খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত বিএনপির প্রচারণায় পাবে নতুনত্ব লন্ডন যাওয়ার হিড়িক

একটি ফোন কলের অপেক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
একটি ফোন কলের অপেক্ষা

ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করে চলেছে বিএনপি। ইতোমধ্যে ২০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাকি ১০০ আসনের মধ্যে অর্ধশত আসন যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের ছাড় দেওয়া হবে। বাকি ৫০টি আসনে একাধিক প্রার্থী থাকায় যাচাইবাছাই চলছে। এসব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে প্রতিদিন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৈঠক করে চলেছেন। এদিকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে অনেকে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলেছেন। অনেকে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ লাভের জন্য লন্ডন যাচ্ছেন। তবে তিনি কাউকে সাক্ষাৎ দিচ্ছেন না। তারেক রহমান নিজেই ফোন করে প্রার্থী মনোনয়নের সংকেত দিচ্ছেন। এ অবস্থায় যাঁরা এখনো সবুজসংকেত পাননি তাঁরা তারেক রহমানের ফোনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
২০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত : জাতীয় নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই মাঠে সক্রিয় হচ্ছে বিএনপি। ইতোমধ্যে দুই শতাধিক আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের ফোন করে নির্বাচনি প্রস্তুতির নির্দেশ দিচ্ছেন। দলটির গুলশান কার্যালয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক। সেসব বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছেন তারেক রহমান। জেলাভিত্তিক এই বৈঠকগুলোর ফলাফল অনুযায়ী এখন একেকটি আসনে একজন করে প্রার্থীকে বাছাই করা হচ্ছে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার ও দলীয় মূল্যায়নের পর নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ ৩০০ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে জোটগত সমঝোতার কারণে অন্তত ৫০টি আসনে পরিবর্তন আনা হতে পারে। মাঠ থেকে শুরু করে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতাদের মতামত নিয়ে প্রার্থী তালিকা তৈরি করছেন তারেক রহমান। চলতি মাসের মধ্যে ২০০ প্রার্থীকেই মৌখিকভাবে সবুজসংকেত দেওয়া হবে। মিত্র বা সমমনা রাজনৈতিক দল এবং নিজের দলের জটিল কিছু আসনের প্রার্থিতা নিষ্পত্তির জন্য ১০০ আসন বাদ রেখে সবুজসংকেত প্রদানের জন্য এই তালিকা করছেন।
সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগরের ১৫টি আসনের মধ্যে কয়েকটি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-৪ আসনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবীন, ঢাকা-৫ আসনে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা-৫ আসনের প্রধান সমন্বয়ক নবীউল্লাহ নবী, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১৩ আসনে সমমনা দল এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৬ আসনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, ঢাকা-১৭ আসনে সমমনা দল বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে চূড়ান্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩ জেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন এবং বগুড়া-৫ আসনে সাবেক এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। সূত্র জানিয়েছে, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, নোয়াখালী-৩ বরকতউল্লা বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু, জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান, গাজীপুর-৫ ফজলুল হক মিলন, সিরাজগঞ্জ-৫ আমিরুল ইসলাম খান, নেত্রকোনা-৪ লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অনেকেই পার্টির পক্ষ থেকে সবুজসংকেত পেয়ে নির্বাচনি মাঠে কাজ করে চলেছেন। জানতে চাইলে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, ‘নড়াইল-২ আসনে ২০১৮ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলাম। এবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন এই আসন থেকে আমাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন।’ ড. ফরহাদ বলেন, ‘এজন্য পুরোদমে নির্বাচনি এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি।’ আরেক শরিক দল বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান জানান, তিনি শতভাগ আশাবাদী ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপি তাকে মূল্যায়ন করবে।
প্রচারে আসছে নতুন মাত্রা : আগামী নির্বাচন সামনে রেখে প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে বিএনপি। দলটি এবার মাঠের পাশাপাশি ডিজিটাল দুনিয়াতেও সমানভাবে সক্রিয় হতে চায়। সে লক্ষ্যেই গঠন করা হচ্ছে নতুন একটি অনলাইন ও তৃণমূলভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ গ্রাসরুটস নেটওয়ার্ক-বিজিএন।
এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিএনপি তাদের তৃণমূলের শক্তিকে সুসংগঠিত করবে এবং অনলাইন প্রচারকে আরও জোরদার করবে। একই সঙ্গে অপপ্রচার মোকাবিলায় কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। বিজিএন গঠনের প্রস্তাব এরই মধ্যে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার পর অনুমোদিত হয়েছে। দলটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ১৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। প্রত্যেক কেন্দ্রীয় নেতা ২০টি আসনের সমন্বয় করবেন। বিজিএন-এর অধীনে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে দুজন করে ৬০০ জন স্নাতক পাস অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নিয়োগ দেওয়া হবে। এই অ্যাক্টিভিস্টরা সরাসরি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করবেন এবং নিয়মিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। বিজিএন স্থায়ী কমিটিতে নিয়মিত রিপোর্ট জমা দেবে, যা দলের নীতিনির্ধারণী আলোচনায় ব্যবহৃত হবে। এরই মধ্যে সম্ভাব্য অ্যাক্টিভিস্টদের সংক্ষিপ্ত আত্মজীবনী জমা পড়েছে এবং সেখান থেকে যাচাইবাছাইয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
লন্ডন যাওয়ার হিড়িক : গত কয়েক মাসে মনোনয়ন লবিং-তদবিরের অংশ হিসেবে বিএনপির দলীয় এবং যুগপৎ আন্দোলনের নেতারা তারেক রহমানের সাক্ষাৎ লাভের জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডন সফর করেছেন। তবে বেশির ভাগই সাক্ষাৎ পাননি। দলীয় নেতা থেকে শুরু করে সমমনা দল ও জোটের নেতা, বুদ্ধিজীবী সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নেতাও ভিড় করছেন সেখানে। দলের হাইকমান্ড তথা প্রিয় নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে অন্তত কয়েক মুহূর্তের জন্য হলেও সাক্ষাতের একটা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা। তবে অনেককে বিফল মনোরথে লন্ডন থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। তবে অনেক চেষ্টার পর শেষ পর্যন্ত যেসব সৌভাগ্যবান ব্যক্তি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন তাঁরা উৎফুল্ল মনে ঢাকায় ফিরছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টও করছেন কেউ কেউ।
আজ ইসিতে চিঠি দেবে বিএনপি : আজ রবিবার নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেবে বিএনপি। ‘জোটবদ্ধ হলেও নিজেদের দলীয় প্রতীকেই নির্বাচন করতে হবে’- নির্বাচন সংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনীর এ অংশের পরিবর্তন চেয়ে ইসিতে এ চিঠি পাঠাবে দলটি। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য গত রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আরপিওর ২১ ধারায় কোনো নিবন্ধিত দল জোটভুক্ত হলে জোটের যে কোনো দলের প্রতীকে নির্বাচন করার স্বাধীনতা ছিল।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।