খুঁজুন
                               
, ,

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ
জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে স্থায়ী রূপ দিতে বড় পদক্ষেপে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। বিশেষ করে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ‘জুলাইযোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা বা ইনডেমনিটি প্রদান এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক নামকরণ পরিবর্তনের বিষয়টি এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে প্রবেশ করার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এই আন্দোলনে যারা বীরত্বের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন, তাদের জন্য যে ‘ইনডেমনিটি’ বা দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা সরকার গ্রহণ করবে। আমরা তাদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবেই অভিহিত করব।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে সালাহ উদ্দিন আহমদ জানান, সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলোর চূড়ান্ত সুরাহা করতে হবে। আমাদের হাতে থাকা সময় থেকে ইতোমধ্যে ১৫ দিন পার হয়ে গেছে। বাকি ১৫ দিনের মধ্যেই আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেব। বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক নামকরণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণের দাবির মুখে বিতর্কিত সব নামকরণ পরিবর্তনের বিষয়টি আজকের আলোচনার অন্যতম প্রধান অ্যাজেন্ডা। প্রতিটি ক্ষেত্রে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির মো. মুজিবুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের জন-আকাঙ্ক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোকে জামায়াত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে। তবে যদি কোনো অধ্যাদেশ সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বা জনস্বার্থ পরিপন্থি হয়, তবে সে বিষয়ে আমরা আমাদের জোরালো মতামত তুলে ধরব। সংসদ ভবনে চলমান এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আজকের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বড় কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসতে পারে।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।