খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

ভূইফোঁড় সাংবাদিক কৌশিক ও অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেনের বিচারের দাবিতে

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের  প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

ভুঁইফোড় সাংবাদিক কৌশিককে সাথে নিয়ে অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেনের অশালীন আচরণ এবং ডাক্তার বেলাল হোসেন ও ইন্টার্ন ডাক্তারদেরকে লাঞ্চনার ঘটনায় প্রতিবাদ ও মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে চিকিৎসকরা। ৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের আয়োজনে এই প্রতিবাদ ও মানবন্ধন পালন করেন  চিকিৎসকরা।
এ সময় বিভিন্ন চিকিৎসকরা বলেন, চাঁদপুরে সাংবাদিক নামের কলংক, ফেসবুক পেজের সাংবাদিক ফাহিম শাহরিয়ার কৌশিক যখন যা খুশি তাই করে বেড়ান। এই তথা কথিত সাংবাদিক গত দু,দিন ধরে তার ফেসবুক পেইজে চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের একজন স্বনামধন্য মেডিকেল অফিসার ডাঃ বেলাল হোসেনের নামে একটি ভূয়া ও ভিত্তিহীন ভিডিও সংবাদ প্রচার করেন। যা চিকিৎসক সমাজসহ সুশীল সমাজ এমন সংবাদের বিষয়ে খুবই ঘৃনা প্রকাশ করেন।

ওই সাংবাদিক তার ভিডিও প্রতিবেদনে যে তথ্য উল্ল্যেখ করেছেন ভিডিওর সাথে তার কোনো মিলই খুঁজে পাওয়া যায়নি। যা দেখে এবং শুনে অনেক সচেতন মানুষ তার প্রতিবেদনের কমেন্টে ডাঃ বেলাল হোসেনকে একজন ভালো ও সৎ চিকিৎসক উল্লেখ করে তার সংবাদের অনেক সমালোচনা করেন। সেদিন চাঁদপুরের এই বিতর্কিত ভুঁইফোড় সাংবাদিক কৌশিককে সাথে নিয়ে অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বেলাল হোসেনের সাথে অশালীন আচরণ করেন। আমরা এমন অশালীন আচরণ এবং মিথ্যে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন ও বিতর্কিত সাংবাদিক কৌশিককে আইনের আওতায় এনে  তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ২৫০ শয্যা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার এ কে এম মাহবুবুর রহমান, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাঃ আশারাফ আহমেদ আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থপেডিক)  ডাঃ মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, সিনিয়র কনসালটেন্ট  (শিশু) ডাঃ আব্দুল আজিজ মিয়া, সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) ডাঃ মুনতাকিম হায়দার রুমি, ডাঃ মোঃ নাজমুল হোসেন, সহকারী রেজিস্টার (সার্জারি) ডাঃ রফিকুল হাসান ফয়সাল, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের রেসিডেন্ট ফিজিসিয়ান (আরপি) ডাঃ মোহাম্মদ আসিফ ইকবাল, মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৈয়দ আহমেদ কাজলসহ অন্যান্য চিকিৎসক ও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসকগণ।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।