খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০ চৈত্র, ১৪৩২

রাত ৮টার পর দোকান ও শপিংমল বন্ধ: নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
রাত ৮টার পর দোকান ও শপিংমল বন্ধ: নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জানানো হয়: ঢাকাসহ সারা দেশের সকল দোকান, বাণিজ্যিক বিতান এবং শপিংমল প্রতিদিন রাত ৮টার মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সহযোগিতা করা।
জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে এবং জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় কিছু নির্দিষ্ট খাতকে এই নির্দেশনার বাইরে রাখা হয়েছে: ওষুধের দোকান (ফার্মেসি), হোটেল ও রেস্তোরাঁ, কাঁচাবাজার,জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান

ব্যবসায়ী মালিক সমিতির এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ী ও মালিকপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকারের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নীতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নির্দেশনা: অফিস উপস্থিতি ও সাশ্রয়ে কড়াকড়ি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নির্দেশনা: অফিস উপস্থিতি ও সাশ্রয়ে কড়াকড়ি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন করে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই আদেশ জারি করা হয়। মূলত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্বতন নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যেই এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতির বিষয়ে কোনো শিথিলতা সহ্য করা হবে না: প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। কর্মসূচি প্রণয়ন: দাপ্তরিক অন্য কোনো কর্মসূচি বা মিটিং এমনভাবে নির্ধারণ করা যাবে না, যাতে উল্লিখিত সময়ে অফিস কক্ষে উপস্থিতিতে বিঘ্ন ঘটে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

  •     প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার: দিনের বেলায় পর্যাপ্ত আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি পরিহার করে জানালা ও পর্দা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
  •     এসি নিয়ন্ত্রণ: এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।
  •     যথাযথ ব্যবহার: অফিস কক্ষে অবস্থানকালে কেবল প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইট, ফ্যান ও এসি চালু রাখা যাবে। কক্ষ ত্যাগের সময় বা অফিস শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টারসহ সব ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
  •     অপ্রয়োজনীয় বাতি: করিডোর, সিঁড়ি বা ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো যাবে না এবং সরকারি বিশেষ নির্দেশনা ছাড়া কোনো ধরণের আলোকসজ্জা করা যাবে না।
  •     জ্বালানি সাশ্রয়: সরকারি যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অধিকতর সাশ্রয়ী হতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় দাপ্তরিক কক্ষের পাশাপাশি করিডোর, টয়লেট ও সিঁড়ির হাতল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া এসব নির্দেশনা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা তদারকি ও মনিটরিং করার জন্য প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালয়কে দ্রুত ‘ভিজিল্যান্স টিম’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাঁদপুুরে হিজড়া সেজে দেলোয়ারের ১৩ বছর প্রতারণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
চাঁদপুুরে হিজড়া সেজে দেলোয়ারের ১৩ বছর প্রতারণা

কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। দীর্ঘ ১৩ বছর যাবৎ হিজড়া সেজে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে আসছে। বাচনভঙ্গিতে হিজড়াদের সাথে তাল মিলিয়ে সুকৌশলে হিজড়া জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যায় দেলোয়ার হোসেন। শুরুর দিকে দেলোয়ার হোসেন কুমিল্লা, লাকসাম ও নাথেরপেটুয়ায় হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। এরপর পরিচয় হয় চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়নার সাথে। দেলোয়ার হোসেন তার ছদ্মনাম সুমি হিসেবে সর্দার রাণী ময়নার সাথে শাহরাস্তিতে চলে আসেন।
দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ সে হিজড়াদের সাথে বসবাস করে আসছে। বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) সকালে দেলোয়ারের খোঁজে শাহরাস্তিতে দুসন্তান নিয়ে হাজির হন তার স্ত্রী নাছিমা বেগম। নাছিমা দাবি করেন, আপনারা যাকে সুমি হিজড়া হিসেবে চিনেন তিনি আমার স্বামী দেলোয়ার হোসেন। সে বর্তমানে আমাদের কোনো খোঁজ খবর রাখে না, তিন সন্তান নিয়ে আমি খুব বিপদে রয়েছি, তাই তার সন্ধান পেয়ে এখানে চলে এসেছি। উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে কয়েকজন হিজড়া। স্ত্রী নাছিমা বেগমর উপস্থিতি টের পেয়ে দেলোয়ার হোসেন পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়না জানান, সে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। ৭ বছর পূর্বে আমার সাথে পরিচয় হলে আমি তাকে শাহরাস্তিতে নিয়ে আসি। আমি তাকে সুমি হিজড়া হিসেবে চিনি। স্থানীয় এলাকাবাসী প্রতারক দেলোয়ারের শাস্তি দাবি করেন।

প্রথমবারের মতো সরকারি বেতনের আওতায় জাতীয় ক্রীড়াবিদরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রথমবারের মতো সরকারি বেতনের আওতায় জাতীয় ক্রীড়াবিদরা

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। খেলাধুলাকে কেবল শখ নয়, বরং সম্মানজনক পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ‘ক্রীড়া ভাতা’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাথমিক পর্যায়ে ১২৯ জন নির্বাচিত ক্রীড়াবিদকে বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে তারা মাসিক বেতন ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। বেতনের পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে কৃতী খেলোয়াড়দের বিশেষ সম্মাননাও প্রদান করা হয়। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই স্থায়ী বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
এই সুবিধা কেবল নামমাত্র নয়, বরং গুণগত মান বজায় রাখার একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে: প্রতি চার মাস অন্তর তালিকাভুক্ত ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হবে। যারা মাঠে নিজেদের দক্ষতা ও পারফরম্যান্স বজায় রাখতে পারবেন, তারাই কেবল এই বেতন সুবিধা অব্যাহত রাখতে পারবেন। পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি দেখা দিলে বা মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হলে তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার নিয়ম রাখা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে সবার জন্য সমান বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ভাতার সুনির্দিষ্ট অংকটি এখনই প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি এই পৃষ্ঠপোষকতা দেশের উদীয়মান অ্যাথলেটদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করবে। এর ফলে খেলোয়াড়রা পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে নিজেদের খেলার মান উন্নয়ন করতে পারবেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাফল্য আরও ত্বরান্বিত করবে।