খুঁজুন
                               
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

যুবলীগ নেতার জানালাবিহীন রহস্যজনক ৭ ঘর, রাতে আসত কালোগাড়ি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
যুবলীগ নেতার জানালাবিহীন রহস্যজনক ৭ ঘর, রাতে আসত কালোগাড়ি

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার প্রত্যন্ত চা বাগানঘেরা গ্রাম পানিশাইল। সেই গ্রামের মেঠোপথ দিয়ে যেতে দেখা মিলবে দেওয়াল ঘেরা এক বাড়ি। এ বাড়িতে চার দেওয়াল ঘেরা সাতটি জানালাবিহীন রহস্যজনক ঘর নির্মাণ করেছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু। সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ও বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, আব্দুর রকিব মন্টুর করা হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে থাকা তার মামার জমি দখল করে সেখানে তৈরি করেছে ‘টর্চার সেল’। জানালাবিহীন প্রায় ৭ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের এমন সাতটি ঘর বানিয়েছেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে গভীর রাতে কালো রঙের গাড়িতে করে লোকজন নিয়ে আসতেন মন্টু। চলে যেতেন ভোররাতে।

সরেজমিনে উত্তরভাগ ইউনিয়নের পানিশাইল (নিজগাঁও) এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নিজামপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রকিব মন্টু রাজনগরের পানিশাইল (নিজগাঁও) গ্রামে নিজের ও দখলকৃত সম্পত্তিতে গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন প্রজাতির বনজ গাছের বাগান। সেখানে নিজের জমি দুই একর সাত শতাংশ থাকলেও অন্যদের জমি দখল করে ভোগ করছেন মোট দুই একর ৪৭ শতাংশ।

অভিযোগ রয়েছে, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল থাকাকালে বসতবাড়িসহ পাশের সব জমি কেড়ে নিতে কেয়ারটেকারকে দিয়ে একের পর এক মামলা দিয়েছেন তারই মামা পাশের জমির মালিক নুরুল ইসলাম কলা মিয়া (৮৩) ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। কিন্তু আদালতের নির্দেশনা না পাওয়ায় তা আর নিতে পাড়েনি। গত ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর রাতের আধাঁরে নিজগাঁও কমিউিনিটি ক্লিনিকের পাশে আব্দুর রকিব মন্টুর সম্পত্তির কেয়ারটেকার আব্দুল মালেককে হত্যা করে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই রাতেই বসতঘর থেকে পুলিশ গিয়ে নুরুল ইসলাম কলা মিয়া ও তার পরিবারের সব সদস্যদের ধরে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু বাদী হয়ে রাজনগর থানায় ওই পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। কলা মিয়ার নাতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আজিজুর রহমান প্রান্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়। কলা মিয়ার পরিবারের সবাই কারাগারে থাকার সুযোগে তার বসতঘরসহ সব জমি দখলে নেন মন্টু। পরে কলা মিয়ার বসতঘরসহ নিজের জমির সামনের দিকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন। বাড়ির নাম দেন ‘বশির-রাবেয়া কটেজ’। ওই সীমানা প্রাচীরের ভেতরে নির্মাণ করেছেন একচালা টিনের আধাপাকা সাতটি আলাদা আলাদা ঘর। প্রায় ৭ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের রহস্যজনক এসব ঘরে নেই কোনো জানালা।

যুবলীগ নেতার জানালাবিহীন রহস্যজনক ৭ ঘর, রাতে আসত কালোগাড়ি
এবার জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার পদত্যাগ
স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলায় কখনও এসব ঘর খুলতে দেখেননি। তবে গভীর রাতে আব্দুর রকিব মন্টু লোকজন নিয়ে কালো রঙের গাড়িতে করে এখানে আসতেন আবার ভোররাতের দিকে বেরিয়ে যেতেন। তাকে স্থানীয়রা এতোটাই ভয় পেতেন যে প্রাচীরের ভেতরে যাওয়ার সাহস করতেন না।

