খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২

সভাপতি অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক হাসান আল জায়েদ রিফাই

চাঁদপুর অঙ্গনা ক্লাবের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর অঙ্গনা ক্লাবের কমিটি গঠন

 চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন অঙ্গনা ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক হাসান আল জায়েদ রিফাই। শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি  নিউ টাক রোড বটতলা সফু কোম্পানির এস্টেটে ক্লাবের সাবেক বর্তমান খেলোয়ার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সকলের সর্বসম্মতিতে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক খান। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মোঃ সালাহউদ্দিন খান। কোরআন তেলাওয়াতের পরে সাংবাদিক সালাহউদ্দিন খান অঙ্গনা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাবেক আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর খান, সাবেক সভাপতি শফিক সরকার, সাবেক ক্রিকেটার রিয়াজ এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ ইমরান খান মৃত্যুতে সভায় শোক প্রস্তাব আনেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবু তাহের পাটোয়ারী,প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক খান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান খান লিটন, সাবেক খেলোয়াড় শেখ সোহেল, সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ গাউসুল আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ কালাম পাঠান।

নবনির্বাচিত সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান অসুস্থতার কারণে ভারতের চিকিৎসারত থাকায় সভায় উপস্থিত হতে পারেননি। তাই নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক  হাসান আল জায়েদ রিফাইকে সবাই ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন। সভায় নবাগত সম্পাদকের বক্তব্য হাসান আল জায়েদ রিফাই বলেন, এই অঙ্গনা ক্লাব দিয়েই আমার ক্রিকেট শুরু এবং শেষ। জাহাঙ্গীর ভাই ক্লাবের ব্যাপারে খুব নিবেদিত ছিলেন। তিনি ক্রিকেট খেলাটাকে খুব বেশি ভালবাসতেন। অনেক কষ্ট করেছেন এ ক্লাবের জন্য। তাই অঙ্গনার সাবেক খেলোয়ার হিসেবে ক্লাবের উন্নয়নের জন্য সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করব। মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। চাঁদপুর শহরের এ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার কিশোর, তরুণরা যেন খেলায় মনোনিবেশ করতে পারে সেজন্য আমরা সচেষ্ট থাকবো।

ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান খান লিটন বলেন, ক্লাবের স্থানীয় কার্যালয় এখন খুব গুরুত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত প্রাচীন একটি ক্লাবের স্থানীয় কার্যালয়ে নাই যা খুবই দুঃখজনক। ১৯৮৬ সালে আমরা কয়েকজন এ ক্লাবটিকে প্রতিষ্ঠা করি। ক্লাবের নামকরণের সাথে বাস্তবিক আমাদের কাজের অনেক মিল ছিল। অঙ্গনা সাহিত্য-সংস্কৃতিক ক্রিয়া সংগঠন সাহিত্য ক্ষেত্রে এবং অসহায়দের পড়াশোনার জন্য ভূমিকা রেখেছিল সেসময়। ক্লাবের একটি নির্দিষ্ট জায়গা ছিল। আমি প্রভাসে চলে যাওয়ার পর এসে দেখি একটি চক্র ক্লাবের জায়গাটি দখল করে নিয়েছে। এ পর্যন্ত ক্লাবটি পরিচালনা করতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়েছে।

ক্রীড়া সংগঠক কবির খানের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সদস্য সফিক খান, মোঃ মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান অপু, মোঃ মহসিন পাটোয়ারী, মোহাম্মদ বদিউজ্জামান  মুন্না, মোঃ টিপু খান, মোহাম্মদ নূরুন্নবী, নুরুল আমিন সরকার সোহাগ, মোহাম্মদ মেহেদী হাসান খান জনি, মোহাম্মদ ওমর ফারুক  রিপন খান, আলিফ ইব্রাহিম খুকু, মাজহারুল হক বাবু  মোহাম্মদ ওসমান গনি, মাসুদ আহমেদ আখন্দ,   শিবলু খান, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, মোহাম্মদ কাউছার তালুকদার,  নির্মল চন্দ্র দাস, স্বপন দাস,মোহাম্মদ মোস্তফা ঢালি, মোঃ শওকত খান, মোঃ মাহবুব খান, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মোঃ মমিন, শামসুল ইসলাম, খালেক মোল্লা, বোরহান ভূঁইয়া, আবুল হাসান, মোঃ ফয়সাল, জুয়েল সরকার, মোহাম্মদ আনিসুল কবির, আবু সাঈদ, সোহাগ খান  প্রমুখ।
সভা শেষে অঙ্গনা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাবেক আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর খান মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মোস্তফা কামাল।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।