খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

মাও. রইছ উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে চাঁদপুরে ছাত্রসেনার বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ
মাও. রইছ উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে চাঁদপুরে ছাত্রসেনার বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

 ঢাকা গাজীপুর কাপাসিয়া এলাকার মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগরের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা রইছ উদ্দিন হত্যার বিচারের দাবিতে চাঁদপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার আয়োজনে  মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল ২০২৫) বিকেলে শহরের বায়তুল আমিন মসজিদ চত্বরে (শপথ চত্বর) এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী যুবসেনা ও ইসলামী ছাত্রসেনার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চাঁদপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হজরতুল আল্লামা বজলুল হক নকশবন্দী মোজাদ্দেদী আল-আজহারী, জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা মাওলানা খাজা মোহাম্মদ জোবায়ের,  বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আল-আমিন আজহারী, মাওলানা মাহফুজ উল্লাহ ইউসুফী, ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সভাপতি অ্যাড. শেখ ফরিদ মজুমদার, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চাঁদপুর জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা মাওলানা বাদরুদ্দোজা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলার সভাপতি মোহাম্মদ কামরুল হাসান বাবু প্রমুখ। পরিচালনা করেন ছাত্রসেনার জেলা সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন জাহিদ।
বক্তারা বলেন, দেশটা যেনো একটা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। মগের মুল্লুকে বাস করছি আমরা। যে যখন যাকে ইচ্ছা তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলছে। মাওলানা রইছ উদ্দিন একজন মসজিদের ইমাম এবং খতিব। তিনি ২৬ এপ্রিল ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের পক্ষে সংহতি সমাবেশে অংশগ্রহণ শেষে নিজ মসজিদ এলাকায় আসলে কিছু দুর্বৃত্ত তাঁকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বেধড়ক পিটায়। তাঁকে রক্ষাক্ত জখম করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আর পুলিশ রক্তাক্ত মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে না নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসে। থানা পুলিশের হেফাজতে থাকাবস্থায় বিনা চিকিৎসায় মাওলানা রইছ উদ্দিন মারা যান। তাই সংশ্লিষ্ট পুবাইল থানার ওসি কোনোভাবেই এই হত্যার দায় এড়াতে পারে না। মাওলানা রইছ উদ্দিন যদি দোষীও হয়ে থাকে তাহলেও পুলিশের দায়িত্ব ছিলো তাকে আগে চিকিৎসা করানো। কিন্তু পুলিশ সেটা করেনি। সে জন্যে আমরা মনে করি এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পুবাইল থানার ওসিসহ পুলিশের হাত রয়েছে। তাই আমাদের সুস্পষ্ট দাবি হচ্ছে,  অনতিবিলম্বে গাজীপুরের পুবাইল থানার ওসিকে বরখাস্ত করে তাকে গ্রেফতার করা হোক। একই সাথে যেসব দুর্বৃত্ত মাওলানা রইছ উদ্দিনকে পিটিয়ে মেরেছে তাদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হোক। বক্তারা একজন আলেমে দ্বীনকে মব সৃষ্টির মাধ্যমে হত্যা করা হলেও সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি না আসায় হতাশা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমন আচরণে সরকারকে ধিক্কার জানানো হয় বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে।
সমাবেশ শেষে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহর ঘুরে অঙ্গীকারের সামনে গিয়ে মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।