খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে নাগরিক ও আমজনতা

উজ্জ্বল হোসাইন
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে নাগরিক ও আমজনতা

সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে মানুষের ভূমিকা চিরকালই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ সমাজে দুই ধরনের পরিচয়ে নিজেদের উপস্থাপন করে—নাগরিক এবং আমজনতা। এ দুটো পরিচয়ের মধ্যে রয়েছে দায়িত্ব, অধিকার, ভূমিকা ও মনোভাবের ভিন্নতা। নাগরিক একটি রাজনৈতিক পরিচয় বহন করে এবং রাষ্ট্রের অধিকারভুক্ত সদস্য হিসেবে চিহ্নিত হয়। অন্যদিকে, আমজনতা বলতে সাধারণ জনগোষ্ঠীকে বোঝানো হয়, যারা সচেতন বা অসচেতনভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে জীবন যাপন করে। এ প্রবন্ধে নাগরিক ও আমজনতার সংজ্ঞা, তাদের ভূমিকা, পার্থক্য এবং পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হবে।

নাগরিকের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য

নাগরিক বলতে সাধারণত একটি রাষ্ট্র বা দেশের অধিবাসীকে বোঝানো হয়, যে ব্যক্তি আইনত সেই রাষ্ট্রের সদস্য এবং নাগরিক অধিকার ভোগ করে। নাগরিকের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো : নাগরিক আইনগতভাবে রাষ্ট্রের স্বীকৃত সদস্য। অধিকার ও কর্তব্য: নাগরিকের কিছু মৌলিক অধিকার রয়েছে যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, এবং বাকস্বাধীনতা। পাশাপাশি নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে যেমন কর প্রদান, আইন মেনে চলা, এবং ভোট প্রদান। নাগরিক সাধারণত রাষ্ট্রের বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন। একজন নাগরিক সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

আমজনতা বলতে বোঝানো হয় সাধারণ জনগণ বা জনসাধারণ, যারা প্রতিদিনের জীবনে রাষ্ট্র ও সমাজের অংশ হিসেবে থাকে কিন্তু প্রায়শই রাজনৈতিক সচেতনতা বা সক্রিয় অংশগ্রহণ থেকে দূরে থাকে।

আমজনতার বৈশিষ্ট্যগুলো হলো : আমজনতা কোনো বিশেষ আইনগত পরিচয়ের চেয়ে বৃহৎ জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।অনেক সময় তারা তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নয়। অনেক সময় রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ সীমিত থাকে। আমজনতা প্রায়ই ভোগবাদী চিন্তাভাবনার দিকে ঝুঁকে থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোতেই বেশি আগ্রহী। নাগরিক ও আমজনতার মধ্যে বিভিন্ন দিক থেকে পার্থক্য রয়েছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করা হলো– সচেতন এবং তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত। অনেক সময় নিজেদের দায়িত্ব ও অধিকার সম্পর্কে অসচেতন। ভোট প্রদান, রাজনৈতিক আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং সরকারের কার্যক্রমের সমালোচনা করে। ভোট প্রদান করলেও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে উদাসীন থাকতে পারে। অধিকার ও সুবিধা ভোগের ধরণ। অধিকার সম্পর্কে সচেতন এবং তা দাবি করে। অধিকারের ব্যবহার সম্পর্কে অজ্ঞ থাকায় অনেক সুবিধা ভোগ করতে পারে না। সামাজিক পরিবর্তনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।প্রায়শই সমাজের পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয়। নাগরিকত্ব শুধুমাত্র একটি আইনি ধারণা নয়, এটি সমাজের উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।  সক্রিয় নাগরিক অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্য নাগরিকত্ব প্রয়োজন। নাগরিক সচেতন হলে সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সহজ হয়। যদিও আমজনতা অনেক সময় রাষ্ট্রের কাঠামোয় নিষ্ক্রিয় থাকে, তাদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। আমজনতার মতামত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হলো আমজনতা।সমাজের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে রাখে।

নাগরিকত্ব ও আমজনতার মধ্যে সম্পর্ক : নাগরিক ও আমজনতার মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। নাগরিক এবং আমজনতা উভয়েই সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন করে।সচেতনতা বৃদ্ধি: নাগরিকদের সচেতনতা আমজনতাকে সচেতন হতে উৎসাহিত করে। সম্প্রীতির উন্নয়ন: উভয়ের সহযোগিতা সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ায়।

