খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ডাকসু নির্বাচন ২১ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, মবের আশঙ্কা ছাত্রদলের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
ডাকসু নির্বাচন ২১ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, মবের আশঙ্কা ছাত্রদলের

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের আমেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাড়িয়ে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। মোট ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ইশতেহার অনুযায়ী আজ বিকাল ৪টায় প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার কথা রয়েছে। আচরণবিধি মেনে প্রার্থীরা আজ থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। তবে প্রচারণায় মবের আশঙ্কা করছে ছাত্রদল।
ডাকসু নির্বাচনের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচটি ছাত্রী হলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৮টি হল রয়েছে, যেখানে ১৩ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। হলসংসদ নির্বাচনে হলগুলোতে ছাত্রদল ছাড়া বাকি কোনো সংগঠন প্যানেল দেয়নি। আর সব হলে প্যানেল দিলেও ১৪টি হলে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পেরেছে ছাত্রদল। তবে ছাত্রীদের পাঁচটি হলের মধ্যে শুধু রোকেয়া হলে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল রয়েছে। এছাড়া কবি সুফিয়া কামাল হলে ৯টি পদে, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলে তিনটি পদে, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ছয়টি পদে ও শামসুন নাহার হল সংসদে পাঁচটি পদে প্রার্থী দিয়েছে ছাত্রদল। তবে এই চার হলের ভিপি ও জিএস পদে ছাত্রদলের প্রার্থী আছে।
হলগুলোতে প্যানেল দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক ও ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের ইত্তেফাককে বলেন, হল পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতির রূপরেখা কেমন হবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সুরাহা হয়নি। অনেক শিক্ষার্থীই আবার হল পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতি চায় না। সবকিছু মিলিয়ে আমরা হলগুলোতে প্যানেল ঘোষণা করিনি। তবে হলগুলোতে আমাদের কর্মী রয়েছে। যারা নির্বাচনে দাঁড়ানোর ইচ্ছে করেছে, আমরা তাদের সমর্থন দিয়েছি।
ইসলামি ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন খান বলেন, হলগুলোতে আমাদের কোনো প্যানেল নেই। আমাদের কর্মীরা যারা হলগুলোতে রয়েছে এবং নির্বাচনের অংশগ্রহণ করছে, তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। তারা সেখানে তাদের সুবিধা অনুসারে নির্বাচনি প্রচারণা করছেন।
এদিকে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেলের ভিপি (সহসভাপতি) প্রার্থী আবিদুল ইসলাম বলেন, গুপ্ত সংগঠনগুলো জোনভিত্তিক ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। প্রচারণার সময় আমাদের ওপর গুপ্ত সংগঠন কর্তৃক মবেরও আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির নারীদের নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে। গতকাল বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ অভিযোগ করেন তিনি।
আবিদুল ইসলাম বলেন, যদি লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে চান তাহলে প্রশাসনের অবশ্যই এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্রে মূল যে উদ্দেশ্য ছিল, সেখানে লেখা ছিল, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাকে লালন করা‌ই ডাকসুর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। ৫ আগস্ট পরবর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে শুধুমাত্র রাজাকার শব্দটা কারা জেনারালাইজেশন করার চেষ্টা করেছিল‌, কারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে রাজাকারদের ছবি টানিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করার চেষ্টা করেছে, কারা ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তাদের ম্যাগাজিনে মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করার চেষ্টা করেছে, কারা বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানকে একজন প্লেন হাইজ্যাকার বলেছে, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কারা আমাদের জাতীয় সংগীতকে অবমাননা করেছে তা সবাই জানে।
এদিকে, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আপিল নিষ্পত্তি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত ট্রাইব্যুনাল কমিটির গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখের সভায় জুলিয়াস সিজার তালুকদার ও বায়েজিদ বোস্তামীকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে ভোটার ও প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।