খুঁজুন
                               
, ,

মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪ পাচ্ছেন তিন লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪ পাচ্ছেন তিন লেখক
শিল্প-সাহিত্যের সংগঠন সাহিত্য মঞ্চ, চাঁদপুর প্রবর্তিত ‘মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার- ২০২৪’ পাচ্ছেন এই সময়ের পাঠকপ্রিয় তিন লেখক। বাংলা সাহিত্যকর্মে তাদের প্রয়াসকে সম্মান জানিয়ে তিনটি শাখায় এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
আজ বুধবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন সাহিত্য মঞ্চের সভাপতি কবি ও অনুবাদক মাইনুল ইসলাম মানিক। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- কবি শাহ বুলবুল (কবিতায়), গল্পকার ও গবেষক নাহিদা নাহিদ (কথাসাহিত্যে) এবং প্রাবন্ধিক ও গবেষক  ড.শামস্ আলদীন (প্রবন্ধ ও গবেষণায়)।
এ প্রসঙ্গে সাহিত্য মঞ্চের সভাপতি মাইনুল ইসলাম মানিক বলেন, সাহিত্য বিষয়ক কার্যক্রমের পাশাপাশি চাঁদপুরের কৃতি সন্তান, সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের নামে সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করেছে শিল্প-সাহিত্যের সংগঠন সাহিত্য মঞ্চ। সাহিত্যে বিশেষ প্রয়াসের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সাল থেকে আমরা এ পুরস্কারটি প্রদান করে আসছি। ইতোমধ্যে প্রখ্যাত লেখক জাহিদ হায়দার, মাসুদুজ্জামান, প্রশান্ত মৃধা, ফারুক হোসেন, সরকার আবদুল মান্নান, নাসিমা আনিস, আহমেদ রিয়াজ, শেখ ফিরোজ আহমদ, মনসুর আজিজ, প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন (মরনোত্তর) এবং সংগঠক হিসেবে কাজী শাহাদাত ও ইলিয়াস ফারুকী এ পুরস্কার লাভ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ তিনটি শাখায় ‘মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার- ২০২৪’ ঘোষণা করা হলো। তিন গুণী লেখক ও সংগঠককে সম্মান জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গৌরববোধ করছি।
সাহিত্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আশিক বিন রহিম বলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আমরা ২০২৩ সালের পুরস্কারটি যথাসময়ে লেখকদের হাতে তুলে দিতে পারেনি। সাহিত্য মঞ্চের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫ শুক্রবার চাঁদপুর সাহিত্য সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে। চাঁদপুর সাহিত্য সম্মেলনে ২০২৩ এবং ২৪ সালের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত সম্মানিত লেখকের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা হলেও রাষ্ট্রীয় অস্থিতিশীলতার কারণে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকগণের হাতে তা তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। ২০২৩ সালের পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকগণ হলেন- কবি মাহমুদ কামাল ও জুনান নাশিত (কবিতায়), কথাসাহিত্যিক রুমা মোদক (কথাসাহিত্যে) এবং প্রাবন্ধিক ও গবেষক সুমনকুমার দাশ (প্রবন্ধ ও গবেষণায়)।
এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক নাহিদা নাহিদ একজন গল্পকার ও গবেষক। জন্ম ৫ জুলাই, চাঁদপুরে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ চারটি—অলকার ফুল [২০১৭], যূথচারী আঁধারের গল্প [২০১৮], পুরুষপাঠ [২০১৯] ও বহু বসন্তের দাগ [২০২৩]। তিনি যূথচারী আঁধারের গল্প গ্রন্থটির জন্য কথাসাহিত্য বিভাগে ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০১৮’ এবং পুরুষপাঠ গ্রন্থটির জন্য নবীন সাহিত্যশ্রেণিতে ‘এক্সিম ব্যাংক অন্যদিন হুমায়ূন আমাহমেদ সাহিত্য পুরস্কার ২০২০’ অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
কবি শাহ বুলবুলের জন্ম ১৯৭৯ সালে চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলায়। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকর্মে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। কবিতার পাশাপাশি সম্পাদনা, সমসাময়িক বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণ, আলোচনা-সমালোচনা, শিক্ষা ও সংস্কৃতির মতো বিষয়গুলোতে তিনি লিখছেন শস্যকামী কৃষকের মতো। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নির্বাসনে যাবার আগে’ ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। বিপ্লবী ক্ষুদিরামকে নিয়ে ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয় ‘ক্ষুদিরামের কথা’ বইটি। বিপ্লবী আর্নেস্ত চে গুয়েভারাকে নিয়ে ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় ‘মৃত্যুহীন গেরিলা’। সাত্তারটি কবিতা নিয়ে তার সর্বশেষ প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘মৃত্যু ও নির্বাসন’।
প্রাবন্ধিক ও গবেষক ড. শামস্ আলদীনের জন্ম ১৯৮২ সালে মেহেরপুর জেলার মল্লিকপাড়ায়। ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ২৫টি।