চ্যালেঞ্জসমূহ : অনেক আমজনতা তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন নয়। দায়িত্ববোধের অভাব: নাগরিকদের অনেক সময় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উদাসীনতা দেখা যায়। রাজনৈতিক দুর্ব্যবস্থা: রাজনৈতিক অস্থিরতা নাগরিক ও আমজনতার মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে। নাগরিক ও আমজনতার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা ও প্রচার কার্যক্রম প্রয়োজন।স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ে নাগরিকত্বের গুরুত্ব শেখানো উচিত। রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা দরকার।

নাগরিক ও আমজনতা একটি রাষ্ট্র ও সমাজের দুটি অপরিহার্য অংশ। সমাজের উন্নয়নের জন্য উভয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকের দায়িত্ব হলো সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করা এবং আমজনতার চেতনা জাগ্রত করা। অন্যদিকে, আমজনতাকে নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিক ও আমজনতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে একটি সুষ্ঠু, সমৃদ্ধ এবং সম্প্রীতিময় সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

লেখক : উজ্জ্বল হোসাইন, সংগঠক ও প্রাবন্ধিক, চাঁদপুর। মোবাইল : 01675127483, ই-মেইল : rtrujjal@gmail.com

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে সকালে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে মামলা রায় পড়া শুরু করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। তিনি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। স্বপ্নাও সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে। এদিকে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত ৪ জুন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মাত্র ৫ দিনের মাথায় রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে আবারও যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘এসবি পরিবহন’-এর একটি বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পাড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ডুবুরিরা। বাসটি নদী থেকে টেনে তুলতে এরই মধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ারিং), যিনি বর্তমানে দৌলতদিয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সভাপতি পলাশ মজুমদার, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের কমিটি গঠন

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ রোটারী বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদপুর রোটারী ভবনের ডা. নুরুর রহমান কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ক্লাবের চলতি রোটারী বর্ষের পঞ্চম বোর্ড সভায় এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রোটারিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ইমিডিয়েট পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা); প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান উজ্জ্বল হোসাইন; ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মাহবুবুর রহমান সুমন, রোটারিয়ান গোপাল চন্দ্র সাহা ও রোটারিয়ান মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল; সেক্রেটারি ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহীন আক্তার; জয়েন্ট সেক্রেটারি রোটারিয়ান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, রোটারিয়ান ইবনে আজম সাব্বির, রোটারিয়ান কাজী মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান মহসিন পাঠান। ট্রেজারার হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান সঞ্জয় কুমার অধিকারী। ডিরেক্টর ক্লাব সার্ভিস জুয়েল হাসান, ডিরেক্টর ভোকেশনাল সার্ভিস মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ডিরেক্টর কমিউনিটি সার্ভিস রোটারিয়ান কাজী মাইনুল হক জীবন, ডিরেক্টর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস রোটারিয়ান সাইফুল ইসলাম রনি এবং ডিরেক্টর ইয়ূথ সার্ভিস রোটারিয়ান রেদওয়ান রহমাতুল্লাহ সম্রাট।
বুলেটিন এডিটর হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান মানিক লাল দেবনাথ এবং জয়েন্ট বুলেটিন এডিটর রোটারিয়ান মো. মাইনুদ্দিন। চীফ সার্জেন্ট এট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস হিসেবে রয়েছেন রোটারিয়ান ফয়সাল আহমেদ ফরাজী, রোটারিয়ান মো. মহসিন ভূঁইয়া, রোটারিয়ান গাজী মোহাম্মদ মহসিন কাদের ও রোটারিয়ান মোহাম্মদ রুবেল মিয়াজী শোভন। নবগঠিত এ কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র সদস্যবৃন্দ। সাবেক সভাপতিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রোটারিয়ান সুভাষ চন্দ্র রায়, রোটারিয়ান তমাল কুমার ঘোষ, রোটারিয়ান অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, রোটারিয়ান ডা. এমজি ফারুক ভূঁইয়া, রোটারিয়ান নাসির উদ্দিন খান, রোটারিয়ান শেখ মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, রোটারিয়ান শাহেদুল হক মোর্শেদ, রোটারিয়ান খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন এবং সিনিয়র সদস্য রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি রোটানিয়ান মো. মোস্তফা ফুল মিঞা, সেক্রেটারি রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলসহ বর্তমান বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ। সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান।