি বিনিয়োগের ঝুঁকি?

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী বাজেটে টার্নওভার ট্যাক্স (ন্যূনতম কর) এক শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করতে যাচ্ছে। এনবিআর চেয়ারম্যানের বক্তব্যে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিশেষ করে আইএমএফের চাপ এবং রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের তাগিদে সরকার এই পথে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন ওঠে-টার্নওভার ট্যাক্স বাড়ানো কি সত্যিই একটি কার্যকর সমাধান,নাকি এটি বিনিয়োগ ও ব্যবসার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করবে? প্রথমেই একটি মৌলিক বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন। টার্নওভার ট্যাক্স লাভের ওপর নয়, বরং মোট বিক্রয়ের ওপর আরোপিত হয়। ফলে একটি ব্যবসা লাভে থাকুক বা লোকসানে-এই কর তাকে পরিশোধ করতেই হয়। বাস্তবে এটি বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য একটি কঠিন বাস্তবতা তৈরি করে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ এসএমই খাতে নিট মুনাফা সাধারণত ৫-৬ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সেখানে ২.৫ শতাংশ টার্নওভার ট্যাক্স কার্যকর হলে, তা অনেক ক্ষেত্রে মুনাফার বড়ো অংশ শোষণ করে নিতে পারে। এতে করে উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার সক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। একটি ব্যবসা শুরু হওয়ার পর প্রথম কয়েক বছর সাধারণত স্থিতিশীল লাভে পৌঁছাতে সময় লাগে। সেই সময়েও যদি বিক্রয়ের ওপর কর পরিশোধ করতে হয়, তাহলে তা নগদ প্রবাহের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে পারে। এছাড়া এই কর বৃদ্ধির প্রভাব ভোক্তা পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে। ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত করের বোঝা পণ্যের দামে সমন্বয় করার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে যে-সব খাতে মুনাফার মার্জিন কম, যেমন পাইকারি ও ডিস্ট্রিবিউশন খাতেও এর প্রভাব দ্রুত দেখা দিতে পারে।
করনীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাস্তবতা ও গ্রহণযোগ্যতা। করহার যদি ব্যবসার সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়,তাহলে কর ফাঁকি বা অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির প্রসারের ঝুঁকি বাড়ে। এতে করে দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যই ব্যাহত হতে পারে। এখানে একটি ভারসাম্য প্রয়োজন। সরকার রাজস্ব বাড়াতে চায়। এটি স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয়। কিন্তু একই সঙ্গে ব্যবসার পরিবেশ ও বিনিয়োগ প্রবাহ ধরে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই দুইয়ের মধ্যে সঠিক সমন্বয়ই একটি টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করে। নীতিগতভাবে,করের হার বাড়ানোর চেয়ে করের আওতা বৃদ্ধি,ডিজিটালাইজেশন এবং কর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সহজীকরণ-এই দিকগুলোতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। এতে করে রাজস্বও বাড়বে,আবার ব্যবসার ওপর অতিরিক্ত চাপও তৈরি হবে না। টার্নওভার ট্যাক্স বৃদ্ধি একটি সহজ নীতিগত পদক্ষেপ মনে হতে পারে, কিন্তু এর প্রভাব বহুমাত্রিক। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যবসায়ীদের বাস্তবতা,বিনিয়োগের পরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব-সবকিছু বিবেচনায় নেওয়াই হবে বিচক্ষণতার পরিচয়।

বিষ্ণপুরবাসীকে প্রকৃত সেবা দিতে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাই : এনাম চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
বিষ্ণপুরবাসীকে প্রকৃত সেবা দিতে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাই : এনাম চৌধুরী

