খুঁজুন
                               
, ,

বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতার আশঙ্কায় ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সব ধরনের ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ভ্রমণ সতর্কতায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। দেশজুড়ে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বাড়বে। এ সময় বড় ধরনের জনসমাগম, নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি এবং যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় বিকল্প পরিকল্পনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মতো দুর্গম এলাকাগুলোতে ঝুঁকি বেশি থাকায় অতিজরুরি প্রয়োজন ছাড়া এসব এলাকায় ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যেসব এলাকায় ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে, সেখানে জরুরি অবস্থায় যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষে সহায়তা দেওয়া কঠিন হতে পারে।
এফসিডিও সতর্ক করে বলেছে, সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে কোনো নাগরিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ করলে তাদের ভ্রমণ বীমা বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া নারী, প্রতিবন্ধী ও একা ভ্রমণকারীদের জন্য আলাদা সাধারণ নিরাপত্তা নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশে অবস্থানকালে ই-মেইল অ্যালার্টের মাধ্যমে নিয়মিত পরিস্থিতির হালানাগাদ তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সন্ত্রাসী হামলা ও সহিংসতার শঙ্কা
বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কার কথা বলেছে এফসিডিও। সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো তৎপর রয়েছে। তারা যে কোনো সময় হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে। বিশেষ করে রেস্তোরাঁ, গণপরিবহন, ভিড় এলাকা, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশগুলোতে এ ধরনের হামলার ঝুঁকি বেশি। ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং ইসলামবিরোধী হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। এ অবস্থায় বড় ধরনের জনসমাগম এড়িয়ে চলতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিষয়ে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।