খুঁজুন
                               
, ,

আমরা সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই : ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
আমরা সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই : ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, প্রতিটি ক্ষুধার্ত মানুষের সামনে খাবার, বস্ত্রহীনের বস্ত্র, অবৈতনিক শিক্ষা ও ন্যায্য বিচার প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে কল্যাণ রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জামায়াত একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র  গঠন করতে চায়। আমরা যদি ক্ষমতায় আসি তাহলে, অমুসলিমরা পূর্ণ নিরাপত্তা পাবে, তাদের সব অধিকার পরিপূর্ণভাবে ভোগ করবে, ইনশাআল্লাহ। দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা অনেক দলকেই তো দেখেছেন, আমাদের একটি সুযোগ দিন। শনিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলার নিজমেহার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন কালীবাড়ি মাঠে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপির উদ্দেশ্যে জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমরা সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে স্বাগত জানাই। আমরা সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে চাই। মিথ্যা তথ্য দিয়ে জামায়াতকে অসম্মানিত করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আমরা ২০ বছর বিএনপির সঙ্গে আন্দোলন করেছি। শুধু রাষ্ট্রের সংস্কার নয়, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও সংস্কার করতে হবে।

তিনি বলেন, আসুন আমরা জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলি, দেশকে গড়ে তুলি, আসুন সমালোচনার পর্যালোচনার মিথ্যাচারের প্রথা রাজনীতিতে পরিহার করি। আমাদের নিজেদের দলগুলোর ভেতরে যদি কোনও সংস্কারের প্রয়োজন হয়, আমরা সেখানেও সংস্কার করবো। আমরা জাতিকে নতুন স্বপ্ন দেখাবো, মানুষ যেন দেখে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগের প্রথা আর নেই। এক মহান বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা আমাদের ঘরে ঘরে, দলের অফিসে অফিসে একটি পজেটিভ সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে চাই।

শেখ হাসিনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ইতিহাস পুনরাবৃত্তি ঘটে, ইতিহাস কোনও জালেমকে ক্ষমা করে না, ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে না। আমরা পদত্যাগ চেয়েছি আর আল্লাহ দেশ ত্যাগ করিয়েছেন। বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতির চেয়ে পিআর পদ্ধতির নির্বাচনকে আমরা ভালো মনে করছি জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের ৬০ থেকে ৯০টি দেশে পিআর পদ্ধতি চালু রয়েছে। এখানে প্রত্যেকটি মানুষের মতকে বিবেচনা করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে বড় দল ও জনপ্রিয় এবং বুদ্ধিভিত্তিক ব্যক্তিরা সরকারে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসেন, কুমিল্লা মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চাঁদপুর জেলা আমির মাও. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চাঁদপুর জেলার সাবেক আমির মাও. আব্দুর রহিম পাটোয়ারী প্রমুখ।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।