খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

শ্রেয়াস রয়েল যুক্তরাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
শ্রেয়াস রয়েল যুক্তরাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার

ব্রিটিশ বাংলা চেস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাকালীন কনিষ্ঠ সদস্য শ্রেয়াস রয়েল এখন যুক্তরাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) এ উপলক্ষ্যে পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস প্যারেন্টস সেন্টারে বিবিসিএ কার্যালয়ে গ্র্যান্ডমাস্টার শ্রেয়াস রয়েলকে নিয়ে একটি উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্যারেন্টস সেন্টারের পরিচালক ডক্টর এম এ হান্নান।

বিবিসিএর প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসানের স্বাগত বক্তব্য ও সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ মাজেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ নান্নু। অনুষ্ঠানের শুরুতে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রেয়াস রয়েলকে বরণ করে নেওয়া হয়। ক্লাবের জুনিয়র সদস্য আরমান নীলিম এবং অভিরাজ ভাদুড়ী শ্রেয়াস রয়েল এবং ডক্টর হান্নানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন। ছোটবেলায় বিবিসিএর টুর্নামেন্টগুলোতে শ্রেয়াস রয়েলের প্রাইজ গ্রহণ এবং প্যারেন্টস সেন্টারে খেলার কিছু দুর্লভ ছবি তাকে উপহার দেওয়া হয়।

সভাপতি মাহমুদ মাজেদ তাকে উপহার দেন ফ্রেমে বাঁধানো কবিতা। এ অনুষ্ঠানে শ্রেয়াস রয়েল বিবিসিএর ১৩জন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুগপৎভাবে প্রদর্শনী দাবা (সাইমালটেনেয়াস চেস) খেলেন। এতে ১২ জন হেরে গেলেও রাগু কামাথ ড্র করতে সক্ষম হন। গ্র্যান্ডমাস্টার শ্রেয়াস রয়েল এবং ডক্টর হান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বিবিসিএ প্রেসিডেন্ট কাপ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫’ এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে শ্রেয়াস রয়েলকে বিবিসিএর আজীবন সদস্য পদ প্রদান করা হয়।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শ্রেয়াস রয়েল বিবিসিএর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকাকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, বিবিসিএর আয়োজনে টুর্নামেন্টে এবং ক্লাবে খেলে অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পেরেছেন। গ্র্যান্ড মাস্টার টাইটেল প্রাপ্তিতে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এবং ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ দেওয়ার জন্য তিনি বিবিসিএর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তার বাবা জিতেন্দ্র সিং ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিবিসিএর প্রশংসা করেন এবং বলেন, বিবিসিএর সঙ্গে সবসময় তাদের যোগাযোগ থাকবে। শ্রেয়াস রয়েলের গ্র্যান্ডমাস্টার টাইটেল প্রাপ্তিতে আনন্দিত হয়েছেন বলে উল্লেখ করে ড. হান্নান বলেন, এ দাবা ক্লাবেরই অগ্রগতির জন্য তার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বাঙালি দাবাড়ুদের উদ্যোগে এ দাবা ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হলেও বিভিন্ন জাতিসত্তার দাবা খেলোয়াড়রা এ ক্লাবের সদস্য। সবার জন্যই এ ক্লাবের দ্বার উন্মুক্ত।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।