খুঁজুন
                               
, ,

আপনাকে কেউ পছন্দ না করলে বুঝবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
আপনাকে কেউ পছন্দ না করলে বুঝবেন যেভাবে

আমাদের পরিচিত এমন অনেকেই আছেন যারা আমাদের পছন্দ না করলেও মুখে কখনো তা বলে না। বরং অনেক সময় হয়তো তার কথা শুনে আপনার মনে হতে পারে যে সে-ও আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু তার অন্তরে থাকে ভিন্ন কিছু। এখন কথা হলো, মুখে না বললেও আপনি কীভাবে বুঝতে পারবেন যে সে আসলে আপনাকে ভালোবাসে না? ইনস্টাগ্রামে একটি সাম্প্রতিক ভিডিওতে মনোবিজ্ঞানী ফ্রান্সেস্কা টাইঘিনান বলেছেন, কিছু শারীরিক ভাষার সংকেত প্রকাশ করতে পারে যে কেউ আপনাকে গোপনে অপছন্দ করে কি না, তিনি কয়েকটি মূল লক্ষণের কথা বলেছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আই কন্ট্যাক্ট এড়িয়ে চলা

কেউ আপনাকে পছন্দ না-ও করতে পারে তার সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণের মধ্যে একটি হলো আই কন্ট্যাক্ট এড়ানোর প্রবণতা। টাইঘিনান ব্যাখ্যা করেন যে, এই আচরণ কথোপকথন এড়িয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। যখন কেউ ঘন ঘন দূরে তাকায়, তখন বুঝে নেবেন যে সে অস্বস্তি বোধ করছে বা আপনার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নয়। আপনি যদি কারো সঙ্গে কথা বলছেন এবং সে ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে বা বা মনোযোগ দেয়, তবে এটি একটি চিহ্ন যে সে আপনার সঙ্গে বা উপস্থিতি পছন্দ করছে না।

২. ঠোঁট ওল্টানো

ঠোঁট ওল্টানোও হতে পারে আরেকটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ। মুখে না বলেও এভাবে অসম্মতি প্রকাশ করা যায়। টাইঘিনানের মতে, এই আচরণ মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে নেতিবাচক অনুভূতি প্রকাশের একটি অবচেতন উপায় হতে পারে। কেউ যদি ঠোঁট ও উত্তেজনাপূর্ণ অভিব্যক্তি সহ আপনার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানায়, তাহলে বুঝে নেবেন যে যা আলোচনা করা হচ্ছে তাতে সে সন্তুষ্ট নয়।

৩. আপনার থেকে দূরে সরে যাওয়া

একজন ব্যক্তির শরীরের অবস্থানও তার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে। যখন কেউ তার পা বা শরীরকে আপনার থেকে দূরে রাখে, তখন বুঝে নেবেন যে সে আপনাকে পছন্দ করছে না। টাইঘিনানের মতে, মানুষ যখন নিজেদেরকে মিথস্ক্রিয়া থেকে সরিয়ে নিতে চায় তখন অবচেতনভাবেই সেখান থেকে সরে যেতে চায়। আপনি যদি কথোপকথনে থাকেন এবং তখন অপর ব্যক্তি তার শরীরকে সরিয়ে বা কাঁধ অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয়, তাহলে বুঝে নেবেন যে সে কথোপকথনটি বন্ধ করতে চায়।

৪. সীমিত হাসি এবং ব্যস্ততা

কথোপকথনের সময় সত্যিকারের হাসির অভাব এবং সামান্য ব্যস্ততা্র অনাগ্রহের ইঙ্গিত দিতে পারে। যদি কেউ খুব কমই তার মুখের অভিব্যক্তির মাধ্যমে উষ্ণতা দেখায় তবে এটি ইঙ্গিত দিতে পারে যে সে আপনার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নয়। আপনি যদি একটি উত্তেজনাপূর্ণ গল্প শেয়ার করেন এবং অন্য ব্যক্তিটি অভিব্যক্তিহীন থাকে বা প্রশ্ন না করে, তাহলে এর অর্থ হতে পারে আপনি যা বলছেন তাতে উৎসাহ বোধ করছে না।

সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন চাঁদপুরের চার লেখক

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এ যোগ দিতে যাচ্ছেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক ও সাংবাদিক কাদের পলাশসহ চার লেখক। আগামী ১৪ থেকে ১৯ নভেম্বর ছয় দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে ১৪ জন কবি ও লেখক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া চাঁদপুরের অন্য তিন লেখক হলেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, কবি ও লেখক নুরুন্নাহার মুন্নি এবং কবি ও সংগঠক ম. নূরে আলম পাটওয়ারী।

আন্তর্জাতিক এ সাহিত্য সম্মেলনে চাঁদপুরের চার লেখকের অংশগ্রহণকে জেলার সাহিত্যাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি চাঁদপুরের সাহিত্যচর্চা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক লেখক ও সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, সার্ক সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কবি-লেখকদের সঙ্গে ভাববিনিময়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্ক জোরদার হবে। চাঁদপুরের লেখক হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের জেলার সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে চাই। আশা করি, এ আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটক নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন: এসপি

রাঙামাটির সাজেকে স্থানীয় সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের মুখে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে সম্পূর্ণ নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুর রকিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর পাহারায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন পর্যটকরা। তবে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে মাঝপথে উজো বাজারসহ কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাধার মুখে পড়েন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের বহর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বারবার এমন অবরোধের ফলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইয়াসুতাকা নাকাসোনে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সফরের প্রথম দিন তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।