খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

সকালে খালি পেটে যেসব খাবার খাওয়া উচিত না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ
সকালে খালি পেটে যেসব খাবার খাওয়া উচিত না

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস শরীরের সুস্থতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর বড় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে দিনের শুরুটা যদি হয় স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে, তাহলে সারা দিনই শরীর ভালো থাকে। কিন্তু অনেকেই না জেনে সকালে এমন কিছু খাবার খেয়ে থাকেন, যেগুলো খালি পেটে শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। মার্কিন স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন–এর বরাতে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো সকালের নাস্তায় না খাওয়াই ভালো।

ফলের জুস
অনেকেই মনে করেন, সকালে এক গ্লাস ফলের জুস খাওয়া মানেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। খালি পেটে ঠান্ডা ফলের জুস খেলে হজমের গতি কমে যেতে পারে এবং সর্দি-কাশির ঝুঁকিও বাড়ে। এছাড়া এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে।

মিষ্টিজাতীয় খাবার
সন্দেশ, রসমালাই, গুড়, চিনি—এসব খালি পেটে খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। কারণ প্রক্রিয়াজাত চিনি খালি পেটে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কেক ও মাফিন
সকালে অনেকেই কেক, প্যানকেক বা মাফিন খেয়ে নাস্তা সারেন। কিন্তু এসব খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা খালি পেটে হজমের সমস্যা তৈরি করে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওজন বাড়ায়।

টকজাতীয় ফল
কমলালেবু, মালটা বা আপেলের মতো সাইট্রিক অ্যাসিডযুক্ত ফল খালি পেটে খেলে পেটে গ্যাস, অম্বল এবং অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া এই ফলে থাকা ফ্রুক্টোজ হজমের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।

স্যান্ডউইচ
সকালে ব্যস্ততার কারণে স্যান্ডউইচ অনেকেরই প্রথম পছন্দ। কিন্তু এতে থাকা অতিরিক্ত মাখন ও ফ্যাট শরীরের ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি হজমের সমস্যাও তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ফ্রায়েড স্যান্ডউইচ বা অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার সকালে একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত।

ইস্টযুক্ত খাবার
পাউরুটি, কেক, পেস্ট্রি, প্যাটিস এসব খাবারে ইস্ট থাকে। খালি পেটে এসব খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়ে এবং দীর্ঘদিন খেলে পাকস্থলীতে আলসার হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে। খালি পেটে হালকা, সহজপাচ্য ও প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এক কাপ গরম পানি, সঙ্গে একটি কলা বা কিছুটা ভেজানো চিঁড়া হতে পারে ভালো বিকল্প। সকালের খাবারে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার রাখলে সারাদিন শরীর চনমনে থাকে। সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের শুরুতেই সাবধান হতে হবে। খালি পেটে কী খাবেন আর কী খাবেন না—সেই বিষয়ে সচেতন হলেই অনেক রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।