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আগামী ৩ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে এনবিআরের এই কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক একাধিক রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
দুই দিনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে অস্থিরতার সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি না মেনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া, কোথাও কাজ না করে এবং কোথাও নামমাত্র কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে ২১টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটোয়ারী অপসারণের এক দিন আগে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ১৭টি চেক ইস্যু করে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট চারটি প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য রয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যে দুই দিনের উত্তোলনের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বলা হয়েছে।
নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনায় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া এবং কিছু প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ ও বিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানতেন না।
১৮ আগস্ট ইস্যু করা চেকগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের আত্মীয় ঠিকাদার শেখ নজরুল ইসলামের নামে সাতটি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিল দেওয়ার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাবুরহাট মার্কেটের সাইট প্রস্তুত ও বালু ভরাটের দুটি কাজের বিপরীতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ গাড়ি বালু ফেলা হয়েছিল এবং পুরো জায়গা ভরাট হয়নি। শেখ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যে কাজ করেছেন শুধু সেই কাজের বিল নিয়েছেন।
জেলা পরিষদের হলরুমের ওয়াল টাইলসকরণ এবং ভবন সংস্কার ও রংকরণ প্রকল্পে প্রায় ১৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে এসব কাজে বাস্তবে কাজ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্যেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। একজন ঠিকাদার প্রথমে হলরুমে কাজ না করার কথা বললেও পরে নিজের লাইসেন্সে কাজ হয়েছে বলে জানান। আরেক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানতেন না এবং টাকা উত্তোলনের পর প্রকৌশলী তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যান।
এ ছাড়া আরও পাঁচটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। চেয়ারম্যান অপসারিত হওয়ায় ওই অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি; পরে চেকগুলো বাতিল করা হয়। জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, এসব চেকের বিপরীতে কোনও ফাইল বা প্রকল্প ছিল না। সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফাইলগুলো সঠিক না হওয়ায় চেক বাতিল করা হয় এবং ভুল করে লেখা হয়েছিল।
জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ভাটের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু কাজ হয়নি, কিছু কাজ আংশিক হয়েছে এবং কয়েকটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, প্রকল্প পরিদর্শন ও কাজের পরিমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব প্রকৌশলীর। সাবেক প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দুদক তথ্য চেয়েছে এবং তদন্ত করছে। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ দুদককে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে।
নথিতে থাকা অর্থ উত্তোলন, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহারের দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। কোন প্রকল্প বাস্তবে হয়েছে, কে কাজ করেছেন, কে প্রত্যয়ন দিয়েছেন এবং অর্থ কার হাতে গেছে—এসব বিষয় এখন দুদকের তদন্তে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি থেকে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে!

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া।
প্রস্তাবিত ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠির সঙ্গে আইনের খসড়ার সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০’ রহিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সৃজন করতে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত কমিটি কর্তৃক একটি খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী- খসড়া আইনটির ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের লিখিত মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।