খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২

আজ ভাষা সৈনিক ডাঃ এমএ গফুরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
আজ ভাষা সৈনিক ডাঃ এমএ গফুরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী

চাঁদপুরের কিংবদন্তীতুল্য নিভৃতচারী সমাজসেবক, সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, চাঁদপুর ডায়াবেটিক ও মাজহারুল হক বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ভাষা সৈনিক আলহাজ্ব ডাঃ এমএ গফুরের আজ ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। উল্লেখ্য, মরহুম ডাঃ এম এ গফুর ২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট ভোর ৪টার সময় ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে, ১ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। এ উপলক্ষে আজ ২৩ আগস্ট বাদ জোহর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগে চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের এবাদতখানায় মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
ডাঃ এমএ গফুরের পরিচিতি : চাঁদপুরবাসীর সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব ডাঃ এমএ গফুর। নিঃস্বার্থ এই সমাজসেবক পেশায় ছিলেন একজন চিকিৎসক। একাধারে তিনি ছিলেন সমাজসেবক, সমাজকর্মী ও দক্ষ সংগঠক। একজন প্রতিথযশা চিকিৎসক ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে তিনি চাঁদপুর জেলায় স্বাস্থ্যখাত ও সামাজিক খাতে উন্নয়নের জন্যে বিভিন্ন জনহিতকর প্রতিষ্ঠান, সংগঠন প্রতিষ্ঠায় অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে চাঁদপুরে বহু সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই প্রতিষ্ঠাগুলো এখনও আর্তমানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এসব জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের সাথে জীবনের দীর্ঘ সময় জড়িত থেকে মানব সেবা করে দেশ ও বিদেশে প্রচুর প্রশংসা অর্জন করেছেন। তিনি ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যায়নের সময় ভাষা আন্দোলনে ভাষা সংগ্রামী হিসেবে এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর পৈত্রিক বাড়ি পাক হানাদার বাহিনী আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিলো। চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের জন্য তিনি ০.৩৮২৫ একর ভূ-সম্পত্তি দান করে গেছেন। যার উপরে বর্তমানে চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতাল ভবন অবস্থিত। প্রতিথযশা চিকিৎসক ও জনহিতৈষী ডাঃ এমএ গফুর ২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট ঢাকাস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত : আলহাজ্ব ডাঃ এমএ গফুর চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার চর কোড়ালিয়া গ্রামে ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম পিয়ার আলী সরকার ও মাতার নাম মরহুমা সৈয়দুন্নেছা। আলহাজ্ব ডাঃ এমএ গফুর চাঁদপুর গনি হাই স্কুল থেকে ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিক, ১৯৫০ সালে ঢাকা জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএসসি ও ১৯৫৬ সনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। একজন মেধাবী চিকিৎসক হিসেবে ১৯৬৫ সালে লন্ডন ও এডিনবার্গে স্নাতকোত্তর চিকিৎসাবিদ্যা ও রেডিওলজিতে অধ্যয়ন করেন। তাঁর স্ত্রী মরহুম অধ্যাপক মাহমুদা খাতুন ১৯৬৪-১৯৬৭ পর্যন্ত চাঁদপুর সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। সর্বশেষ ১৯৬৭-১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ডাঃ এমএ গফুর ১ কন্যা ও ২ পুত্র সন্তানের জনক। কন্যা মিসেস মাহফুজা হক অর্থনীতিতে এম.এ (ঢাবি)। জেষ্ঠ্য পুত্র অধ্যাপক ডাঃ শাকিল গফুর, এমবিবিএস, ডিটিসিডি, এমডি (কার্ডিওলজি) রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। কনিষ্ঠ পুত্র অধ্যাপক ড. শায়ের গফুর, পিএইচডি, এফআইএবি, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত।
সংক্ষিপ্ত সাংগঠনিক পরিচিত : ১। প্রতিষ্ঠাতা, দাতা ও আজীবন সদস্য : চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতি ২। অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক (১৯৮৭-২০১৫) : চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতি ৩। অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক (১৯৮২-২০১০) : মাজহারুল হক বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল, চাঁদপুর ৪। পরিচালনা পর্ষদ সদস্য (তিনবার) : বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস) ৫। প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও সভাপতি (১৯৭৬-৭৭) : চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ৬। প্রতিষ্ঠাতা : রোটারী দাতব্য চিকিৎসালয় ৭। প্রাক্তন সভাপতি : চাঁদপুর হার্ট ফাউন্ডেশন ৮। প্রাক্তন সভাপতি : বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ), চাঁদপুর ৯। প্রাক্তন সভাপতি : জাতীয় যক্ষা নিরোধ কমিটি (নাটাব), চাঁদপুর ১০। প্রাক্তন সভাপতি : আমরা ধুমপান না করি (আধুনিক), চাঁদপুর ১১। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য : বিএভিএস, চাঁদপুর ১২। সাবেক সভাপতি : বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, চাঁদপুর ১৩। প্রাক্তন উপদেষ্টা : জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি, চাঁদপুর ১৪। প্রাক্তন পরিচালনা কমিটির সদস্য : চাঁদপুর সরকারি কলেজ ১৫। প্রাক্তন পরিচালনা কমিটির সদস্য : চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ ১৬। প্রাক্তন পরিচালনা কমিটির সদস্য : চাঁদপুর ল’ কলেজ ১৭। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য : পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজ ১৮। প্রাক্তন সভাপতি : সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), চাঁদপুর ১৯। প্রাক্তন সভাপতি : জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, চাঁদপুর ২০। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য : চাঁদপুর ফাউন্ডেশন ২১। প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি : চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি ২২। প্রতিষ্ঠাতা : বাইতুল গাফ্ফার জামে মসজিদ, হাইমচর ২৩। প্রতিষ্ঠাতা : সৈয়দুন্নেছা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, হাইমচর ২৪। প্রাক্তন সভাপতি : চৌধুরী জামে মসজিদ, চাঁদপুর ২৫। প্রতিষ্ঠাতা ও স্বত্ত্বাধিকারী : পির্য়াস মেমোরিয়াল হাসপাতাল ২৬। পরিচালক : চাঁদপুর এক্স-রে ক্লিনিক।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।