খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

সেলিম আল দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পেলেন প্রখ্যাত লেখক, চিন্তক, গণবুদ্ধিজীবী ড. সলিমুল্লাহ খান

দায়িত্ববোধ বেড়ে গেলো, ফেনী সাহিত্য সভার আন্তরিকতায় আমি অভিভূত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ মে, ২০২৫, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
দায়িত্ববোধ বেড়ে গেলো, ফেনী সাহিত্য সভার আন্তরিকতায় আমি অভিভূত

ফেনী সাহিত্য সভার আয়োজনে প্রথমবারের মতো ‘সেলিম আল দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছেন প্রখ্যাত লেখক, চিন্তক ও গণবুদ্ধিজীবী ড. সলিমুল্লাহ খান। গত মঙ্গলবার (২০ মে) বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় ফেনী শহরের ইস্টিশন রেস্টুরেন্টের কনভেনশন-দরবার হলে সমকালীন বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ড. সলিমুল্লাহ খানকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এতে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখককে ক্রেস্ট, প্রশংসাপত্র ও ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। পরের পর্বে সলিমুল্লাহ খান প্রদান করেন একক বক্তৃতা; বিষয় ছিল- স্বাধীনতা, মনুষ্যত্ব, সম্মান : কাজী নজরুলের তিন উত্তরাধিকার।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘আমি পুরস্কার কম পেয়েছি। গত বছর বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছি। এর আগমুহূর্তে ফেনী সাহিত্য সভা আমাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে। ‘সেলিম আল দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ প্রাপ্তির মাধ্যমে আমার দায়িত্ববোধ আরো বেড়ে গেলো। আজকের আয়োজনে উদ্যোক্তাদের আন্তরিকতায় আমি অভিভূত। আমি আপনাদের কাছে এইজন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সেলিম আল দীনকে নিয়ে আমি ভেবেছি। সুযোগ হলে ভবিষ্যতে তাকে নিয়ে আমার চিন্তা প্রকাশ করবো।
ফেনী সাহিত্য সভার আহ্বায়ক কবি-গবেষক শাবিহ মাহমুদের সভাপতিত্ব ‘সেলিম আল দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ অর্পণ অনুষ্ঠানের অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও ফেনী পৌরসভার প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেন এবং ফেনীর প্রবীণ কবি মনজুর তাজিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফেনী সাহিত্য সভার সদস্য সচিব বকুল আকতার দরিয়া। পুরস্কার প্রদানের সময় মঞ্চে আরো ছিলেন ফেনী সাহিত্য সভার জ্যেষ্ঠ সদস্য কবি মো. আবদুল ওয়াদুদ, রম্যলেখক নুরুল আমিন হৃদয়, কবি সৈকত রায়হান প্রমুখ।

পুরস্কার অর্পণ অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক ফেনী সাহিত্য সভার জ্যেষ্ঠ সদস্য কবি শামীম পাটোয়ারী ও কবি রাবেয়া সুলতানার যৌথ সঞ্চালনায় বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যাটি মুখর হয়ে ওঠে প্রশাসন, সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক-সুশীলসমাজ ও সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে ফেনী সাহিত্য সভা কর্তৃক প্রথমবারের মতো ফেনী সাহিত্য সম্মেলনে অংশ নিতে না-পারায় গত মঙ্গলবার ফেনী এসে সলিমুল্লাহ খান পুরস্কারটি গ্রহণ করেছেন।
‘সেলিম আল দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ প্রাপ্ত গৌড়জন ড. সলিমুল্লাহ খানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, গল্পকার দীলতাজ রহমান, অ্যাডভোকেট-কবি জিয়াউদ্দিন বুলবুল, সাংবাদিক-সাংস্কৃতিক সংগঠক আসাদুজ্জামান দারা, সেলিম আল দীনের ভাতিজা ও সেলিম আল দীন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক কুদরাত-ই-খুদা পিকাসো, নজরুল একাডেমি-ফেনী শাখার সভাপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ তিতু প্রমুখ। পরে শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে ড. সলিমুল্লাহ খানের সম্মানে নৈশভোজে অংশ নেন উপস্থিতজনরা।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।