খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

আপনাকে কেউ পছন্দ না করলে বুঝবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
আপনাকে কেউ পছন্দ না করলে বুঝবেন যেভাবে

আমাদের পরিচিত এমন অনেকেই আছেন যারা আমাদের পছন্দ না করলেও মুখে কখনো তা বলে না। বরং অনেক সময় হয়তো তার কথা শুনে আপনার মনে হতে পারে যে সে-ও আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু তার অন্তরে থাকে ভিন্ন কিছু। এখন কথা হলো, মুখে না বললেও আপনি কীভাবে বুঝতে পারবেন যে সে আসলে আপনাকে ভালোবাসে না? ইনস্টাগ্রামে একটি সাম্প্রতিক ভিডিওতে মনোবিজ্ঞানী ফ্রান্সেস্কা টাইঘিনান বলেছেন, কিছু শারীরিক ভাষার সংকেত প্রকাশ করতে পারে যে কেউ আপনাকে গোপনে অপছন্দ করে কি না, তিনি কয়েকটি মূল লক্ষণের কথা বলেছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আই কন্ট্যাক্ট এড়িয়ে চলা

কেউ আপনাকে পছন্দ না-ও করতে পারে তার সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণের মধ্যে একটি হলো আই কন্ট্যাক্ট এড়ানোর প্রবণতা। টাইঘিনান ব্যাখ্যা করেন যে, এই আচরণ কথোপকথন এড়িয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। যখন কেউ ঘন ঘন দূরে তাকায়, তখন বুঝে নেবেন যে সে অস্বস্তি বোধ করছে বা আপনার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নয়। আপনি যদি কারো সঙ্গে কথা বলছেন এবং সে ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে বা বা মনোযোগ দেয়, তবে এটি একটি চিহ্ন যে সে আপনার সঙ্গে বা উপস্থিতি পছন্দ করছে না।

২. ঠোঁট ওল্টানো

ঠোঁট ওল্টানোও হতে পারে আরেকটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ। মুখে না বলেও এভাবে অসম্মতি প্রকাশ করা যায়। টাইঘিনানের মতে, এই আচরণ মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে নেতিবাচক অনুভূতি প্রকাশের একটি অবচেতন উপায় হতে পারে। কেউ যদি ঠোঁট ও উত্তেজনাপূর্ণ অভিব্যক্তি সহ আপনার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানায়, তাহলে বুঝে নেবেন যে যা আলোচনা করা হচ্ছে তাতে সে সন্তুষ্ট নয়।

৩. আপনার থেকে দূরে সরে যাওয়া

একজন ব্যক্তির শরীরের অবস্থানও তার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে। যখন কেউ তার পা বা শরীরকে আপনার থেকে দূরে রাখে, তখন বুঝে নেবেন যে সে আপনাকে পছন্দ করছে না। টাইঘিনানের মতে, মানুষ যখন নিজেদেরকে মিথস্ক্রিয়া থেকে সরিয়ে নিতে চায় তখন অবচেতনভাবেই সেখান থেকে সরে যেতে চায়। আপনি যদি কথোপকথনে থাকেন এবং তখন অপর ব্যক্তি তার শরীরকে সরিয়ে বা কাঁধ অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয়, তাহলে বুঝে নেবেন যে সে কথোপকথনটি বন্ধ করতে চায়।

৪. সীমিত হাসি এবং ব্যস্ততা

কথোপকথনের সময় সত্যিকারের হাসির অভাব এবং সামান্য ব্যস্ততা্র অনাগ্রহের ইঙ্গিত দিতে পারে। যদি কেউ খুব কমই তার মুখের অভিব্যক্তির মাধ্যমে উষ্ণতা দেখায় তবে এটি ইঙ্গিত দিতে পারে যে সে আপনার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নয়। আপনি যদি একটি উত্তেজনাপূর্ণ গল্প শেয়ার করেন এবং অন্য ব্যক্তিটি অভিব্যক্তিহীন থাকে বা প্রশ্ন না করে, তাহলে এর অর্থ হতে পারে আপনি যা বলছেন তাতে উৎসাহ বোধ করছে না।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।