খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চাঁদপুুরে হিজড়া সেজে দেলোয়ারের ১৩ বছর প্রতারণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
চাঁদপুুরে হিজড়া সেজে দেলোয়ারের ১৩ বছর প্রতারণা

কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। দীর্ঘ ১৩ বছর যাবৎ হিজড়া সেজে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে আসছে। বাচনভঙ্গিতে হিজড়াদের সাথে তাল মিলিয়ে সুকৌশলে হিজড়া জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যায় দেলোয়ার হোসেন। শুরুর দিকে দেলোয়ার হোসেন কুমিল্লা, লাকসাম ও নাথেরপেটুয়ায় হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। এরপর পরিচয় হয় চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়নার সাথে। দেলোয়ার হোসেন তার ছদ্মনাম সুমি হিসেবে সর্দার রাণী ময়নার সাথে শাহরাস্তিতে চলে আসেন।
দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ সে হিজড়াদের সাথে বসবাস করে আসছে। বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) সকালে দেলোয়ারের খোঁজে শাহরাস্তিতে দুসন্তান নিয়ে হাজির হন তার স্ত্রী নাছিমা বেগম। নাছিমা দাবি করেন, আপনারা যাকে সুমি হিজড়া হিসেবে চিনেন তিনি আমার স্বামী দেলোয়ার হোসেন। সে বর্তমানে আমাদের কোনো খোঁজ খবর রাখে না, তিন সন্তান নিয়ে আমি খুব বিপদে রয়েছি, তাই তার সন্ধান পেয়ে এখানে চলে এসেছি। উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে কয়েকজন হিজড়া। স্ত্রী নাছিমা বেগমর উপস্থিতি টের পেয়ে দেলোয়ার হোসেন পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়না জানান, সে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। ৭ বছর পূর্বে আমার সাথে পরিচয় হলে আমি তাকে শাহরাস্তিতে নিয়ে আসি। আমি তাকে সুমি হিজড়া হিসেবে চিনি। স্থানীয় এলাকাবাসী প্রতারক দেলোয়ারের শাস্তি দাবি করেন।

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একদিনের সফরে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শবিবার (১৬ মে) সকালে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে চাঁদপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সফরসূচি অনুযায়ী, চাঁদপুরে যাওয়ার পথে বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার বরুড়ার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত পথ সভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন।
এরপর দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুগী গ্রামের ঘোষের হাট সংলগ্ন বিশ্ব খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং তা উদ্বোধন করবেন। দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বিকেল সাড়ে ৩টায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। বিকেল ৫টায় প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর ক্লাবে আয়োজিত জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার মধ্য দিয়ে এ সফর শেষ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সর্বশেষ ২০১২ সালে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চাঁদপুর সফর করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ বিরতির পর দলের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমান এ জেলা সফর করলেন।

হামে আক্রান্ত শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
হামে আক্রান্ত শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের টিকা নিয়ে কোথায় কী ভুল হয়েছে তা খুঁজে বের করার আগে মানুষের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, হামের টিকা নিয়ে কে দোষ করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টিকাদান ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা নিয়ে তদন্ত করার বিষয়টি পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। এই সংকট মোকাবিলার পর সরকার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও, সরকার এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই টিকাদান শেষ হয়েছে। বাকি শিশুদেরকেও টিকার আওতায় আনা হবে। এছাড়া, আগামী জুনের মধ্যে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। মন্ত্রী বলেন, আমরা অ্যান্টির‌্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবে না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাব। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেব। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। অনুষ্ঠানে সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা এবং ইপিআই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সরকারকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান হিসেবে দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন।

২৭তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন আরও ৯৬ জন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
২৭তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পেলেন আরও ৯৬ জন

দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই ও অপেক্ষার পর ২৭তম বিসিএসের আরও ৯৬ নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১৩ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৮ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্ধারিত দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ওই তারিখের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে অন্য কোনো নির্দেশনা না এলে ১৮ মে থেকেই তাদের যোগদান কার্যকর হবে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে তা চাকরিতে অনাগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং নিয়োগ আদেশ বাতিল হয়ে যাবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা রক্ষার জন্য তাদের নিয়োগ কার্যকর ধরা হবে ওই ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে। অর্থাৎ, ধারণাগতভাবে তারা ব্যাচের অন্য কর্মকর্তাদের সমপর্যায়ের জ্যেষ্ঠতা পাবেন। তবে এই সুবিধার বিপরীতে কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা বা বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে না। ২৭তম বিসিএসকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই আইনি জটিলতা চলছিল। প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হলেও ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সেই ফল বাতিল করে পুনরায় মৌখিক পরীক্ষা নেয়।
পরে প্রথম ভাইভার ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হন। ২০০৮ সালে হাইকোর্ট ফল বাতিলকে বৈধ ঘোষণা করলেও পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বিষয়টি গড়ায়। অবশেষে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ ১ হাজার ১৩৭ জন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীকে চাকরিতে নিয়োগের নির্দেশ দেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ৬৭৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এবার আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়ার নতুন অগ্রগতি হলো।