পানিশাইল গ্রামের নান্নু মিয়া বলেন, আমরা ছোট থেকে দেখে আসছি কলা মিয়া এই বাড়িতে বসবাস করছেন। আমাদের এলাকায় একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কলা মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা জেলে থাকার সময় মন্টু মিয়া তার বাড়ি ও জমিজমা দখল করে জানালাবিহীন আরও সাতটি ছোট ঘর বানিয়েছে। রাতের বেলায় এসব ঘরে মন্টু ও তার লোকজন আসতো। গ্রামবাসী মন্টুর ভয়ে এখানে আসতো না। আমার মনে হয় আওয়ামী লীগের টর্চার সেল ‘আয়নাঘরের মতো ব্যবহার করত। এসব ঘর ভেঙ্গে দেখা দরকার তারা এখানে কি করত।

একই গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, এখানে নিজের ঘরে থেকে কলা মিয়া তার মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। তাদের ঘরে নাতি-নাতনি পেয়েছেন। তার জমির দলিল ও কাগজপত্র রয়েছে। তবুও তার ঘরে থাকতে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটিকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে অ্যাডভোকেট মন্টু। কলা মিয়া যদি মার্ডার করে থাকেনও তাতে তার জমি ও বসতঘর মন্টুর হতে পারে না।

নুরুল ইসলাম কলা মিয়া বলেন, আমি ৭০ বছর এই বাড়িতে থাকছি। আমার বোন ও বোনের ছেলেরা আমাকে স্থায়ীভাবে থাকতে এসব জমি আমার কাছে বিক্রি করেছেন। সকল কাগজপত্র আমার থাকার পরও এই জমি কেড়ে নিতে বারবার মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করেছে মন্টু। পরে আর উপায় না পেয়ে সে নিজেই তার কেয়ারটেকারকে হত্যা করিয়ে আমার পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছে। প্রায় আড়াই বছর জেল খেটেছি। আমার বিবাহযোগ্য কলেজপড়ুয়া মেয়েও মামলা থেকে বাদ যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া নাতিটাকেও ছাড়েনি। এখন জামিনে এসে নিজের ভিটায় প্রবেশ করতে পারছি না। এখনও পুলিশকে দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। কলা মিয়ার নাতি আজিজুর রহমান প্রান্ত বলেন, আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম। মন্টুর করা মামলায় দীর্ঘদিন জেলে থাকায় অনুপস্থিতির কারণে বিশ্বদ্যিালয় আমার ছাত্রত্ব বাতিল করেছে। আমার ছোট খালামনি এইচএসসিতে পড়তো তাকেও জেলে নেওয়া হয়েছে। বিদেশে থাকা আমার এক মামাকেও আসামি করা হয়েছে। পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়েছেন এই মন্টু। ৮৩ বছরের বৃদ্ধ নানা অসহায়ের মতো অন্যত্র ভাড়া থাকছেন তিনমাস ধরে। এখন গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় আমরা বাড়িতে উঠেছি। কিন্তু পুলিশ নানাকে ঘরে ঢুকতে নিষেধ করছে।

আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর এখন গা ঢাকা দিয়েছেন আব্দুর রকিব মন্টু। এ বিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

রাজনগর থানার ওসি শাহ মো. মুবাশ্বির বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে ওই বৃদ্ধের পরিবারকে ঘরে থাকতে বাঁধা দেওয়া হবে না। জমি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আদালতে দুটি মামলা চলমান রয়েছে। বৃদ্ধের ঘরে প্রবেশ করা নিয়ে একজন অভিযোগ করেছিলেন। আমরা বলে দিয়েছি এ ব্যাপারে আদালতের নির্দেশনা ছাড়া আমরা কিছুই করতে পারব না। টর্চার সেল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি শুনেছি। এ বিষয়টি গভীরভাবে আমরা তদন্ত করে দেখব।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।