খুঁজুন
                               
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বন্ধুকে আঁটকে রেখে স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বন্ধুকে আঁটকে রেখে স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বন্ধুকে আঁটকে রেখে ওই বন্ধুর স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতে রাজি না হওয়ায় ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তার কোন ইচ্ছাই পুরণ হয়নি অপহরণকারীর। অপহৃতকে উদ্ধারে ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ অপহৃত বন্ধু শামীম হোসেন (২৬)কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুুক্ত অপর বন্ধু হুমায়ুন কবির (৩০)কে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
বুধবার (৩০ এপ্রিল ২০২৫) উপজেলার চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব আলোনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিন জানান, পূর্ব আলোনিয়া গ্রামের সেলিম বেপারীর ছেলে শামীম হোসেন ও একই এলাকার মনির হোসেনের ছেলে হুমায়ুন কবির পরষ্পর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বন্ধুত্বের সুবাধে শামীমের বাড়িতে হুমায়ুনের অবাধ যাতায়ত ছিল। এই সুযোগে শামীমের সুন্দরী স্ত্রীর উপর কুনজর পরে হুমায়ুনের।
হুমায়ুন ফাঁদ পেতে শামীমকে অপহরণ করে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল ২০২৫) তার আলোনিয়া গুদারাঘাট বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নির্জন কক্ষে আটকে রাখে। পরে স্বামীর খোঁজে শামীমের স্ত্রী সাদিয়া দিকবিদিক ছুটাছুটির করছিল। এরইমধ্যে ওই রাতেই হুমায়ুন শামীমের বাড়িতে এসে কথার একপর্যায়ে হুমায়ুন সাদিয়াকে স্বামীকে ফিরে পাওয়ার শর্ত হিসেবে তার সাথে রাত্রি যাপনের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সাদিয়া তার প্রত্যাখ্যান করায় সে কৌশলে ভোল পাল্টে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
বুধবার (৩০ এপ্রিল ২০২৫) সকাল পর্যন্ত স্বামীর খোঁজ না পেয়ে সাদিয়া ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশের সাহায্য প্রার্থনা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হুমায়ুনের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাকে আটক এবং তার কথা অনুযায়ী তার দোকানের নির্জন কক্ষ থেকে শামীমকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় চিকিৎসকরা। অভিযুক্ত হুমায়ুনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আ. মালেক জানান, হুমায়ুনসহ এলাকার একটি চক্র এই এলাকাকে মাদকের আখড়া বানিয়ে ফেলেছে। পুলিশ জানায়, হুমায়ুন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম জানান, জরুরী সেবা ৯৯৯ এর ফোনের ভিত্তিতে ভিকটিম শামীমকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত হুমায়ুনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায়

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ)  বার্তাসংস্থা তাসনিম, ফার্স নিউজ-সহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সব সংবাদমাদ্যম নিশ্চিত করেছে খামেনির নিহতের তথ্য। সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।” খানের নিহতের ঘটনায় ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। গতকাল (শনিবার) সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করেনি। অবশেষে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে তেহরান। ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : সিএনএন, এক্সিওস

তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আজ শনিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সক্রিয় সতর্কতা।”

মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার ২৫ বাংলাদেশি, ৩ বছরে ১৭৫৮

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। আন্ধেরি পশ্চিমের ইউরি নগর এলাকা থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বসবাসের অভিযোগে ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশের ভারসোভা বিভাগ ও মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৫০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে অবস্থানের অভিযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই শুধুমাত্র মুম্বাই শহর থেকে ১১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অবৈধ প্রবেশ এবং শহরে থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ভিলে পার্লে এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মীরা ভায়ান্ডার ওই বাসিন্দাকে, যিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ, তাকে নির্বাসিত করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসের অভিযোগে এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৩৮ জনকে ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সত্যনারায়ণ চৌধুরী জানান, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই এক হাজার ১০০ বাংলাদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বছরে ২২৪ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।