চাঁদপুর জেলার ১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব গোলাম ইয়াজদানী চৌধুরী (এনাম)। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এই সদালাপী মানুষটি এবার সরাসরি জনপ্রতিনিধি হয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। মনোহরখাদী চৌধুরী বাড়ির কৃতী সন্তান এনাম চৌধুরী একটি রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত পরিবারের উত্তরসূরি। তার পিতা গোলাম জিলানী চৌধুরী এবং মাতা সালেহা চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি নিজেও জনসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী (দুইবার), গোলাম মাওলা চৌধুরী মানিক মিয়া (ছয়বার) এবং গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী (একবার) বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যকে সামনে রেখে এনাম চৌধুরীও নিজেকে জনগণের সেবায় নিয়োজিত করতে চান।
একান্ত সাক্ষাাতে এনাম চৌধুরী বলেন, আমি এনাম চৌধুরী ১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য আগ্রহী। মূলত জনগণের আহ্বান, ভালোবাসা এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিনের অভাব-অভিযোগ আমাকে এ সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। তিনি জানান, শুরুতে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু গত প্রায় ১৫ বছরে ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়ায় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দেখে তার মধ্যে দায়িত্ববোধ সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, আমাদের ইউনিয়নের অনেক অবহেলিত মানুষ রয়েছে, যারা এখনো মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত। তাদের জন্য কিছু করতে হলে একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, আর সেটি হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ।
এনাম চৌধুরী আরও বলেন, তাদের পরিবার দীর্ঘ ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে এই ইউনিয়নের মানুষের পাশে ছিল। এখনও তারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। ফলে ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে তাদের একটি গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, সেই আস্থা ও ভালোবাসা তার নির্বাচনী যাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে তিনি জানান, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন নিবেদিত কর্মী। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় তিনি নির্দলীয়ভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। যদিও দলের নেতাকর্মীদের সমর্থন তিনি পাবেন বলে আশাবাদী। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান যুবদল সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক তার শৈশবের বন্ধু এবং ১৯৯১ সালে ছাত্রদলের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এনাম চৌধুরী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আমি শুধুমাত্র পরিচিতি লাভের জন্য নির্বাচন করতে চাই না। আমি নির্বাচিত হওয়ার জন্যই মাঠে নামতে চাই। কারণ এই ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি মানুষ আমাকে ও আমার পরিবারকে চেনে। তিনি জানান, এর আগে তিনি সরাসরি কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি, তবে ১৯৯১ সাল থেকে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে পরিচালনা কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও জনসংযোগ সম্পর্কে তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্বাচনী পরিকল্পনা সম্পর্কে এনাম চৌধুরী বলেন, তার লক্ষ্য একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও স্বনির্ভর ইউনিয়ন গড়ে তোলা। তিনি মনে করেন, উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই প্রকৃত উন্নয়ন। তিনি বলেন, আমাদের ইউনিয়নে উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন—এসব ক্ষেত্রেই কাজ করতে চাই।
সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের পরিবার সবসময়ই বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। ইতোমধ্যে তিনি ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের মতামত নিচ্ছেন। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেবে। আমরা চাই, জনগণের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রতিফলিত হোক। ভোটারদের উদ্দেশ্যে এনাম চৌধুরী বলেন, আমাদের ইউনিয়ন শুধু একটি প্রশাসনিক এলাকা নয়—এটি আমাদের পরিচয়, আমাদের ভবিষ্যৎ। এই উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদের সবার। আমি একা কিছু করতে পারবো না, তবে সবার সহযোগিতা পেলে অবশ্যই একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে পারবো।
তিনি দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, একটি সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য এই দুটি বিষয়কে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এ জন্য তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। এনাম চৌধুরী আরও বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, সততার সঙ্গে কাজ করি, তাহলে কোনো বাধাই আমাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। আমি চাই, আমাদের সন্তানরা একটি নিরাপদ, শিক্ষিত ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠুক।
নিজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিতে তিনি জানান, তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে ঢাকায় একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে সিনিয়র ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন, যেখানে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি নিজস্ব একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। সর্বশেষে তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। আমরা সবাই মিলে এমন একটি বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলবো, যা হবে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনাম চৌধুরীর পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা তাকে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। তবে নির্বাচনের মাঠে অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেমন হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সবমিলিয়ে, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এনাম চৌধুরীর নাম আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসায় নির্বাচনটি যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে, তা বলাই যায়।

হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত সহস্রাধিক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত সহস্রাধিক

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হামজনিত কারণে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাকি ৮ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১১০৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে এবং ১৭৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯ শিশুর মধ্যে ৬ জনই ঢাকা বিভাগের। এতে বোঝা যাচ্ছে রাজধানীতে সংক্রমণের হার ও তীব্রতা সবথেকে বেশি। গত এক মাসে মোট ১৮,২৩১ জন শিশু উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছে, যার মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৯,৩০৪ জন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাব ক্রমান্বয়ে জটিল আকার ধারণ করছে। বিশেষ করে উপসর্গ নিয়ে
শিশুদের শরীরে জ্বর ও লালচে দানা দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগের বাসিন্দাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।